ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
প্রতারণা-প্রহসনের নির্বাচন জননেত্রী শেখ হাসিনার বিবৃতি
আওয়ামী লীগকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়: দেশের ভবিষ্যৎ ও দলের অবস্থান নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সজীব ওয়াজেদ জয়
আওয়ামী লীগকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়: সজীব ওয়াজেদ জয়
ভোটার ছিল না, কিন্তু ভোট ছিল গণনার টেবিলে: শেখ হাসিনা
সিলেট-৫: ভোটার ২৫৩৮, ভোট পড়ল ২৭৫৪! ফলাফলে ‘১০৮ শতাংশ’ ভোটের নজির
ভোটের আগেই সিল, আগেই স্বাক্ষর— ভোটার ছাড়াই বৈধতার নাটক
গত ১৫ বছর বিরোধী দলের ওপর আওয়ামী লীগের দমন-পীড়নের কারণে জামায়াতের উত্থান ঘটেছে- মির্জা ফখরুল
জুলাই সনদ’ গণভোট: ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলেও তথ্যে বড় গরমিল, এক আসনে ভোট ২৪৪%
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন প্রশ্নের গণভোটে সারা দেশে ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়যুক্ত হয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে প্রকাশিত ফলাফলের পরিসংখ্যানে বড় ধরনের অসংগতি ও গরমিল পাওয়া গেছে। কোনো কোনো আসনে মোট ভোটারের চেয়ে দ্বিগুণের বেশি ভোট দেখানো হয়েছে। আবার কোনো আসনে সংসদ নির্বাচনের তুলনায় গণভোটের হার অস্বাভাবিকভাবে কম।
ইসির তথ্যানুযায়ী, গণভোটে প্রায় ৬২ দশমিক ৪৭ শতাংশ ভোট ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে এবং ২৯ দশমিক ৩২ শতাংশ ‘না’-এর পক্ষে পড়েছে। দ্বিগুণেরও বেশি ভোট নিয়ে দেশব্যাপী ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলেও ২৯৯টি আসনের মধ্যে ১১টিতে ‘না’ ভোট বেশি পড়েছে।
২৪৪ শতাংশ ভোট কাস্টিং!
ইসির ফলাফল বিশ্লেষণে সবচেয়ে বড় অসঙ্গতি দেখা গেছে রাজশাহী-৪ আসনে। সেখানে
গণভোট পড়ার হার দেখানো হয়েছে ২৪৪ দশমিক ২৯৫ শতাংশ। ওই আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ১৯ হাজার ৯০৯ জন। অথচ ইসির হিসাবে সেখানে ভোট পড়েছে ৭ লাখ ৮১ হাজার ৫২৩টি। বিস্ময়কর এই ফলাফলে দেখা যায়, আসনটিতে ‘না’ ভোটের পক্ষে পড়েছে ৬ লাখ ১২ হাজার ২২৯ ভোট এবং ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৩৮২ ভোট। উল্লেখ্য, সংসদ নির্বাচনে এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবদুল বারী সরদার জয়ী হয়েছেন। ভোটারের চেয়ে ‘হ্যাঁ’ ভোট বেশি নেত্রকোনার তিনটি আসনে (নেত্রকোনা-৩, ৪ ও ৫) মোট ভোটারের চেয়েও ‘হ্যাঁ’ ভোটের সংখ্যা বেশি দেখানো হয়েছে। যেমন—নেত্রকোনা-৩ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ২০ হাজার ৬৮৬ জন। অথচ সেখানে ‘হ্যাঁ’ ভোটই
