ছুুটির দিনে বাণিজ্য মেলায় উপচে পড়া ভিড় – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬
     ১০:৪১ অপরাহ্ণ

ছুুটির দিনে বাণিজ্য মেলায় উপচে পড়া ভিড়

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬ | ১০:৪১ 30 ভিউ
ছাড়, অফার আর কেনাকাটার উন্মাদনায় দ্বিতীয় সপ্তাহের শুরুতেই প্রাণ ফিরে পেয়েছে ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা। সাপ্তাহিক ছুটির দিন আজ শুক্রবার রাজধানীর উপকণ্ঠে পূর্বাচলের বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে সকাল থেকেই বাড়তে থাকে দর্শনার্থীদের ঢল। বিকেল গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে জনস্রোতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো মেলা প্রাঙ্গণ। ছাড় ও আকর্ষণীয় অফারে কেনাকাটায় সন্তুষ্ট ক্রেতারা যেমন আনন্দে মেতেছেন, তেমনি বিক্রি বাড়ায় আশাবাদী হয়ে উঠেছেন বিক্রেতারাও। আজ ছিল মেলার ১৪তম দিন। দ্বিতীয় সপ্তাহে পা রাখার পরই দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে নতুন গতি আসে মেলায়। দুপুরের পর থেকে হাজারো মানুষের পদচারণায় জমজমাট হয়ে ওঠে পুরো এক্সিবিশন সেন্টার এলাকা। পরিবার-পরিজন, বন্ধু ও স্বজনদের নিয়ে মেলায় আসা দর্শনার্থীদের ভিড়ে অনেক

সময় হাঁটাচলাও কঠিন হয়ে পড়ে। মেলায় সবচেয়ে বেশি ভিড় লক্ষ্য করা গেছে কসমেটিকস, পোশাক, ক্রোকারিজ, ফার্নিচার ও গৃহস্থালি সামগ্রীর স্টলগুলোতে। ‘দুটি কিনলে একটি ফ্রি’, ‘নির্দিষ্ট পণ্যে বিশেষ মূল্যছাড়’ কিংবা মৌসুমি অফারে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে ব্যস্ত বিক্রেতারা। অনেক স্টলেই দেখা গেছে ক্রেতাদের দীর্ঘ সারি। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর মধ্যে প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো। খাবারের স্টলগুলোতেও ছিল উপচে পড়া ভিড়। হাজী বিরিয়ানি, তুর্কি খাবার, কাবাব, মিঠাই ও ফাস্টফুডের দোকানগুলোতে ভোজন প্রেমীদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। খাবারের স্বাদ নিতে অনেক দর্শনার্থীকে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে দীর্ঘ সময়। মেলায় শিশুদের জন্য বিনোদনের ব্যবস্থাও ছিল বেশ আকর্ষণীয়। শিশু বিনোদন কেন্দ্রে প্যাডেল বোট, নাগরদোলা, ট্রেন, নৌকা

ও বিভিন্ন রাইডে ছোটদের আনন্দের কোলাহল ছড়িয়ে পড়ে। শিশুদের হাসি আর উচ্ছ্বাসে মেলার পরিবেশ হয়ে ওঠে আরও প্রাণবন্ত। এবারের মেলার বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে ‘বাংলাদেশ স্কয়ার’-এ জুলাই আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রদর্শনী ঘিরে দর্শনার্থীদের আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। ইতিহাসভিত্তিক এসব প্রদর্শনীতে তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণ ছিল বেশি। পাশাপাশি কারাগারের বন্দিদের হাতে তৈরি হস্তশিল্প ও বিভিন্ন পণ্য ক্রয় করে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন অনেক ক্রেতা। অনেকেই এসব উদ্যোগকে মানবিক ও প্রশংসনীয় বলে মন্তব্য করেন। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ছিল কড়া নজরদারি। মেলা প্রাঙ্গণে পুলিশ ও আনসার সদস্যদের পাশাপাশি র‍্যাবের টহল জোরদার করা হয়েছে। অগ্নি নির্বাপণে ফায়ার সার্ভিসের স্টেশনও প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। মেলা কর্তৃপক্ষ

