ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হুথিদের অভিযোগের তির এবার সৌদির দিকে!
মালয়েশিয়ায় বয়লার বিস্ফোরণে বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত
ঘূর্ণিঝড় ‘বাভিতে’ ফিলিপাইনে নিহত ১৮, আঘাত হেনেছে চীনে
হরমুজ প্রণালি এড়াতে যৌথ পাইপলাইন পরিকল্পনা
ভিয়েতনামে নৌকা উল্টে ১৫ ভারতীয় পর্যটকের মৃত্যু
নাম বদল, নাকি নীতি বদল: ইন্দো-প্যাসিফিকে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অবস্থান কি সত্যিই পাল্টে গেছে?
ইরান আমাকে হত্যা করলে, নজিরবিহীন ‘বোমা হামলা’ হবে: ট্রাম্প
গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি ইসরাইলের ‘ঐতিহাসিক পরাজয়’: হামাস
১৫ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা আগ্রাসনের পর গাজায় হামাসের সঙ্গে লড়াইয়ে যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি চুক্তি সই করেছে ইসরাইল। এই চুক্তিকে ইসরাইলের ‘ঐতিহাসিক পরাজয়’ বলে আখ্যায়িত করেছেন ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের শীর্ষনেতা খলিল আল-হাইয়া।
বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে টাইমস অব ইসরাইল।
এক টেলিভিশন ভাষণে আল-হাইয়া বলেছেন, গাজায় ইসরাইল তার কোনো লক্ষ্যই পূরণ করতে পারেনি। যুদ্ধবিরতি এবং বন্দি বিনিময় চুক্তি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। এটি ইসরাইলের জন্য এক বিশাল পরাজয়।
জার্মানির ডিপিএ সংবাদ সংস্থার বরাতে আল-হাইয়া বলেন, আমাদের জনগণ দখলদারদের সব প্রকাশ্য ও গোপন পরিকল্পনা ভেস্তে দিয়েছে। আজ আমরা প্রমাণ করেছি যে, আমাদের প্রতিরোধ দখলদারদের কখনো জয়ী হতে দেবে না।
আল-হাইয়া আরও বলেন,
আমাদের প্রতিরোধ আজ প্রমাণ করেছে যে, আমরা বেঁচে থাকার এবং নিজেদের অধিকার রক্ষার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। দখলদারদের কোনো ষড়যন্ত্রই আমাদের দুর্বল করতে পারবে না। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, হামাস কখনো ইসরাইলি আগ্রাসন ভুলবে না বা ক্ষমা করবে না। আমাদের প্রতিটি রক্তবিন্দুর জন্য প্রতিশোধ নেওয়া হবে। নিউইয়র্ক টাইমস অনুসারে, আল হাইয়া ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরে ইসরাইলিদের বিরুদ্ধে হামাসের আক্রমণকে সামরিক কৃতিত্ব এবং জনগণের জন্য গর্বের বিষয় হিসেবে প্রশংসা করেন। ওই হামলা গাজার যুদ্ধের সূচনা করে। আল-হাইয়ার এই বক্তব্য ইঙ্গিত দেয় যে, হামাস এখনও আপসহীন অবস্থানে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তাদের প্রতিরোধ চালিয়ে যাবে। হামাসের সিনিয়র নেতা খালিল আল-হাইয়া তার বক্তব্যে ইরান-সমর্থিত অন্যান্য মিত্র শক্তি,
লেবাননের হিজবুল্লাহ এবং ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের প্রশংসা করেন। যারা হামাসের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে ইসরাইলের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালিয়েছে। আল-হাইয়া আরও বলেন, হামাস ইসরাইল ধ্বংসের লক্ষ্যে অটল থাকবে এবং তারা জেরুজালেম ও আল-আকসা মসজিদকে তাদের পথপ্রদর্শক হিসেবে দেখে যাবে। তিনি বলেন, আমাদের শত্রুরা কখনো আমাদের দুর্বলতার মুহূর্ত দেখবে না। এই বক্তব্যে তিনি হামাসের আগ্রাসী অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন এবং ইসরাইলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেন।
আমাদের প্রতিরোধ আজ প্রমাণ করেছে যে, আমরা বেঁচে থাকার এবং নিজেদের অধিকার রক্ষার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। দখলদারদের কোনো ষড়যন্ত্রই আমাদের দুর্বল করতে পারবে না। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, হামাস কখনো ইসরাইলি আগ্রাসন ভুলবে না বা ক্ষমা করবে না। আমাদের প্রতিটি রক্তবিন্দুর জন্য প্রতিশোধ নেওয়া হবে। নিউইয়র্ক টাইমস অনুসারে, আল হাইয়া ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরে ইসরাইলিদের বিরুদ্ধে হামাসের আক্রমণকে সামরিক কৃতিত্ব এবং জনগণের জন্য গর্বের বিষয় হিসেবে প্রশংসা করেন। ওই হামলা গাজার যুদ্ধের সূচনা করে। আল-হাইয়ার এই বক্তব্য ইঙ্গিত দেয় যে, হামাস এখনও আপসহীন অবস্থানে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তাদের প্রতিরোধ চালিয়ে যাবে। হামাসের সিনিয়র নেতা খালিল আল-হাইয়া তার বক্তব্যে ইরান-সমর্থিত অন্যান্য মিত্র শক্তি,
লেবাননের হিজবুল্লাহ এবং ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের প্রশংসা করেন। যারা হামাসের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে ইসরাইলের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালিয়েছে। আল-হাইয়া আরও বলেন, হামাস ইসরাইল ধ্বংসের লক্ষ্যে অটল থাকবে এবং তারা জেরুজালেম ও আল-আকসা মসজিদকে তাদের পথপ্রদর্শক হিসেবে দেখে যাবে। তিনি বলেন, আমাদের শত্রুরা কখনো আমাদের দুর্বলতার মুহূর্ত দেখবে না। এই বক্তব্যে তিনি হামাসের আগ্রাসী অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন এবং ইসরাইলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেন।