দেখানো হয়েছে ৫ লাখ ২ হাজার ৪৩৮টি। আরও বিভ্রান্তিকর তথ্য হলো, একই চার্টে ওই আসনে প্রদত্ত মোট ভোটের সংখ্যা দেখানো হয়েছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৩৫৮টি এবং কাস্টিং হার ৫৬ দশমিক ৬৫৯ শতাংশ। অর্থাৎ, মোট কাস্টিং ভোটের চেয়ে ‘হ্যাঁ’ ভোটের সংখ্যা দ্বিগুণের বেশি এবং মোট ভোটারের চেয়েও তা বেশি। নেত্রকোনা-৪ ও ৫ আসনেও একই ধরনের গরমিল পরিলক্ষিত হয়েছে। ভোট পড়ার হারেও অসামঞ্জস্য সিরাজগঞ্জ-১ আসনে সংসদ নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৬০ দশমিক ৮৩ শতাংশ। অথচ একই সময়ে অনুষ্ঠিত গণভোটে ওই আসনে ভোট পড়ার হার দেখানো হয়েছে মাত্র ৭ দশমিক ৮৯৯ শতাংশ। এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সেলিম রেজা ১ লাখ ১৬ হাজার ৬১৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত
হয়েছেন। পার্বত্য জেলা ও গোপালগঞ্জে ‘না’ ভোটের জয় সারাদেশে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলেও ১১টি আসনে ‘না’ ভোট জয়ী হয়েছে। এর মধ্যে পাহাড়ি তিন জেলা—খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের সব কটি আসনে ‘না’ ভোট বেশি পড়েছে। খাগড়াছড়িতে ‘হ্যাঁ’-এর চেয়ে ‘না’ ভোট ১১ হাজার ৫৮৭টি বেশি। রাঙামাটিতে এই ব্যবধান ১ লাখ ৮ হাজার ১০৬ এবং বান্দরবানে ১৮ হাজার ৭৩৯। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত গোপালগঞ্জের তিনটি আসনেই ‘হ্যাঁ’-এর চেয়ে প্রায় তিন গুণ বেশি ভোট পড়েছে ‘না’-তে। গোপালগঞ্জ-১ আসনে ‘না’ ভোট ১ লাখ ২৮ হাজার ২৯৮, গোপালগঞ্জ-২ আসনে ১ লাখ ৭ হাজার ২৯০ এবং গোপালগঞ্জ-৩ আসনে ৯৩ হাজার ৩৬৮টি। বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ‘না’ ভোট জয়ী হওয়া ১১টি আসনের
মধ্যে ১০টিতেই বিএনপির প্রার্থীরা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। শুধু রাজশাহী-৪ আসনে জামায়াতের প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। অন্য যেসব আসনে ‘না’ জয়ী হয়েছে সেগুলো হলো—ঝিনাইদহ-১, সুনামগঞ্জ-২, চট্টগ্রাম-৮ ও চট্টগ্রাম-১২। সামগ্রিক পরিসংখ্যান নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে ও গণভোটে মোট ভোটার ছিলেন ১২ কোটি ৭৭ লাখ ২ হাজার ৩৩৪ জন। এর মধ্যে গণভোটে ভোট দিয়েছেন ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ ভোটার। ‘হ্যাঁ’ ভোট: ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ ‘না’ ভোট: ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭ বাতিল/অবৈধ: ৭৪ লাখ ২ হাজার ২৮৫ ভোট সারাদেশে ২৯৯টি সংসদীয় আসনে গণভোট প্রদানের গড় হার ছিল ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ।
গণভোট পড়ার হার দেখানো হয়েছে ২৪৪ দশমিক ২৯৫ শতাংশ। ওই আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ১৯ হাজার ৯০৯ জন। অথচ ইসির হিসাবে সেখানে ভোট পড়েছে ৭ লাখ ৮১ হাজার ৫২৩টি। বিস্ময়কর এই ফলাফলে দেখা যায়, আসনটিতে ‘না’ ভোটের পক্ষে পড়েছে ৬ লাখ ১২ হাজার ২২৯ ভোট এবং ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৩৮২ ভোট। উল্লেখ্য, সংসদ নির্বাচনে এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবদুল বারী সরদার জয়ী হয়েছেন। ভোটারের চেয়ে ‘হ্যাঁ’ ভোট বেশি নেত্রকোনার তিনটি আসনে (নেত্রকোনা-৩, ৪ ও ৫) মোট ভোটারের চেয়েও ‘হ্যাঁ’ ভোটের সংখ্যা বেশি দেখানো হয়েছে। যেমন—নেত্রকোনা-৩ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ২০ হাজার ৬৮৬ জন। অথচ সেখানে ‘হ্যাঁ’ ভোটই
