ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আ.লীগের লিফলেট তৈরি, সাবেক মহিলা ইউপি সদস্যসহ গ্রেফতার ২
ছাত্রদলের দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে নিহত সনি: ২৪ বছরেও বিচার না হওয়ায় ক্ষোভ ছাত্রলীগের
গ্রামে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না: রুমিন ফারহানা
টঙ্গীতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
কুমিল্লায় ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, আটক ৪০
ধর্মীয় লেবাসে মহাপ্রতারণা: ৩ হাজার গ্রাহকের কোটি কোটি টাকা নিয়ে উধাও জামায়াত নেতা
আগ্রাবাদ শেখ মুজিব সড়কজুড়ে কাফনের কাপড় মাথায় বেঁধে যুবলীগের বিশাল মিছিল
ঢাকার পর চট্টগ্রামেও বসছে এআই ক্যামেরা, মিলবে কাঙ্ক্ষিত সমাধান?
ঢাকার পর এবার চট্টগ্রাম মহানগরীর সড়ক ব্যবস্থাপনাতেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিনির্ভর ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নগরীর ক্রমবর্ধমান যানজট নিয়ন্ত্রণ, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকীকরণ এবং আইন প্রয়োগ আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও জংশনগুলোতে এআই ক্যামেরা স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই কার্যক্রম শুরু করেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমানে প্রকল্পটি প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মোড় ও ট্রাফিক জংশনে এআইভিত্তিক ক্যামেরা স্থাপনের উপযোগিতা যাচাই করতে মাঠপর্যায়ে সমীক্ষা পরিচালনা করা হচ্ছে। সমীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম নগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যে পরিচালিত হচ্ছে। নগরীর অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে সিগন্যাল বাতিগুলো কার্যত অচল
অবস্থায় পড়ে আছে। ফলে আধুনিক স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল ব্যবস্থার পরিবর্তে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের হাতের ইশারার ওপর নির্ভর করেই যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। একই সঙ্গে সড়কে অনিয়ন্ত্রিত পার্কিং, নির্ধারিত স্থান ছাড়া যাত্রী ওঠানামা, অনিয়মিত রাস্তা পারাপার এবং ট্রাফিক আইন অমান্যের মতো সমস্যাগুলো নগরীর যানজট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। প্রতিদিন কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী ও সাধারণ যাত্রীদের উল্লেখযোগ্য সময় যানজটে আটকে থেকে নষ্ট হচ্ছে। এতে শুধু ব্যক্তিগত ভোগান্তিই নয়, উৎপাদনশীল কর্মঘণ্টারও বড় ক্ষতি হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। নগর পরিকল্পনাবিদ ও পরিবহন বিশেষজ্ঞদের মতে, চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হিসেবে গুরুত্ব বিবেচনায় কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এখন সময়ের দাবি। এ প্রেক্ষাপটে প্রযুক্তিনির্ভর সমাধানের অংশ হিসেবে এআই ক্যামেরা ব্যবহারের উদ্যোগ
নিয়েছে সিএমপি। রাজধানী ঢাকায় এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে যানবাহনের চাপ বিশ্লেষণ, ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন এবং ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারী যানবাহন শনাক্তকরণে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে বলে দাবি করছে সরকার। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে চট্টগ্রামেও একই ধরনের প্রযুক্তি প্রয়োগের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সিএমপির পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী বলেন, “বিষয়টি এখন সমীক্ষা যাচাইয়ের পর্যায়ে আছে, সার্ভে করে যখন একটা রেজাল্ট পাব, তখন এটা বিবেচনা করব।” তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, শুধুমাত্র এআই ক্যামেরা স্থাপন করলেই চট্টগ্রামের যানজট সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। প্রযুক্তির পাশাপাশি প্রয়োজন সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি ট্রাফিক পরিকল্পনা, কার্যকর গণপরিবহন ব্যবস্থা, সড়ক ব্যবহারের সুস্পষ্ট নীতিমালা এবং আইন প্রয়োগে
