ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পোশাক রপ্তানিতে ধসের ইঙ্গিত, সামনে কর্মসংস্থানের বড় ঝুঁকি
ফেনীতে চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপি কর্মীর রেস্টুরেন্ট ভাঙচুর ও অর্থ লুটপাট যুবদলকর্মীদের
লুটপাটের নতুন প্রজেক্ট: ক্ষমতা নিয়েই ২ বিলিয়ন ডলার ঋণের খোঁজে বিএনপি!
দেড়যুগ পর ফিরছে স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজ
যুদ্ধে তেলসহ জিনিসপত্রের দাম বাড়বে, সয়ে নিতে হবে: মির্জা ফখরুল
ঈদে বাড়ে সড়ক দুর্ঘটনা: বেপরোয়া গতি ও ক্লান্ত চালক বড় কারণ
ঠাকুরগাঁওয়ের পাম্পগুলোয় তেল নেই, বাজারে পেট্রোল ৩৫০ টাকা!
জার্মানিতে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ রক্ষার দৃঢ় অঙ্গীকারে বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যে জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালন
জার্মান আওয়ামী লীগের আয়োজনে জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস ২২ শে মার্চ ২০২৬ ইং রবিবার দুপুর ১২টা হইতে রাত ১০টা পর্যন্ত বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে বিদেশী অতিথি ও প্রবাসি বাঙালিদের নিয়ে বার্লিনের একটি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় ।
প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়াল এ অংশগ্রহণ করে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা ।
আলোচনা সভায় সভাপত্বিত করেন জার্মান আওয়ামী লীগের সভাপতি জনাব মিজানুর হক খান । সঞ্চালনা করেন জার্মান আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মোবারক আলী ভূঁইয়া ও জার্মান আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি নুরজাহান খান নুরি ।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সভায় ভার্চুয়ালি উপস্থিত হয়ে
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬ তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে জার্মান আওয়ামী লীগের উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বঙ্গবন্ধুর ছোটবেলার স্মৃতি রোমন্থন করেন এবং বলেন কিভাবে বঙ্গবন্ধু টুঙ্গিপাড়ার খোকা থেকে জাতির জনক হয়ে ওঠেন। তিনি দেশে ও বিদেশে অবস্থানরত সকল নেতাকর্মীদের একতাবদ্ধ হয়ে জাতির এই সংকটময় মুহূর্তে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও নীতিকে সামনে রেখে এগিয়ে চলার আহ্বান জানান। তার বক্তব্যে আবেগ আপ্লূত হয়ে জার্মান আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জয় বাংলা স্লোগানে সভাস্থল মুখরিত করে তোলেন। বক্তব্য রাখেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন বিষয়ক আইনজীবী ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বল , জার্মান আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক মাবু জাফর স্বপন, জার্মান আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি
মাসুদুর রহমান মাসুদ, জার্মান আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক নুরে আলম সিদ্দিকী রুবেল , জার্মান আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রানা ভুইয়া, সাবেক ছাত্রনেতা রাগিব জামান সুফিয়ান, বার্লিন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক আবদুল কাইউম মানিক, হেসেন আওয়ামী লীগের সভাপতি আকরামুজ্জামান কামাল ভুইয়া এবং সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ, জার্মান সেচছাসেবক লীগের সভাপতি খান সাবরা , জার্মান আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক শেরজাহান আহমেদ রাজিব ,বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জার্মানি শাখার সভাপতি- দেওয়ান আরেফিন টিপু, সাধারণ সম্পাদক- আশফাক হোসেন নিশাত বাপ্পি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- ফয়সাল আমান পাপ্পু ,তনয় ইমরোজ আলম সদস্য সম্পাদকীয় বোর্ড বিডি ডাইজেষ্ট সহ আরো অনেকেই । আলোচনা সভায় বক্তারা জাতির পিতার মহীয়ান জীবন
ও বাংলাদেশের জন্য বঙ্গবন্ধুর অবদান এবং তাঁর পরিবারের মহান আত্মত্যাগ শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন। বক্তারা বলেন আজ কিছু অপশক্তি, পাকিস্তানি ভাবধারার দোসররা বঙ্গবন্ধুর নাম ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা করছে। তারা বুঝে না, বঙ্গবন্ধু শুধু একজন ব্যক্তি নন, তিনি একটি আদর্শ, একটি চেতনা, একটি জাতির আত্মার নাম। আজ যারা ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম বাদ দিতে চায়, তারা মূলত তরুণ প্রজন্মকে ইতিহাসবিচ্ছিন্ন করে বিভ্রান্ত করতে চায়। তারা চায় পাকিস্তানি আদর্শের চোরাবালিতে বাংলাদেশকে ফিরিয়ে নিতে। কিন্তু ইতিহাস কখনো মুছে ফেলা যায় না। বিকৃত করা গেলেও তা স্থায়ী হয় না। যতবার ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা হয়েছে, ততবারই নতুন প্রজন্ম বঙ্গবন্ধুর নামে আবার জেগে উঠেছে। বারবার প্রমাণ
হয়েছে শেখ মুজিবুর রহমান এই জাতির আত্মপরিচয়ের মূল স্তম্ভ। চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার ,মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কেক কাটার মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটে।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬ তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে জার্মান আওয়ামী লীগের উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বঙ্গবন্ধুর ছোটবেলার স্মৃতি রোমন্থন করেন এবং বলেন কিভাবে বঙ্গবন্ধু টুঙ্গিপাড়ার খোকা থেকে জাতির জনক হয়ে ওঠেন। তিনি দেশে ও বিদেশে অবস্থানরত সকল নেতাকর্মীদের একতাবদ্ধ হয়ে জাতির এই সংকটময় মুহূর্তে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও নীতিকে সামনে রেখে এগিয়ে চলার আহ্বান জানান। তার বক্তব্যে আবেগ আপ্লূত হয়ে জার্মান আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জয় বাংলা স্লোগানে সভাস্থল মুখরিত করে তোলেন। বক্তব্য রাখেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন বিষয়ক আইনজীবী ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বল , জার্মান আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক মাবু জাফর স্বপন, জার্মান আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি
মাসুদুর রহমান মাসুদ, জার্মান আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক নুরে আলম সিদ্দিকী রুবেল , জার্মান আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রানা ভুইয়া, সাবেক ছাত্রনেতা রাগিব জামান সুফিয়ান, বার্লিন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক আবদুল কাইউম মানিক, হেসেন আওয়ামী লীগের সভাপতি আকরামুজ্জামান কামাল ভুইয়া এবং সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ, জার্মান সেচছাসেবক লীগের সভাপতি খান সাবরা , জার্মান আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক শেরজাহান আহমেদ রাজিব ,বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জার্মানি শাখার সভাপতি- দেওয়ান আরেফিন টিপু, সাধারণ সম্পাদক- আশফাক হোসেন নিশাত বাপ্পি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- ফয়সাল আমান পাপ্পু ,তনয় ইমরোজ আলম সদস্য সম্পাদকীয় বোর্ড বিডি ডাইজেষ্ট সহ আরো অনেকেই । আলোচনা সভায় বক্তারা জাতির পিতার মহীয়ান জীবন
ও বাংলাদেশের জন্য বঙ্গবন্ধুর অবদান এবং তাঁর পরিবারের মহান আত্মত্যাগ শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন। বক্তারা বলেন আজ কিছু অপশক্তি, পাকিস্তানি ভাবধারার দোসররা বঙ্গবন্ধুর নাম ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা করছে। তারা বুঝে না, বঙ্গবন্ধু শুধু একজন ব্যক্তি নন, তিনি একটি আদর্শ, একটি চেতনা, একটি জাতির আত্মার নাম। আজ যারা ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম বাদ দিতে চায়, তারা মূলত তরুণ প্রজন্মকে ইতিহাসবিচ্ছিন্ন করে বিভ্রান্ত করতে চায়। তারা চায় পাকিস্তানি আদর্শের চোরাবালিতে বাংলাদেশকে ফিরিয়ে নিতে। কিন্তু ইতিহাস কখনো মুছে ফেলা যায় না। বিকৃত করা গেলেও তা স্থায়ী হয় না। যতবার ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা হয়েছে, ততবারই নতুন প্রজন্ম বঙ্গবন্ধুর নামে আবার জেগে উঠেছে। বারবার প্রমাণ
হয়েছে শেখ মুজিবুর রহমান এই জাতির আত্মপরিচয়ের মূল স্তম্ভ। চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার ,মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কেক কাটার মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটে।