দেখানো হয়েছে ৫ লাখ ২ হাজার ৪৩৮টি। আরও বিভ্রান্তিকর তথ্য হলো, একই চার্টে ওই আসনে প্রদত্ত মোট ভোটের সংখ্যা দেখানো হয়েছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৩৫৮টি এবং কাস্টিং হার ৫৬ দশমিক ৬৫৯ শতাংশ। অর্থাৎ, মোট কাস্টিং ভোটের চেয়ে ‘হ্যাঁ’ ভোটের সংখ্যা দ্বিগুণের বেশি এবং মোট ভোটারের চেয়েও তা বেশি। নেত্রকোনা-৪ ও ৫ আসনেও একই ধরনের গরমিল পরিলক্ষিত হয়েছে। ভোট পড়ার হারেও অসামঞ্জস্য সিরাজগঞ্জ-১ আসনে সংসদ নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৬০ দশমিক ৮৩ শতাংশ। অথচ একই সময়ে অনুষ্ঠিত গণভোটে ওই আসনে ভোট পড়ার হার দেখানো হয়েছে মাত্র ৭ দশমিক ৮৯৯ শতাংশ। এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সেলিম রেজা ১ লাখ ১৬ হাজার ৬১৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত
হয়েছেন। পার্বত্য জেলা ও গোপালগঞ্জে ‘না’ ভোটের জয় সারাদেশে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলেও ১১টি আসনে ‘না’ ভোট জয়ী হয়েছে। এর মধ্যে পাহাড়ি তিন জেলা—খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের সব কটি আসনে ‘না’ ভোট বেশি পড়েছে। খাগড়াছড়িতে ‘হ্যাঁ’-এর চেয়ে ‘না’ ভোট ১১ হাজার ৫৮৭টি বেশি। রাঙামাটিতে এই ব্যবধান ১ লাখ ৮ হাজার ১০৬ এবং বান্দরবানে ১৮ হাজার ৭৩৯। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত গোপালগঞ্জের তিনটি আসনেই ‘হ্যাঁ’-এর চেয়ে প্রায় তিন গুণ বেশি ভোট পড়েছে ‘না’-তে। গোপালগঞ্জ-১ আসনে ‘না’ ভোট ১ লাখ ২৮ হাজার ২৯৮, গোপালগঞ্জ-২ আসনে ১ লাখ ৭ হাজার ২৯০ এবং গোপালগঞ্জ-৩ আসনে ৯৩ হাজার ৩৬৮টি। বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ‘না’ ভোট জয়ী হওয়া ১১টি আসনের
মধ্যে ১০টিতেই বিএনপির প্রার্থীরা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। শুধু রাজশাহী-৪ আসনে জামায়াতের প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। অন্য যেসব আসনে ‘না’ জয়ী হয়েছে সেগুলো হলো—ঝিনাইদহ-১, সুনামগঞ্জ-২, চট্টগ্রাম-৮ ও চট্টগ্রাম-১২। সামগ্রিক পরিসংখ্যান নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে ও গণভোটে মোট ভোটার ছিলেন ১২ কোটি ৭৭ লাখ ২ হাজার ৩৩৪ জন। এর মধ্যে গণভোটে ভোট দিয়েছেন ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ ভোটার। ‘হ্যাঁ’ ভোট: ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ ‘না’ ভোট: ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭ বাতিল/অবৈধ: ৭৪ লাখ ২ হাজার ২৮৫ ভোট সারাদেশে ২৯৯টি সংসদীয় আসনে গণভোট প্রদানের গড় হার ছিল ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ।