ধারাবাহিকতা। নগর পরিকল্পনাবিদ প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার বলেন, “কোন গতি, কোন লেনে গাড়ি চলবে, এটা যদি নির্ধারণ করতে না পারি; পথচারী কোন লেনে যাবে– এগুলো ঠিক করতে না পারলে আধুনিক প্রযুক্তির ফলাফল পাব না।” বিশেষজ্ঞদের মতে, সড়কে লেন শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা, পথচারীবান্ধব অবকাঠামো গড়ে তোলা, গণপরিবহনের মানোন্নয়ন এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার সঙ্গে প্রযুক্তির কার্যকর সমন্বয় ঘটানো গেলে এআই ক্যামেরা প্রকল্পটি কাঙ্ক্ষিত সুফল বয়ে আনতে পারে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নগরীর যানবাহন চলাচল আরও সুশৃঙ্খল হবে, ট্রাফিক আইন প্রয়োগে গতি আসবে এবং যানজট নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাবে। এর ফলে প্রতিদিনের যাতায়াতে নগরবাসীর সময় ও ভোগান্তি কমবে এবং চট্টগ্রাম মহানগরীর সামগ্রিক ট্রাফিক
ব্যবস্থাপনা আরও আধুনিক ও কার্যকর রূপ পাবে।
অবস্থায় পড়ে আছে। ফলে আধুনিক স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল ব্যবস্থার পরিবর্তে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের হাতের ইশারার ওপর নির্ভর করেই যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। একই সঙ্গে সড়কে অনিয়ন্ত্রিত পার্কিং, নির্ধারিত স্থান ছাড়া যাত্রী ওঠানামা, অনিয়মিত রাস্তা পারাপার এবং ট্রাফিক আইন অমান্যের মতো সমস্যাগুলো নগরীর যানজট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। প্রতিদিন কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী ও সাধারণ যাত্রীদের উল্লেখযোগ্য সময় যানজটে আটকে থেকে নষ্ট হচ্ছে। এতে শুধু ব্যক্তিগত ভোগান্তিই নয়, উৎপাদনশীল কর্মঘণ্টারও বড় ক্ষতি হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। নগর পরিকল্পনাবিদ ও পরিবহন বিশেষজ্ঞদের মতে, চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হিসেবে গুরুত্ব বিবেচনায় কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এখন সময়ের দাবি। এ প্রেক্ষাপটে প্রযুক্তিনির্ভর সমাধানের অংশ হিসেবে এআই ক্যামেরা ব্যবহারের উদ্যোগ
নিয়েছে সিএমপি। রাজধানী ঢাকায় এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে যানবাহনের চাপ বিশ্লেষণ, ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন এবং ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারী যানবাহন শনাক্তকরণে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে বলে দাবি করছে সরকার। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে চট্টগ্রামেও একই ধরনের প্রযুক্তি প্রয়োগের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সিএমপির পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী বলেন, “বিষয়টি এখন সমীক্ষা যাচাইয়ের পর্যায়ে আছে, সার্ভে করে যখন একটা রেজাল্ট পাব, তখন এটা বিবেচনা করব।” তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, শুধুমাত্র এআই ক্যামেরা স্থাপন করলেই চট্টগ্রামের যানজট সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। প্রযুক্তির পাশাপাশি প্রয়োজন সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি ট্রাফিক পরিকল্পনা, কার্যকর গণপরিবহন ব্যবস্থা, সড়ক ব্যবহারের সুস্পষ্ট নীতিমালা এবং আইন প্রয়োগে
ধারাবাহিকতা। নগর পরিকল্পনাবিদ প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার বলেন, “কোন গতি, কোন লেনে গাড়ি চলবে, এটা যদি নির্ধারণ করতে না পারি; পথচারী কোন লেনে যাবে– এগুলো ঠিক করতে না পারলে আধুনিক প্রযুক্তির ফলাফল পাব না।” বিশেষজ্ঞদের মতে, সড়কে লেন শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা, পথচারীবান্ধব অবকাঠামো গড়ে তোলা, গণপরিবহনের মানোন্নয়ন এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার সঙ্গে প্রযুক্তির কার্যকর সমন্বয় ঘটানো গেলে এআই ক্যামেরা প্রকল্পটি কাঙ্ক্ষিত সুফল বয়ে আনতে পারে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নগরীর যানবাহন চলাচল আরও সুশৃঙ্খল হবে, ট্রাফিক আইন প্রয়োগে গতি আসবে এবং যানজট নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাবে। এর ফলে প্রতিদিনের যাতায়াতে নগরবাসীর সময় ও ভোগান্তি কমবে এবং চট্টগ্রাম মহানগরীর সামগ্রিক ট্রাফিক
ব্যবস্থাপনা আরও আধুনিক ও কার্যকর রূপ পাবে।



