গাজায় গণহত্যার প্রমাণ ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করেছিল বাইডেন প্রশাসন – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১০ নভেম্বর, ২০২৫

গাজায় গণহত্যার প্রমাণ ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করেছিল বাইডেন প্রশাসন

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১০ নভেম্বর, ২০২৫ |
গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যার প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও তা ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করেছিল বাইডেন প্রশাসন। যুদ্ধাপরাধ সংঘটনের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তে উপনীত হলে মার্কিন আইন অনুসারে ইসরায়েলে অস্ত্র সরবরাহ ও গোয়েন্দা সহযোগিতা বন্ধ করতে হবে– এমন শঙ্কা থেকেই বিষয়টি গোপন করে ওয়াশিংটন। সাবেক ৫ মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ইসরায়েলে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র সরবরাহের ওপর ভিত্তি করে গত বছর বেশি কিছু গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করেন মার্কিন কর্মকর্তারা। সে সময় ইসরায়েলের সামরিক আইনজীবীরা স্বীকার করেন, গাজায় আইডিএফের যুদ্ধাপরাধের অভিযোগের পক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের সময় মার্কিন কর্মকর্তারা আরও জানতে পারেন, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর (আইডিএফ) ভেতরেই যুদ্ধ পরিচালনার বৈধতা নিয়ে সংশয় ছিল,

যা নেতানিয়াহু প্রশাসনের পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থানের সঙ্গে তীব্রভাবে সাংঘর্ষিক। গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহকারী ৫ মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে রয়টার্সের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, বাইডেন প্রশাসনের শেষ দিক পর্যন্ত সরকারের ভেতরে এসব তথ্য তেমন জানাজানি হয়নি। তবে গত বছরের ডিসেম্বরে কংগ্রেসনাল ব্রিফিংয়ে এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়। এসব তথ্য প্রকাশের পর যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদে বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা বৈঠক করেন। আলোচনায় উঠে আসে-ইসরায়েল যুদ্ধাপরাধ করছে বলে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তে উপনীত হলে মার্কিন আইন অনুসারে তেল আবিবকে অস্ত্র সরবরাহ ও গোয়েন্দা সহযোগিতা বন্ধ করতে হবে। এ অবস্থায় বিতর্ক সত্ত্বেও বাইডেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা শেষ পর্যন্ত এই সিদ্ধান্তে পৌঁছান, ইসরায়েল ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক নাগরিক বা মানবিক সহায়তাকারীদের হত্যা করছে–

এমন প্রমাণ পায়নি ওয়াশিংটন। এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর এ বিষয়ে তেমন আগ্রহ দেখাননি বলে জানান সাবেক ওই কর্মকর্তারা। রিপাবলিকান এই নেতা তেল আবিবের প্রতি আরও ঘনিষ্ঠ অবস্থান নেন বলেও জানান তাঁরা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নরওয়ে ম্যাচের আগে ব্রাজিলের বড় ধাক্কা: ইনজুরিতে পাকেতা গভীর রাতে নারীসহ আপত্তিকর অবস্থায় আটক যুবদল সভাপতিকে উত্তম-মধ্যম, দল থেকেও বহিষ্কার মার্কিন চুক্তি ও স্বার্থরক্ষায় সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস: আন্তর্জাতিক বাজার দরের চেয়ে উচ্চমূল্যে গম আমদানির অনুমোদন জুনে সারাদেশে ৩৩৩ নারী-কন্যাশিশু নির্যাতিত: শীর্ষে ধর্ষণ ও ধর্ষণ-সংশ্লিষ্ট সহিংসতা সম্পত্তির বিরোধ থেকে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব, উচিৎ শিক্ষা দিতে সবার নামে জুলাই মামলা: আছেন ভূমিমন্ত্রী জাবেদসহ আওয়ামী নেতারাও বিধবা নারীর টাকা নিয়ে উধাও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী সমন্বয়ক বাঁধন “আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা আমি সমর্থন করি না”, সাক্ষাৎকারে এম সাখাওয়াত হোসেন শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বিএনপির হজম করা কঠিন হবে, অকল্পনীয় অনেক ব্যাপার ঘটতে পারে: সাবির মুস্তাফা দরিদ্র ছাত্রের বরাদ্দ সাইকেল নাতনিকে, ধরা পড়ে ফেরত জামায়াত নেতার: ছাগল-ফুটবল-সেলাই মেশিনও লোপাট মবসন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিতে হাসনাতই সেরা: অনুসন্ধানে উঠে এলো মুখোশের আড়ালের চিত্র এই সংসদ একটি পরাশক্তির মধ্যস্থতায় গড়ে ওঠা আন্ডারস্ট্যান্ডিংয়ের সংসদ: জমিয়ত নেতা ইউসুফী বান্দরবানে কেএনএফ ক্যাম্পে সেনা-জেএসএস যৌথ হামলা, রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ৪ সেনা নিহতের দাবি সাংবাদিক এনায়েত শাওনকে হুমকি, নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্টের গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা হাজারীবাগে বাথরুমের সিলিংয়ে থানা লুটের শটগান: ভাড়াটিয়াদের বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছে পুলিশ পোশাক খাতে বেড়েই চলেছে সংকট: আরও এক কারখানা বন্ধ, ঈদের পরে লাখো শ্রমিক ছাঁটাই চবিতে মধ্যরাতে ছাত্রদল ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছাত্রদের মারামারিতে প্রক্টর লাঞ্ছিত, সাংবাদিক হেনস্তা চট্টগ্রামে প্রকাশ্য দিবালোকে পিঠে গুলি করে যুবককে হত্যা, ধোঁয়াশায় পুলিশ “জুলাই আন্দোলন আমার জীবনের সবচেয়ে বাজে সিদ্ধান্ত!”—সমন্বয়কের তীব্র অনুশোচনা ১ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় পটিয়ায় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম জুনে ৮ মাসের সর্বনিম্ন রেমিট্যান্স, অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ১৭.৩ শতাংশ