ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রাজশাহী–৪ আসনে ৩ লাখ ভোটারে ৭ লাখের বেশি ভোট!
আমি ঘরের মেয়ে ঘরেই আছি আমার ঘর ব্রাহ্মণবাড়িয়া- রুমিন ফারহানা
ইউনুসের সুষ্ঠু নির্বাচনের নমুনা নোয়াখালিতে পোলিং অফিসার নিজেই ব্যালটে সিল মারছেন
সবচেয়ে বাজে কারচুপির নির্বাচন হয়েছে – জনগনের ক্ষোভ
ভোট শেষ হওয়ার আধা ঘণ্টা পূর্বে কেন্দ্রদখল করে ব্যালট ছিনতাইয়ের পর ধানের শীষ মার্কায় সিল জনগণের সমর্থন না পেয়ে ক্ষমতা দখলের নগ্ন প্রয়াস!
ভোটের নামে মব, নির্বাচনের নামে নৈরাজ্য
ভোট দিতে না যাওয়াও আপনার আমার গণতান্ত্রিক অধিকার
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বোমা তৈরির সময় তীব্র বিস্ফোরণে ছিন্নভিন্ন ২, আহত ৩: জঙ্গি বা জামায়াত-শিবির ধারণা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার একটি গ্রামে বোমা তৈরির সময় তীব্র বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে দুজন তাৎক্ষণিক নিহত হয়েছেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, বিস্ফোরণের তীব্রতা এতোই প্রচন্ড ছিল যে শব্দ শোনা গেছে কয়েক কিলোমিটার দূর থেকেও।
আজ ১৪ই ফেব্রুয়ারি, শনিবার ভোর ৫টার দিকে চরবাগডাঙ্গা ইউপির ফাটাপাড়া গ্রামে এই বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
গ্রাম থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে সোনারপট্টির বাসিন্দা মনির হোসেন বলেন, ভোরে বিকট শব্দে ঘুম ভেঙে যায়। প্রথমে ভাবছিলাম ট্রাকের চাকা ফাটছে। কিন্তু পরে শুনলাম বোমা ফেটে মানুষ মরছে।
এদিকে বিস্ফোরণে ছিন্নভিন্ন দুই ব্যক্তির পরিচয় এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। তবে আহতদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন, ফাটাপাড়া গ্রামের বজলুর রহমান (২০) ও মিনহাজ (৫২), অপরজন রাণীহাটির
রামচন্দ্রপুর এলাকার ধুমি গ্রামের মো. শুভ (২০)। আহতদের রাজশাহীতে নেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের মুখপাত্র ও জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শংকর কে বিশ্বাস। এই চিকিৎসক জানান, বজলুর রহমান এবং মিনহাজ নামে দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একজন ২ নম্বর ওয়ার্ডে, অপরজন ৮ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। তাদের অবস্থা আশংকাজনক। এ প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস সকালে বলেন, যতদূর জানা গেছে, ভোর ৫টা থেকে সাড়ে ৫টার মধ্যে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। আমাদের বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট আসছে, তারা এসে ঘটনাস্থল পরীক্ষা করবেন। আরও কোনো আলামত বা অবিস্ফোরিত কিছু আছে কি না দেখার
পর আমরা আইনানুগ প্রক্রিয়া শুরু করব। তিনি আরও বলেন, আমরা লাশের কাছে যেতে পারিনি, লাশগুলো বিকৃত অবস্থায় আছে। এলাকাবাসীর মাধ্যমে পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করছি। এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বোমা তৈরি বা মজুত করার সময় এই বিস্ফোরণ ঘটে থাকতে পারে। বিস্তারিত তদন্তের পর জানা যাবে প্রকৃত ঘটনা। স্থানীয় চরবাটান ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রফিকুল ইসলাম বলেন, ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণের শব্দ শুনেই তাৎক্ষণিক আমার চৌকিদারকে বলি দেখার জন্য কোথায় কী ঘটল। সে এসে জানায় কালামের বাড়িতে দুইজন স্পট ডেড। আরও কিছু লোক আহত ছিল, তাদের আত্মীয়-স্বজনরা তাদের হাসপাতালে নিয়ে যায়। ইউপি সদস্য আরও জানান, নিহত দুজনকে হাসপাতালে নেওয়া যায়নি। তাদের শরীর ছিন্নভিন্ন হয়ে পড়ে
