ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নেত্রকোণায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে জুলাই স্তম্ভে আগুন, ভিডিও বিশ্লেষণ করছে পুলিশ
নোয়াখালীতে শিশুসহ নির্বিচারে গ্রেপ্তার: জাতিসংঘে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর জরুরি নোটিশ
দলীয় পদ নেই, মামলাও নেই; শুধু আওয়ামী লীগ করার অভিযোগে যশোরে কলেজ অধ্যক্ষ গ্রেপ্তার
কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার জেরে আসামির বাড়িতে আগুন, নিহত ৩ জনই প্রতিবেশী
কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী
কক্সবাজারে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, প্রবাসীর স্ত্রী-কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
পাবনায় সর্বহারা পার্টির নেতাকে গুলি করে হত্যা
খাবারের অভাবে স্ত্রী-সন্তানকে হত্যার পর আত্মহত্যা
রাজশাহীর পবা উপজেলায় স্ত্রী-সন্তানকে হত্যার পর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন স্বামী। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহতরা হলেন- মিনারুল ইসলাম (৩০), তার স্ত্রী সাধিনা বেগম (২৮), ছেলে মাহিম (১৩), মেয়ে মিথিলা (১৮ মাস)। মাহিম খড়খড়ি উচ্চ বিদয়ালয়ের অষ্টম শ্রেণিতে পড়াশোনা করেত।
আজ শুক্রবার (১৫ আগস্ট) সকালে উপজেলার ৯ নং পারিলা ইউনিয়নের ৭ নাম্বার ওয়ার্ড বামনশিকড় উত্তরপাড়া গ্রামে নিজ বাড়ী থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন— মনিরুল, স্ত্রী মনিরা এবং তাদের দুই সন্তান মিথিলা এবং মাহিম।
নিহতদের পাশে একটি চিরকুটে লিখা আছে ‘ঋণের দায়ে এবং খাবারের অভাবে এ কাজ করতে বাধ্য হয়েছে।’
এ বিষয়ে ওসি আব্দুল মালেক বলেন, ‘ঘটনাস্থলে ইতোমধ্যে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
আমি নিজেও সেখানে রওনা হয়েছি। এখন বিস্তারিত কিছু বলতে পারছি না।’ তিনি আরও বলেন, ধারণা করা হচ্ছে— মনিরুল তার স্ত্রী ও সন্তানদের শ্বাসরোধে হত্যার পর নিজে আত্মহত্যা করেছেন। লাশ উদ্ধারের পর রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হবে। আবদুল মালেক নামে একজন বলেন, মনিরুল ইসলাম কৃষি কাজ করেন। জানা মতে তার ঋণ রয়েছে। তারা মাটির ঘরে বসবাস করেন। পরিবারে চারজন সদস্যই মারা গেছে। এরমধ্যে উত্তরের ঘরে মা ও মেয়ে, আর দক্ষিণের ঘরে ছেলে ও বাবা মিনারুল ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল।
আমি নিজেও সেখানে রওনা হয়েছি। এখন বিস্তারিত কিছু বলতে পারছি না।’ তিনি আরও বলেন, ধারণা করা হচ্ছে— মনিরুল তার স্ত্রী ও সন্তানদের শ্বাসরোধে হত্যার পর নিজে আত্মহত্যা করেছেন। লাশ উদ্ধারের পর রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হবে। আবদুল মালেক নামে একজন বলেন, মনিরুল ইসলাম কৃষি কাজ করেন। জানা মতে তার ঋণ রয়েছে। তারা মাটির ঘরে বসবাস করেন। পরিবারে চারজন সদস্যই মারা গেছে। এরমধ্যে উত্তরের ঘরে মা ও মেয়ে, আর দক্ষিণের ঘরে ছেলে ও বাবা মিনারুল ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল।



