ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বেতন ৪৯ হাজার টাকা, নিজের ও স্ত্রীর নামে গড়েছেন অর্ধশত কোটি টাকার সম্পদের পাহাড়
রাষ্ট্রপতি: হাজারো প্রাণের বিনিময়ে আবার গণতন্ত্রের ধারায় ফিরে এসেছে বাংলাদেশ
বাধা ও শর্ত উপেক্ষা করেই জোয়াহেরুল ইসলামের জানাজায় মানুষের ঢল
আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা
নেতাকর্মীদের মুক্তি না দিলে প্রত্যক্ষ আন্দোলনের হুঁশিয়ারি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের
‘২৩ লক্ষ কোটি টাকার ঋণের বোঝা, ৫০ লাখ মানুষকে আড়াই হাজার টাকা দেবেন কোথা থেকে?’— সরকারকে রনির প্রশ্ন
কারাবন্দি সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন আবেদন শুনানির জন্য হাইকোর্টের কার্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চাচতো ভাই শেখ কবির হোসেন এর মৃত্যুতে জননেত্রী শেখ হাসিনার শোক বার্তা
আমার গভীর শোক ও দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, টুঙ্গিপাড়ার ঐতিহ্যবাহী শেখ পরিবারের সন্তান, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চাচতো ভাই এবং আমার চাচা, শেখ কবির হোসেন আমাদের মাঝে নেই। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)
১৪ ফেব্রুয়ারি, শনিবার সকাল দশটায় স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। তাঁর মৃত্যুতে আমরা একজন ত্যাগী, দেশপ্রেমিক ও সমাজসেবী ব্যক্তিত্বকে হারালাম।
মরহুম শেখ কবির হোসেন দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বীমা ও ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রেখেছেন। তিনি ছিলেন সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড, ন্যাশনাল টি কোম্পানি লিমিটেড, বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন-এর চেয়ারপারসন। তিনি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল
কলেজ হাসপাতাল এবং খান সাহেব শেখ মোশাররফ হোসেন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, যা দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে অমোঘ অবদান রেখেছে। মরহুম শেখ কবির হোসেন মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে সবসময় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন। তিনি দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সমাজসেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তিনি তিন সন্তান — দুই ছেলে ও এক মেয়ে — রেখে গেছেন। আমি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে ধৈর্য, সাহস ও সামর্থ্য প্রদানের আহ্বান জানাই।
কলেজ হাসপাতাল এবং খান সাহেব শেখ মোশাররফ হোসেন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, যা দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে অমোঘ অবদান রেখেছে। মরহুম শেখ কবির হোসেন মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে সবসময় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন। তিনি দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সমাজসেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তিনি তিন সন্তান — দুই ছেলে ও এক মেয়ে — রেখে গেছেন। আমি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে ধৈর্য, সাহস ও সামর্থ্য প্রদানের আহ্বান জানাই।



