ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুবদল নেতার ওপর হামলা, ছাত্রদলের ৩ নেতাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা
চাকরির সুপারিশ করা কিশোরীর সাথে অন্তরঙ্গ অবস্থায় ধৃত জামায়াত এমপি গাজী নজরুল, ৫০১-কান্ডের মতো “দ্বিতীয় স্ত্রী” দাবি জেলা জামায়াতের
‘তারেক রহমানের ডাকেই সাড়া দিয়েছিলেন আবু সাঈদ’: ছাত্রদল সভাপতি রাকিবের দাবি
‘ছাত্রদলের নামে ভুয়া ফটোকার্ড বানাচ্ছে, শিবির: বেরোবির সমাবেশে রাকিব
তাবিজ দেওয়ার নাম করে গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টা, জামায়াত আমিরকে জুতাপেটার পর পুলিশে সোপর্দ
ল্যাব টেস্টে এক প্লেট ফুচকায় মিলেছে ৭ কোটিরও বেশি ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া: ভোক্তা অধিকার
আওয়ামী লীগ সরকার পতন আন্দোলনে সেনাবাহিনী কীভাবে সম্পৃক্ত ছিল, জানালেন রাশেদ খান
চট্টগ্রামের ছাত্রলীগের মিছিলকে মিডিয়া ‘আতঙ্ক’ হিসাবে চিত্রায়ন করলেও জনমত বলছে ভিন্নকথা
চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের এ যাবতকালের সবচেয়ে বড় মিছিলটি একই সঙ্গে দুটি সম্পূর্ণ বিপরীত প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। মূলধারার গণমাধ্যমগুলো ঘটনাটিকে ‘আতঙ্ক’ ও নেতিবাচক আলোয় উপস্থাপন করলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একই মিছিলের ভিডিও ও সংবাদে হাজার হাজার লাইক, লাভ ও উৎসাহমূলক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। এই বৈপরীত্য নিজেই একটি উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক বার্তা বহন করছে।
মিডিয়ার ভাষ্য: আতঙ্ক ও উদ্বেগ
বাংলা ট্রিবিউনসহ প্রায় সব মূলধারার গণমাধ্যম মিছিলটি কভার করেছে। বাংলা ট্রিবিউন শিরোনাম করেছে “চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ‘বড়’ মিছিল”, কালের কণ্ঠ সহ কালবেলা মিছিলের ভিডিও “নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল” হিসাবে প্রচার করেছে। অন্যান্য পত্রিকা ও অনলাইন পোর্টালগুলো ঘটনাটিকে ‘জনমনে আতঙ্ক’ হিসেবে উপস্থাপন করেছে। সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ একটি
সংগঠনের এত বড় মিছিলকে আইনশৃঙ্খলার প্রশ্ন হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে সংবাদগুলোতে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিন্ন চিত্র কিন্তু এই একই সংবাদ ও ভিডিওগুলোর নিচে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়ার চিত্র সম্পূর্ণ আলাদা। হাজার হাজার ব্যবহারকারী লাইক ও লাভ রিঅ্যাকশন দিয়েছেন। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনার এক ব্যতিক্রমী পরিবেশ তৈরি হয়েছে। অনেকে মন্তব্যে এটিকে ‘রাজনৈতিক পুনরুজ্জীবনের’ ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। দুই বাস্তবতার ব্যাখ্যা বিশ্লেষকরা বলছেন, মূলধারার মিডিয়া ও সাধারণ সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের এই বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরছে। গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবেশে মূলধারার মিডিয়া যেভাবে ঘটনাটিকে দেখছে, একটি বড় জনগোষ্ঠী তা মানতে নারাজ। বিশেষত আওয়ামী লীগের সমর্থক ও নিষিদ্ধ হওয়ার বিষয়টিকে
