জামায়াত-শিবির এনসিপি প্রতিরোধে গোপালগঞ্জে গৃহবধূ-বৃদ্ধা-কিশোরীরাও রাজপথে – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৬ জুলাই, ২০২৫

জামায়াত-শিবির এনসিপি প্রতিরোধে গোপালগঞ্জে গৃহবধূ-বৃদ্ধা-কিশোরীরাও রাজপথে

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৬ জুলাই, ২০২৫ |
গোপালগঞ্জ রণক্ষেত্র, নারীরাও নামছেন রাজপথে, যাবে জীবন চলে যাক এনসিপি নিপাত যাক। এমন শ্লোগানে শ্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে উঠছে গোপালগঞ্জ সদর। এনসিপিকে রুখতে সাধারণ নারী-পুরুষ, বৃদ্ধ, শিশু সবাই রাজপথে। পথে পথে ব্যারিকেড, জায়গায় জায়গায় আগুন, সবার হাতে পতাকা, লগি-বৈঠা, লাঠিসোটা, সড়কি নিয়ে চলছে রাস্তায় রাস্তায় মিছিল। জলোচ্ছ্বাসের মত নারীরা নেমে এসেছেন রাস্তায়, বৃদ্ধা থেকে কিশোরী, সবাই মিছিলে। যেকোন মূল্যে এনসিপিকে প্রতিহত করতে চান তারা গোপালগঞ্জে। শহর থেকে পাড়া-মহল্লা, গ্রামে জামায়াত-শিবির ও এনসিপিবিরোধী স্লোগানে মুখরিত। মিছিলসহকারে সবাই জড়ো হয়ে ছুটছেন এনসিপির সভামঞ্চের দিকে। মুখে একটাই শ্লোগান- “যাবে জীবন চলে যাক, জামায়াত-শিবির এনসিপির সব নিপাত যাক।” সকাল থেকে বিভিন্ন উপজেলার হাজার হাজার মানুষ বিশাল মিছিল

নিয়ে সংগঠিত হন। এনসিপির সভা বন্ধ এবং কেউ যেন গোপালগঞ্জে ঢুকতে না পারে, সেজন্য সড়কে অবস্থান নেন তারা। টুঙ্গিপাড়ায়, গোপালগঞ্জ সদর, মুকসুদপুর, কাশিয়ানি, টেকেরহাট, সালথা, নগরকান্দা, ভাঙ্গা থেকে দলে দলে মানুষ ছুটে এসেছেন গোপালগঞ্জে। খণ্ড খণ্ড মিছিলসহ প্রধান সড়কে সকলে জড়ো হন। গোটা গোপালগঞ্জ জেলা সদর এখন মিছিলের নগরীতে পরিণত হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সতর্ক অবস্থায় থাকলেও গোপালগঞ্জবাসীর যেন জানের মায়া নেই। পুলিশি হামলা ও গণগ্রেপ্তারের প্রতিবাদে রুখে দাঁড়ান সাধারণ নারী-পুরুষ। সেই বিক্ষোভেও পুলিশ লাঠিচার্জ করে। এতে বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের গাড়িতে আগুন ও ইউএনওর গাড়ি ভাঙচুর করেন। জামায়াত-শিবির, এনসিপির বিরুদ্বে ঐক্যবদ্ধ গোপালগঞ্জ ইস্পাতের চেয়ে শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। এরইমধ্যে অভিযোগ উঠেছে গোপালগঞ্জে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ

করে দেওয়ার। ইতিমধ্যে শহরের প্রধান প্রধান সড়কে গাছের গুড়ি বিছিয়ে করা হয়েছে সড়ক অবরোধ। আগামীকাল ফরিদপুরেও এনসিপির সভা রয়েছে ফরিদপুর সদর থানার জনতা ব্যাংকের মোড়ে। গোপালগঞ্জের ঘটনায় ফরিদপুরবাসীও উদ্বুদ্ধ হতে পারে বলে শঙ্কায় এনসিপির নেতাকর্মীরা। কেননা ফরিদপুরেও আওয়ামী লীগের সুসংহত অবস্থান রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল! ২১ বছর পর ওয়ানডে-তে অস্ট্রেলিয়া বধ কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন? বাংলাদেশে ছাত্র নিপীড়নঃ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন-কে হত্যা নোয়াখালীতে মিছিলকারী আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি- বিএনপি-জামাইয়াতের আওয়ামীলীগ নিধনের নীলনকশা ১৯৭০ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতিচারণ করলেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার সামনে টাইগাররা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের লোভে ৭ ব্যাংকে জিম্মি শিক্ষকদের সারাজীবনের সঞ্চয় “বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট টেলিটক ও নগদ ‘কিনতে’ চায় বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওন! অভিযুক্তের বাড়িতে উত্তেজিত জনতার আগুন, নিহত ৩ হাসপাতালে অসুস্থ শিশুর মাকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, অতঃপর… বাজেট: যেসব পণ্যের দাম কমতে পারে বাজেট: যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