ছিল। তারা এক ঘণ্টা ধরে ‘পানি পানি’ বলে চিৎকার করেছে, কিন্তু বোমা আছে ভেবে কেউ ভয়ে কাছে যায়নি। রফিকুল ইসলাম বিস্ফোরণের ভয়াবহতা সম্পর্কে বলেন, এমন একটা বোমা যদি কোনো জনবহুল স্থানে বিস্ফোরিত হতো, তবে অন্তত ৫০০ লোক মারা যেত—এতটাই বিকট শব্দ ছিল। স্থানীয়দের মতে, কোনো জঙ্গি সংগঠন মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে আবারও। কারো মতে, নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা বা এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জেরে এই বোমাগুলো তৈরি করা হয়ে থাকতে পারে। একজন মুদি দোকানি বলেন, বিস্ফোরণ ঘরের ভেতরে হয়েছে এবং এতে ঘরের টিন অনেক উঁচুতে উড়ে গেছে, তাতেই বোঝা যায় এটা বোমা তৈরির সময় ঘটেছে। তিনি জানান, বাড়িটির মালিক কালামের রাজনৈতিক পরিচয় না থাকলেও তার ভাই দুলাল
এবার নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে কাজ করেছে। মিছিল মিটিংয়ে সরব ছিলেন। বাড়িটি নিরিবিলি স্থানে হওয়ায় বোমা তৈরির জন্য নিরাপদ মনে করেছিল হয়ত। স্থানীয়রা এই ঘটনায় প্রশাসনের সরাসরি হস্তক্ষেপ দাবি এবং অপরাধীদের গ্রেপ্তারের আর্জি জানান। বিএনপির প্রার্থীর অভিযোগ দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে ত্রয়োদশ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হারুনর রশীদ সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, ভোটের দিন রাতে জামায়াতের মিছিল থেকে বিএনপির নাসির মেম্বারসহ কয়েজনের বাড়িতে হামলা চালানো হয়। পুলিশের উদ্যোগে ঘটনার মীমাংসা হলেও এলাকায় ত্রাস সৃষ্টির জন্য বোমা বানানো হচ্ছিল। এসব ঘটনায় জামায়তের লোকজন জড়িত। ঘটনায় যে–ই জড়িত থাকুক না কেন, তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা দরকার বলে মন্তব্য করেন তিনি। বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিএনপি
নেতা হারুনর রশীদের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানান জামায়াত নেতা লতিফুর রহমান। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘হারুনের মতো দায়িত্বশীল মানুষের এমন বক্তব্য আশা করি না। তিনি এমনটা না বললেই পারতেন। জামায়াতের লোকজনকে দায়ী করা ঠিক নয়। ধানের শীষের লোকজনের ওপর দাঁড়িপাল্লার লোকজন হামলা করেছে, এটাও ঠিক নয়।’ তবে লতিফুর রহমানের এমন মন্তব্যের সময় স্থানীয়রা প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, ধানের শীষের লোকজনের ওপর হামলা চালিয়েছেন দাঁড়িপাল্লার লোকজন।
রামচন্দ্রপুর এলাকার ধুমি গ্রামের মো. শুভ (২০)। আহতদের রাজশাহীতে নেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের মুখপাত্র ও জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শংকর কে বিশ্বাস। এই চিকিৎসক জানান, বজলুর রহমান এবং মিনহাজ নামে দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একজন ২ নম্বর ওয়ার্ডে, অপরজন ৮ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। তাদের অবস্থা আশংকাজনক। এ প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস সকালে বলেন, যতদূর জানা গেছে, ভোর ৫টা থেকে সাড়ে ৫টার মধ্যে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। আমাদের বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট আসছে, তারা এসে ঘটনাস্থল পরীক্ষা করবেন। আরও কোনো আলামত বা অবিস্ফোরিত কিছু আছে কি না দেখার