জানায়, দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মেলায় আসা দর্শনার্থী মোস্তাফিজুর রহমান (মিরপুর, ঢাকা) বলেন, এক জায়গায় দেশি-বিদেশি এত ধরনের পণ্য পাওয়া যায় বলেই পরিবার নিয়ে মেলায় এসেছি। কিছু পণ্যে ভালো ছাড় পেয়েছি, যা বাজারের তুলনায় সুবিধাজনক। তবে সব ক্রেতার অভিজ্ঞতা একরকম নয়। ঢাকার ডেমরা থেকে আসা রেহানা বেগম বলেন, কিছু স্টলে পণ্যের দাম তুলনামূলক বেশি মনে হয়েছে। আর মেলায় আসার পথে যানজটের কারণে বেশ ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। অন্যদিকে গৃহস্থালি পণ্যের একটি স্টলের বিক্রয়কর্মী শামীম আহমেদ (গাজীপুর) জানান, দ্বিতীয় সপ্তাহে এসে ছুটির দিনগুলোতে বিক্রি অনেক বেড়েছে। ক্রেতা টানতে আমরা বিশেষ ছাড় দিচ্ছি। আশা করছি, সামনের দিনগুলোতে বিক্রি আরও বাড়বে। এবারের ঢাকা

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় মোট ৩২৪টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ভারত, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, হংকং ও মালয়েশিয়ার ১১টি বিদেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। দেশি-বিদেশি পণ্যের বৈচিত্র্যে মেলাটি দর্শনার্থীদের কাছে বাড়তি আকর্ষণ সৃষ্টি করেছে। উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি শুরু হওয়া ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা চলবে আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত। দর্শনার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তায় ৯ শতাধিক পুলিশ ও আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: ২১.৪ শতাংশ আসনে জাল ভোটের তথ্য পেয়েছে টিআইবি রিকশাচালকের শেষ সম্বল ১০০ টাকায় আ’লীগ অফিসে পতাকা উত্তোলন ‘এত নির্লজ্জ মিথ্যাচার কীভাবে করেন’—উপদেষ্টা রিজওয়ানাকে নাজনীন মুন্নী ৫৫০ কোটি টাকার অভিযোগ: ফয়েজ তৈয়্যব বিদেশে, গন্তব্য নেদারল্যান্ডস আজ থেকে ধানমন্ডি ৩২ ও জেলা-উপজেলা কার্যালয়ে যাওয়ার নির্দেশ শেখ হাসিনার ৫ আগস্টের পর আমাদের অবস্থা খারাপ ছিল, কিন্তু এখন আওয়ামী লীগের জনসমর্থন অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। “আওয়ামী লীগকে নিয়ে সবাই ভীতসন্ত্রস্ত বলেই ৬২ ভাগ মানুষের দল আওয়ামী লীগকে নির্বাচনের বাইরে রাখা হয়েছে।” — জাহাঙ্গীর কবির নানক খুলনা বিভাগে বিএনপির বিপর্যয়ের নেপথ্যে চাঁদাবাজি-গ্রুপিং আর সাবেক মুসলিম লীগের ভোট দাঁড়িপাল্লায় ফয়েজ আহমেদ তৈয়বের সবার আগে দেশত্যাগ ও আইসিটি খাতে বিশাল দুর্নীতির অভিযোগ আওয়ামী লীগ-বিএনপি বিরোধ বাড়লে ‘নারীবিরোধী’ জামায়াত বড় সাফল্য পেতো: ব্রিটিশ এমপি রুপা হক অর্থ জালিয়াতির মামলায় গ্রেপ্তার এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ স্ক্রিনশট ফাঁস করে ‘প্রিয় তারেক রহমান’ সম্বোধনে ঢাবি শিক্ষক মোনামির আকুতিভরা পোস্ট ভাইরাল ধানমন্ডি ৩২ শে যাওয়া কি অপরাধ? “আমার মা কখনও কাউকে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগের নির্দেশ দেননি, শুধুমাত্র যারা পুলিশ বা অন্যদের ওপর হামলা করছিল, তাদের ক্ষেত্রে ছাড়া।” – সজীব ওয়াজেদ নিরঙ্কুশ জয়, এখনো সরকার গঠন হয়নি: এর আগেই ধানমন্ডিতে ঢাবি শিক্ষক ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান লাঞ্ছিত, প্রশ্নবিদ্ধ ‘ভবিষৎ গণতন্ত্র’ ছয়বার জামিন পেয়েও মেলেনি মুক্তি, কারাগারে আ.লীগ নেতার মৃত্যু গণতন্ত্রের নতুন সমীকরণ: আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা, আন্তর্জাতিক চাপ ও বিএনপির ‘কৌশলী’ দাবার চাল শেখ কবির হোসেনের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গভীর শোক বাংলাদেশের নির্বাচন এবং আস্থার সংকট দেশব্যাপী নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার রক্তক্ষয়ী রুপ