অন্যায় মনে করা মানুষদের কাছে এই মিছিল ভয়ের নয়, বরং প্রতিরোধের প্রতীক। নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও মাঠে উল্লেখ্য, গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। সেই নিষেধাজ্ঞার পরও এত বড় মিছিল আয়োজন করতে পারা সংগঠনটির জন্য একটি সাংগঠনিক সক্ষমতার প্রদর্শন বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। একই সঙ্গে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে — নিষিদ্ধ সংগঠনের এত বড় কর্মসূচি কীভাবে নির্বিঘ্নে পালিত হলো, সেটি এখন আলোচনার কেন্দ্রে। মিডিয়া ফ্রেমিং বনাম জনমত এই ঘটনা আরও একটি প্রশ্ন সামনে নিয়ে এসেছে — মূলধারার মিডিয়ার ‘ফ্রেমিং’ ও সাধারণ মানুষের অনুভূতির মধ্যে ক্রমবর্ধমান ব্যবধান। সংবাদে ‘আতঙ্ক’ লেখা হলেও সেই সংবাদের নিচে হাজারো ‘লাভ’ রিঅ্যাকশন বলে দিচ্ছে, একটি
বড় অংশের মানুষ এই মিছিলকে ভিন্ন দৃষ্টিতে দেখছেন। গণমাধ্যম ও জনমতের এই বিচ্ছেদ বাংলাদেশের রাজনৈতিক মেরুকরণের নতুন মাত্রা যোগ করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সংগঠনের এত বড় মিছিলকে আইনশৃঙ্খলার প্রশ্ন হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে সংবাদগুলোতে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিন্ন চিত্র কিন্তু এই একই সংবাদ ও ভিডিওগুলোর নিচে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়ার চিত্র সম্পূর্ণ আলাদা। হাজার হাজার ব্যবহারকারী লাইক ও লাভ রিঅ্যাকশন দিয়েছেন। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনার এক ব্যতিক্রমী পরিবেশ তৈরি হয়েছে। অনেকে মন্তব্যে এটিকে ‘রাজনৈতিক পুনরুজ্জীবনের’ ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। দুই বাস্তবতার ব্যাখ্যা বিশ্লেষকরা বলছেন, মূলধারার মিডিয়া ও সাধারণ সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের এই বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরছে। গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবেশে মূলধারার মিডিয়া যেভাবে ঘটনাটিকে দেখছে, একটি বড় জনগোষ্ঠী তা মানতে নারাজ। বিশেষত আওয়ামী লীগের সমর্থক ও নিষিদ্ধ হওয়ার বিষয়টিকে
অন্যায় মনে করা মানুষদের কাছে এই মিছিল ভয়ের নয়, বরং প্রতিরোধের প্রতীক। নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও মাঠে উল্লেখ্য, গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। সেই নিষেধাজ্ঞার পরও এত বড় মিছিল আয়োজন করতে পারা সংগঠনটির জন্য একটি সাংগঠনিক সক্ষমতার প্রদর্শন বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। একই সঙ্গে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে — নিষিদ্ধ সংগঠনের এত বড় কর্মসূচি কীভাবে নির্বিঘ্নে পালিত হলো, সেটি এখন আলোচনার কেন্দ্রে। মিডিয়া ফ্রেমিং বনাম জনমত এই ঘটনা আরও একটি প্রশ্ন সামনে নিয়ে এসেছে — মূলধারার মিডিয়ার ‘ফ্রেমিং’ ও সাধারণ মানুষের অনুভূতির মধ্যে ক্রমবর্ধমান ব্যবধান। সংবাদে ‘আতঙ্ক’ লেখা হলেও সেই সংবাদের নিচে হাজারো ‘লাভ’ রিঅ্যাকশন বলে দিচ্ছে, একটি
বড় অংশের মানুষ এই মিছিলকে ভিন্ন দৃষ্টিতে দেখছেন। গণমাধ্যম ও জনমতের এই বিচ্ছেদ বাংলাদেশের রাজনৈতিক মেরুকরণের নতুন মাত্রা যোগ করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।



