গাজার ‘ভয়াবহ অবিচার’ হচ্ছে, বললেন মিসরের কপটিক পোপ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২১ এপ্রিল, ২০২৫

গাজার ‘ভয়াবহ অবিচার’ হচ্ছে, বললেন মিসরের কপটিক পোপ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২১ এপ্রিল, ২০২৫ |
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে চলমান ইসরাইলি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন মিসরের কপটিক অর্থডক্স খ্রিস্টান চার্চের প্রধান পোপ টাওয়াড্রোস দ্বিতীয়। তিনি এটিকে ‘ফিলিস্তিনিদের ওপর সবচেয়ে ভয়াবহ অন্যায়ের একটি উদাহরণ’ বলেও উল্লেখ করেছেন। রোববার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু। খ্রিস্টানদের পবিত্র ইস্টার উৎসব উপলক্ষ্যে মিসরের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পোপ বলেন, প্রতিদিন ফিলিস্তিনিরা নিজেদের মাতৃভূমির ধ্বংসের মধ্যে দিয়ে চরম অবিচারের শিকার হচ্ছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, মিসরের সব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা একত্রে গাজা থেকে জোরপূর্বক বা স্বেচ্ছায় ফিলিস্তিনিদের স্থানান্তরের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। পোপ বলেন, প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি স্পষ্টভাবে বলেছেন—এই অন্যায়ের অংশ আমরা কখনও হবো না। পোপ টাওয়াড্রোস আরও জানান, গাজার

পরিস্থিতি নিয়ে কপটিক চার্চ এবং মিসরের প্রধান ইসলামিক প্রতিষ্ঠান আল-আজহার একই অবস্থানে রয়েছে। তিনি বলেন, আল-আজহারের গ্র্যান্ড ইমাম শেখ আহমেদ আল-তাইয়েব এবং আমরা একসঙ্গে একই কণ্ঠে বলছি—বিশ্ব বিবেককে এখনই জাগতে হবে, আমাদের গাজার ভাইবোনদের রক্ষা করতে হবে। প্রসঙ্গত, গত মাসে এক জরুরি আরব সম্মেলনে মিসরের নেতৃত্বে গাজার পুনর্গঠনের জন্য ৫৩ বিলিয়ন ডলারের একটি পাঁচ-বছর মেয়াদি পরিকল্পনা গৃহীত হয়, যার মূল শর্ত ছিল—ফিলিস্তিনিদের গাজা থেকে সরানো যাবে না। কিন্তু এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র। তারা বরং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক বিতর্কিত পরিকল্পনার পক্ষে অবস্থান নেয়, যেখানে গাজার জনগণকে মিসর ও জর্ডানের মতো প্রতিবেশী দেশগুলোতে স্থানান্তরের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে এ প্রস্তাব

আরব দেশসমূহ এবং আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলো কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরাইলের ভয়াবহ আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত গাজায় ৫১ হাজার ২০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। আহত হয়েছে প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজারেরও বেশি মানুষ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল! ২১ বছর পর ওয়ানডে-তে অস্ট্রেলিয়া বধ কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন? বাংলাদেশে ছাত্র নিপীড়নঃ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন-কে হত্যা নোয়াখালীতে মিছিলকারী আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি- বিএনপি-জামাইয়াতের আওয়ামীলীগ নিধনের নীলনকশা ১৯৭০ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতিচারণ করলেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার সামনে টাইগাররা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের লোভে ৭ ব্যাংকে জিম্মি শিক্ষকদের সারাজীবনের সঞ্চয় “বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট টেলিটক ও নগদ ‘কিনতে’ চায় বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওন! অভিযুক্তের বাড়িতে উত্তেজিত জনতার আগুন, নিহত ৩ হাসপাতালে অসুস্থ শিশুর মাকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, অতঃপর… বাজেট: যেসব পণ্যের দাম কমতে পারে বাজেট: যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