ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শরীয়তপুরে ছেলে ছাত্রলীগ করায় পিতাকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ
‘হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন’
আ.লীগের ৮৬ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা
গায়ে হাত দেওয়া লোকও কমিটিতে ক্ষোভে রাজনীতি ছাড়লেন এনসিপি নেত্রী
ঘুরে দাঁড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের কর্মীরা, আত্মরক্ষার সাথে সাথে করছে মব হামলা প্রতিরোধ
এনসিপি থেকে ২২ নেতার পদত্যাগ
মাদক বিক্রির টাকা গোণা সেই যুবদল নেতা গভীর রাতে আদম ব্যবসায়ীর স্ত্রীসহ গ্রেপ্তার
গ্যাস সংকটের পিছনে বিএনপি-জামাতের সিন্ডিকেট: কৃত্রিম অভাব তৈরি করে রাজনৈতিক লাভের খেলা
বিএনপি–জামাতের আমলের কৃত্রিম সংকটের পুনরাবৃত্তি, গ্যাসের কৃতিম সংকটে দায়ী বিএনপি–জামাত
দেশজুড়ে চলমান গ্যাস সংকটের পিছনে একটি গভীর ষড়যন্ত্রের চিত্র উন্মোচিত হচ্ছে। সূত্রমতে, বিএনপি এবং জামাত-ই-ইসলামীর নেতৃত্বাধীন একটি সিন্ডিকেট গ্যাসের সরবরাহ ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ করে কৃত্রিম অভাব তৈরি করছে। এই সিন্ডিকেটের মূল লক্ষ্য শুধু অর্থ উপার্জন নয়, বরং জনগণকে অতিষ্ট করে তোলা, যাতে আসন্ন নির্বাচনের পর তারা ক্ষমতায় এসে মজুদকৃত গ্যাস সরবরাহ করে দাম কমিয়ে ‘নায়ক’ হিসেবে উপস্থাপিত হতে পারে।
সম্প্রতি বিভিন্ন গোয়েন্দা সূত্র এবং গ্যাস সেক্টরের অভ্যন্তরীণ তথ্য থেকে জানা গেছে যে, বিএনপি-জামাতের সাথে যুক্ত কিছু ব্যবসায়ী এবং রাজনৈতিক নেতা গ্যাসের আমদানি এবং বিতরণ প্রক্রিয়ায় সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। তারা গ্যাসের স্টক মজুদ করে
রেখে বাজারে সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে, ফলে গ্যাসের দাম আকাশছোঁয়া হয়ে উঠেছে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। একটি সূত্র জানিয়েছে, “এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে তারা কোটি কোটি টাকা উপার্জন করছে, কিন্তু এর চেয়ে বড় উদ্দেশ্য হলো রাজনৈতিক। নির্বাচনের আগে জনগণকে অসন্তুষ্ট করে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উসকে দিয়ে তারা ক্ষমতা দখলের পথ প্রশস্ত করতে চাইছে।” গ্যাস সেক্টরের বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই কৃত্রিম সংকটের ফলে শিল্পকারখানা, পরিবহন এবং গৃহস্থালি স্তরে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন অধ্যাপক (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, “এটি একটি ক্লাসিক রাজনৈতিক স্ট্র্যাটেজি। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে তারা গ্যাস মজুদ করে রেখেছে, যাতে নির্বাচন জিতলে তা সরবরাহ করে দাম কমিয়ে
জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পারে। এতে দেশের অর্থনীতি এবং জনগণের ভোগান্তি বাড়ছে।” বিএনপির একজন সিনিয়র নেতা এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, “এটি সরকারের প্রোপাগান্ডা। গ্যাস সংকটের জন্য সরকারের অদক্ষতা দায়ী।” তবে জামাতের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সরকারী সূত্র জানিয়েছে, এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে এবং শীঘ্রই কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। জনগণকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে একটি সূত্র বলেছে, “এই ধরনের ষড়যন্ত্র দেশের স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলে দিচ্ছে। নির্বাচনের আগে এমন কৃত্রিম সংকট তৈরি করে রাজনৈতিক লাভ তোলার চেষ্টা অগ্রাহ্যযোগ্য।” এই ঘটনা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, যদি এই অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হয়, তাহলে এটি বিএনপি-জামাতের জন্য বড়
ধাক্কা হবে এবং নির্বাচনী সমীকরণ পাল্টে যেতে পারে।
রেখে বাজারে সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে, ফলে গ্যাসের দাম আকাশছোঁয়া হয়ে উঠেছে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। একটি সূত্র জানিয়েছে, “এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে তারা কোটি কোটি টাকা উপার্জন করছে, কিন্তু এর চেয়ে বড় উদ্দেশ্য হলো রাজনৈতিক। নির্বাচনের আগে জনগণকে অসন্তুষ্ট করে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উসকে দিয়ে তারা ক্ষমতা দখলের পথ প্রশস্ত করতে চাইছে।” গ্যাস সেক্টরের বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই কৃত্রিম সংকটের ফলে শিল্পকারখানা, পরিবহন এবং গৃহস্থালি স্তরে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন অধ্যাপক (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, “এটি একটি ক্লাসিক রাজনৈতিক স্ট্র্যাটেজি। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে তারা গ্যাস মজুদ করে রেখেছে, যাতে নির্বাচন জিতলে তা সরবরাহ করে দাম কমিয়ে
জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পারে। এতে দেশের অর্থনীতি এবং জনগণের ভোগান্তি বাড়ছে।” বিএনপির একজন সিনিয়র নেতা এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, “এটি সরকারের প্রোপাগান্ডা। গ্যাস সংকটের জন্য সরকারের অদক্ষতা দায়ী।” তবে জামাতের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সরকারী সূত্র জানিয়েছে, এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে এবং শীঘ্রই কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। জনগণকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে একটি সূত্র বলেছে, “এই ধরনের ষড়যন্ত্র দেশের স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলে দিচ্ছে। নির্বাচনের আগে এমন কৃত্রিম সংকট তৈরি করে রাজনৈতিক লাভ তোলার চেষ্টা অগ্রাহ্যযোগ্য।” এই ঘটনা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, যদি এই অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হয়, তাহলে এটি বিএনপি-জামাতের জন্য বড়
ধাক্কা হবে এবং নির্বাচনী সমীকরণ পাল্টে যেতে পারে।