পর আমরা আইনানুগ প্রক্রিয়া শুরু করব। তিনি আরও বলেন, আমরা লাশের কাছে যেতে পারিনি, লাশগুলো বিকৃত অবস্থায় আছে। এলাকাবাসীর মাধ্যমে পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করছি। এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বোমা তৈরি বা মজুত করার সময় এই বিস্ফোরণ ঘটে থাকতে পারে। বিস্তারিত তদন্তের পর জানা যাবে প্রকৃত ঘটনা। স্থানীয় চরবাটান ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রফিকুল ইসলাম বলেন, ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণের শব্দ শুনেই তাৎক্ষণিক আমার চৌকিদারকে বলি দেখার জন্য কোথায় কী ঘটল। সে এসে জানায় কালামের বাড়িতে দুইজন স্পট ডেড। আরও কিছু লোক আহত ছিল, তাদের আত্মীয়-স্বজনরা তাদের হাসপাতালে নিয়ে যায়। ইউপি সদস্য আরও জানান, নিহত দুজনকে হাসপাতালে নেওয়া যায়নি। তাদের শরীর ছিন্নভিন্ন হয়ে পড়ে
ছিল। তারা এক ঘণ্টা ধরে ‘পানি পানি’ বলে চিৎকার করেছে, কিন্তু বোমা আছে ভেবে কেউ ভয়ে কাছে যায়নি। রফিকুল ইসলাম বিস্ফোরণের ভয়াবহতা সম্পর্কে বলেন, এমন একটা বোমা যদি কোনো জনবহুল স্থানে বিস্ফোরিত হতো, তবে অন্তত ৫০০ লোক মারা যেত—এতটাই বিকট শব্দ ছিল। স্থানীয়দের মতে, কোনো জঙ্গি সংগঠন মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে আবারও। কারো মতে, নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা বা এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জেরে এই বোমাগুলো তৈরি করা হয়ে থাকতে পারে। একজন মুদি দোকানি বলেন, বিস্ফোরণ ঘরের ভেতরে হয়েছে এবং এতে ঘরের টিন অনেক উঁচুতে উড়ে গেছে, তাতেই বোঝা যায় এটা বোমা তৈরির সময় ঘটেছে। তিনি জানান, বাড়িটির মালিক কালামের রাজনৈতিক পরিচয় না থাকলেও তার ভাই দুলাল
এবার নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে কাজ করেছে। মিছিল মিটিংয়ে সরব ছিলেন। বাড়িটি নিরিবিলি স্থানে হওয়ায় বোমা তৈরির জন্য নিরাপদ মনে করেছিল হয়ত। স্থানীয়রা এই ঘটনায় প্রশাসনের সরাসরি হস্তক্ষেপ দাবি এবং অপরাধীদের গ্রেপ্তারের আর্জি জানান। বিএনপির প্রার্থীর অভিযোগ দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে ত্রয়োদশ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হারুনর রশীদ সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, ভোটের দিন রাতে জামায়াতের মিছিল থেকে বিএনপির নাসির মেম্বারসহ কয়েজনের বাড়িতে হামলা চালানো হয়। পুলিশের উদ্যোগে ঘটনার মীমাংসা হলেও এলাকায় ত্রাস সৃষ্টির জন্য বোমা বানানো হচ্ছিল। এসব ঘটনায় জামায়তের লোকজন জড়িত। ঘটনায় যে–ই জড়িত থাকুক না কেন, তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা দরকার বলে মন্তব্য করেন তিনি। বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিএনপি
নেতা হারুনর রশীদের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানান জামায়াত নেতা লতিফুর রহমান। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘হারুনের মতো দায়িত্বশীল মানুষের এমন বক্তব্য আশা করি না। তিনি এমনটা না বললেই পারতেন। জামায়াতের লোকজনকে দায়ী করা ঠিক নয়। ধানের শীষের লোকজনের ওপর দাঁড়িপাল্লার লোকজন হামলা করেছে, এটাও ঠিক নয়।’ তবে লতিফুর রহমানের এমন মন্তব্যের সময় স্থানীয়রা প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, ধানের শীষের লোকজনের ওপর হামলা চালিয়েছেন দাঁড়িপাল্লার লোকজন।



