‘ক্যাডেট কলেজে ছাত্রলীগের কমিটি’: তোফায়েল আহমেদকে নিয়ে জামায়াত-শিবিরের মিথ্যাচারের নেপথ্যে – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৪ জুন, ২০২৬

‘ক্যাডেট কলেজে ছাত্রলীগের কমিটি’: তোফায়েল আহমেদকে নিয়ে জামায়াত-শিবিরের মিথ্যাচারের নেপথ্যে

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৪ জুন, ২০২৬ |
তোফায়েল আহমেদকে নিয়ে ক্যাডেট কলেজ ও ক্যাডেট কমিউনিটিতে একটা রসালো মিথ্যা গল্প আছে। আমি যাওয়ার পরে আমাকেও এটা গেলানো হয়েছিলো। ঘটনা এরকম, তোফায়েল আহমেদ নাকি ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজে গিয়েছিলেন ছাত্রলীগের কমিটি দিতে। তারপর নাকি কমিটি দিতে পারেননি, তাই তিনি ক্যাডেট কলেজ বন্ধ করতে চেয়েছিলেন। পরে সেটা নাকি এম এ জি ওসমানী হয়ে বঙ্গবন্ধুর কানে যায় এবং পরে ক্যাডেট কলেজ রক্ষা পায়। নতুন সংকলনে দল ভারী করতে দেখলাম জিয়াউর রহমানকেও সেই গল্পে এড করা হয়েছে। এটা পুরোটা একটা ডাহা মিথ্যা কথা। ১৯৭২-এ বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রতাবর্তনের পর তোফায়েল আহমেদ ছিলেন তাঁর রাজনৈতিক সচিব ও সংসদ সদস্য। তিনি পাকিস্তানের ৭০-এর নির্বাচনেই সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। একজন

সরকার প্রধানের রাজনৈতিক সচিব গেছেন একটা কলেজে ছাত্রলীগের কমিটি দিতে! এটা কি বিশ্বাস হয়? মানে, তার কোনো আর কাজ নাই! আর যারা ছাত্র সংগঠনের কমিটি কীভাবে দেয় এটা সামান্য হলেও ধারণা রাখেন, তাদের কাছে এটা একটা মশকরা ছাড়া আর কিছুই না। দ্বিতীয়ত, তোফায়েল আহমেদের বড় ভাইয়ের ছেলে- (যাকে তিনি তার বাবার মৃত্যুর পর দত্তক নেন নিজ সন্তান হিসেবে) তিনি নিজে ৮০’র দশকে ক্যাডেট কলেজে পড়েছেন। মানে, তিনি যদি ক্যাডেট কলেজ নিয়ে ঘৃণাই পোষণ করতেন, তাহলে কি নিজ সন্তানকে ক্যাডেট বানাতেন? একদম টিপিক্যাল ওয়েতেই এই মিথ্যা শিবিরের গান্ডুরা ছড়াচ্ছে। মানে, ওই যে অমুক ব্যাচের তমুক ভাইয়ের সমুক লেখায় পাইছি। সেই ভাই কে? কেন

লিখেছে? কোথায় লিখছে? আদৌ এই নামে কেউ এক্সিস্ট করে কি না- এসবের কোনো বালাই নেই। রসিয়ে রসিয়ে লেখে কোনো রেফারেন্স ছাড়া। আসল ঘটনা বলি, ক্যাডেট কলেজ মেইন্টেইন করা একটা দেশের জন্য একটা বিপুল খরচের ব্যাপার। এটা তখনকার যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থার তুলনায় অত্যন্ত ভারী ছিলো। তাই তখনকার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিবদের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় যে, ক্যাডেটদের খরচ তাদের অভিভাবকরাই বহন করবে। সিদ্ধান্ত আসার সাথে সাথে এটা পত্রিকায় আসে এবং তখনকার অভিভাবক ও ক্যাডেটরা আপত্তি জানিয়ে একটা চিঠি লেখে এম এ জি ওসমানী বরাবর। তিনি ব্যাপারটা বঙ্গবন্ধুকে জানান। বঙ্গবন্ধু তোফায়েল আহমেদকে ডেকে বিষয়টি দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমাধান করতে বলেন। তিনি বেসরকারি খাত থেকে কিছু

অংশ ভর্তুকি দেওয়ার জন্য অর্থমন্ত্রণালয়ের সাথে আলাপ করে সমাধান করে দেন। এটাই ছিল প্রকৃত ঘটনা। দুঃখিত এটা সত্য ইতিহাস তো, তাই এগুলোতে রস কম।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
বাজেট: যেসব পণ্যের দাম কমতে পারে বাজেট: যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ ট্রাম্পের মুখে ইরানের সঙ্গে চুক্তির আভাস, কমল তেলের দাম ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির আভাস মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ বিনা খরচে ফুটবল বিশ্বকাপ সম্প্রচার করবে বিটিভি ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করতে সহায়তা করে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বদলে গেল মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সমীকরণ, কীভাবে? কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার জেরে আসামিদের বাড়িতে আগুন, নিহত ৩ শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা তিন ফিফটিতে তিনশ ছুঁইছুঁই সংগ্রহ বাংলাদেশের কক্সবাজারে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, প্রবাসীর স্ত্রী-কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ আ.লীগের লিফলেট তৈরি, সাবেক মহিলা ইউপি সদস্যসহ গ্রেফতার ২ পাবনায় সর্বহারা পার্টির নেতাকে গুলি করে হত্যা মধ্যরাতে পরকীয়ার সময় বিএনপি নেতা হাতেনাতে ধরা, অতঃপর… ‘রাজনীতির রিখটার স্কেলে ৮-৯ মাত্রার ভূমিকম্প হবে’— সাদ্দাম হোসেন সব দোষ একজনের ওপর চাপিয়ে দায় এড়ানো যাবে না: ওবায়দুল কাদেরের উদ্দেশে নঈম নিজাম