ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
উত্তরখানের নিখোঁজ শিক্ষার্থী মাহিরের অর্ধগলিত লাশ হবিগঞ্জের মাধবপুর থেকে উদ্ধার
ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসার অধ্যক্ষ কর্তৃক ধর্ষিত নুসরাত জাহান রাফির কথা মনে আছে?
চট্টগ্রামে রেস্তোরাঁ থেকে ছাত্রলীগ-যুবলীগের ১৪ কর্মী গ্রেপ্তার, ‘পুলিশের বস্তাপচা নাটকের স্ক্রিপ্ট’ বদলের দাবি
নগ্ন ভিডিও করে চাঁদা দাবি, পুলিশের ফাঁদে যুবক
প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায়ে তনু হত্যা মামলার জট খুলছে
অভিনব কায়দায় চোরের চাঁদা দাবি!
নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর জলাশয়ে মিলল রোহিঙ্গা গৃহবধূর নিথর দেহ
খাবারের অভাবে স্ত্রী-সন্তানকে হত্যার পর আত্মহত্যা
রাজশাহীর পবা উপজেলায় স্ত্রী-সন্তানকে হত্যার পর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন স্বামী। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহতরা হলেন- মিনারুল ইসলাম (৩০), তার স্ত্রী সাধিনা বেগম (২৮), ছেলে মাহিম (১৩), মেয়ে মিথিলা (১৮ মাস)। মাহিম খড়খড়ি উচ্চ বিদয়ালয়ের অষ্টম শ্রেণিতে পড়াশোনা করেত।
আজ শুক্রবার (১৫ আগস্ট) সকালে উপজেলার ৯ নং পারিলা ইউনিয়নের ৭ নাম্বার ওয়ার্ড বামনশিকড় উত্তরপাড়া গ্রামে নিজ বাড়ী থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন— মনিরুল, স্ত্রী মনিরা এবং তাদের দুই সন্তান মিথিলা এবং মাহিম।
নিহতদের পাশে একটি চিরকুটে লিখা আছে ‘ঋণের দায়ে এবং খাবারের অভাবে এ কাজ করতে বাধ্য হয়েছে।’
এ বিষয়ে ওসি আব্দুল মালেক বলেন, ‘ঘটনাস্থলে ইতোমধ্যে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
আমি নিজেও সেখানে রওনা হয়েছি। এখন বিস্তারিত কিছু বলতে পারছি না।’ তিনি আরও বলেন, ধারণা করা হচ্ছে— মনিরুল তার স্ত্রী ও সন্তানদের শ্বাসরোধে হত্যার পর নিজে আত্মহত্যা করেছেন। লাশ উদ্ধারের পর রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হবে। আবদুল মালেক নামে একজন বলেন, মনিরুল ইসলাম কৃষি কাজ করেন। জানা মতে তার ঋণ রয়েছে। তারা মাটির ঘরে বসবাস করেন। পরিবারে চারজন সদস্যই মারা গেছে। এরমধ্যে উত্তরের ঘরে মা ও মেয়ে, আর দক্ষিণের ঘরে ছেলে ও বাবা মিনারুল ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল।
আমি নিজেও সেখানে রওনা হয়েছি। এখন বিস্তারিত কিছু বলতে পারছি না।’ তিনি আরও বলেন, ধারণা করা হচ্ছে— মনিরুল তার স্ত্রী ও সন্তানদের শ্বাসরোধে হত্যার পর নিজে আত্মহত্যা করেছেন। লাশ উদ্ধারের পর রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হবে। আবদুল মালেক নামে একজন বলেন, মনিরুল ইসলাম কৃষি কাজ করেন। জানা মতে তার ঋণ রয়েছে। তারা মাটির ঘরে বসবাস করেন। পরিবারে চারজন সদস্যই মারা গেছে। এরমধ্যে উত্তরের ঘরে মা ও মেয়ে, আর দক্ষিণের ঘরে ছেলে ও বাবা মিনারুল ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল।



