ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
*নির্বাচনী চাপে দায়িত্ব পালনের ফলে চিকিৎসার সুযোগ না পেয়ে মৃত্যু: ইউএনও ফেরদৌস আরার মৃত্যু ঘিরে গুরুতর প্রশ্ন
চবি ল্যাবরেটরি কলেজে উপেক্ষিত যোগ্যতা, প্রশ্নের মুখে নিয়োগ বোর্ড লবিংয়ের কাছে হার মানল যোগ্যতা চবি ল্যাবরেটরি কলেজে নিয়োগবঞ্চিত উচ্চশিক্ষিত প্রার্থী
আত্মশুদ্ধি, মানবপ্রেম ও ঐতিহ্যের মহামিলন
রাজধানীতে আজ কোথায় কী
বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বিতর্কিত নিয়োগ নয়জন জুলাই সন্ত্রাসীকে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ
কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই, ৫ পুলিশ হাসপাতালে
খাবারের অভাবে স্ত্রী-সন্তানকে হত্যার পর আত্মহত্যা
রাজশাহীর পবা উপজেলায় স্ত্রী-সন্তানকে হত্যার পর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন স্বামী। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহতরা হলেন- মিনারুল ইসলাম (৩০), তার স্ত্রী সাধিনা বেগম (২৮), ছেলে মাহিম (১৩), মেয়ে মিথিলা (১৮ মাস)। মাহিম খড়খড়ি উচ্চ বিদয়ালয়ের অষ্টম শ্রেণিতে পড়াশোনা করেত।
আজ শুক্রবার (১৫ আগস্ট) সকালে উপজেলার ৯ নং পারিলা ইউনিয়নের ৭ নাম্বার ওয়ার্ড বামনশিকড় উত্তরপাড়া গ্রামে নিজ বাড়ী থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন— মনিরুল, স্ত্রী মনিরা এবং তাদের দুই সন্তান মিথিলা এবং মাহিম।
নিহতদের পাশে একটি চিরকুটে লিখা আছে ‘ঋণের দায়ে এবং খাবারের অভাবে এ কাজ করতে বাধ্য হয়েছে।’
এ বিষয়ে ওসি আব্দুল মালেক বলেন, ‘ঘটনাস্থলে ইতোমধ্যে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
আমি নিজেও সেখানে রওনা হয়েছি। এখন বিস্তারিত কিছু বলতে পারছি না।’ তিনি আরও বলেন, ধারণা করা হচ্ছে— মনিরুল তার স্ত্রী ও সন্তানদের শ্বাসরোধে হত্যার পর নিজে আত্মহত্যা করেছেন। লাশ উদ্ধারের পর রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হবে। আবদুল মালেক নামে একজন বলেন, মনিরুল ইসলাম কৃষি কাজ করেন। জানা মতে তার ঋণ রয়েছে। তারা মাটির ঘরে বসবাস করেন। পরিবারে চারজন সদস্যই মারা গেছে। এরমধ্যে উত্তরের ঘরে মা ও মেয়ে, আর দক্ষিণের ঘরে ছেলে ও বাবা মিনারুল ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল।
আমি নিজেও সেখানে রওনা হয়েছি। এখন বিস্তারিত কিছু বলতে পারছি না।’ তিনি আরও বলেন, ধারণা করা হচ্ছে— মনিরুল তার স্ত্রী ও সন্তানদের শ্বাসরোধে হত্যার পর নিজে আত্মহত্যা করেছেন। লাশ উদ্ধারের পর রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হবে। আবদুল মালেক নামে একজন বলেন, মনিরুল ইসলাম কৃষি কাজ করেন। জানা মতে তার ঋণ রয়েছে। তারা মাটির ঘরে বসবাস করেন। পরিবারে চারজন সদস্যই মারা গেছে। এরমধ্যে উত্তরের ঘরে মা ও মেয়ে, আর দক্ষিণের ঘরে ছেলে ও বাবা মিনারুল ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল।



