কূটনৈতিক অবরোধের পথে বাংলাদেশ, বিশ্বাস হারাচ্ছে বিশ্ব, বিপদে পড়ছে বাংলাদেশ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬

কূটনৈতিক অবরোধের পথে বাংলাদেশ, বিশ্বাস হারাচ্ছে বিশ্ব, বিপদে পড়ছে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ |
বাংলাদেশ থেকে ভারতের কূটনৈতিক মিশনের সদস্যদের পরিবারকে দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত কোনো রুটিন প্রশাসনিক বিষয় নয়। এটি একটি নীরব কিন্তু গভীরভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বাস্তবতা নিয়ে আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক মহলের আস্থা বিপজ্জনকভাবে ক্ষয়ে গেছে। কূটনীতির ভাষায়, যখন কোনো রাষ্ট্র তার কূটনীতিকদের পরিবার প্রত্যাহার করে নেয়, তখন সেটি সম্ভাব্য ঝুঁকির সর্বোচ্চ সতর্কসংকেত। প্রশ্ন হচ্ছে বাংলাদেশ এমন কোন পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে, যেখানে প্রতিবেশী রাষ্ট্রকেও এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে? ২০২৪–পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতায় যারা নিজেদের বিজয়ী ভাবছে, তারা আদতে দেশকে কোন দিক নিয়ে যাচ্ছে এই প্রশ্ন এখন আর শুধু অভ্যন্তরীণ বিতর্কে সীমাবদ্ধ নয়। উগ্রবাদী রাজনীতির সঙ্গে আপস, সহিংস ও বিভাজনমূলক ভাষ্যকে

প্রশ্রয়, এবং রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে আদর্শিক অন্ধত্ব এই সব মিলিয়েই বাংলাদেশকে ধীরে ধীরে একটি ঝুঁকিপূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে আন্তর্জাতিক মানচিত্রে চিহ্নিত করছে। যে অগ্রগতির গল্প শোনানো হচ্ছে, বাস্তবে তার উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে কূটনীতির দরজায়। আজ কূটনীতিকদের পরিবার প্রত্যাহার, আগামীকাল মিশন সীমিতকরণ, তারপর দূতাবাস বন্ধ এই ধারা বিশ্ব রাজনীতিতে বহুবার দেখা গেছে। ইতিহাস জানে, এর শেষ কোথায় গিয়ে ঠেকে। বর্তমান নেতৃত্বের অধীনে বাংলাদেশকে বিশ্ব যেভাবে দেখছে, তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। এটি কোনো স্থিতিশীল, আস্থা-জাগানো রাষ্ট্রের ছবি নয় বরং এমন এক রাষ্ট্রের প্রতিচ্ছবি, যেখানে উগ্রতার প্রশ্নে স্পষ্ট অবস্থান অনুপস্থিত, আর সেই শূন্যস্থান দখল করছে চরমপন্থা। এর পরিণতি আর কাগজে-কলমে নেই এটি বাস্তব জীবনে আঘাত

হানছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে স্থবিরতা, বৈদেশিক লেনদেনে অনিশ্চয়তা, শ্রমবাজার সংকুচিত হওয়া, ভিসা প্রক্রিয়ায় অঘোষিত অবরোধ সব মিলিয়ে সাধারণ বাংলাদেশি নাগরিক ক্রমেই একটি অদৃশ্য কিন্তু কঠিন দেয়ালের সামনে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে। সবচেয়ে নিষ্ঠুর বাস্তবতা হলো এই বিপর্যয়ের মূল্য দেবে না উগ্র রাজনীতির সুবিধাভোগীরা। মূল্য দেবে সাধারণ মানুষ। যারা বিদেশে কাজ করতে চায়, যারা ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে চায়, যারা কেবল নিরাপদ ও স্থিতিশীল একটি দেশে বাঁচতে চায়। উগ্রবাদ সবসময়ই এই ফল চায় রাষ্ট্রকে একঘরে করা, অর্থনীতিকে দুর্বল করা, মানুষকে দারিদ্র্য ও অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেওয়া। আজ যারা এই পরিস্থিতিতে উল্লাস করছে, কাল তারাই হবে এই আগুনের প্রথম শিকার। রাষ্ট্র যদি এখনও এই পথ থেকে সরে না আসে,

তবে আন্তর্জাতিক অবিশ্বাস আরও গভীর হবে। আর সেই অবিশ্বাসের ভার বইতে হবে পুরো জাতিকে যার দায় কোনোভাবেই সাধারণ মানুষের নয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
মাঝে মাঝে এমনটা হতেই পারে— হারের পর মিরাজ হরমুজ প্রণালি খোলার ঘোষণায় কমল তেলের দাম হামের প্রকোপ কমাতে দেশব্যাপী সরকারের টিকাদানের পদক্ষেপ ১০ দিন হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত থাকবে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের কাছে থাকা সব ইউরেনিয়াম পাবে যুক্তরাষ্ট্র, দাবি ট্রাম্পের ‘জনপ্রিয়তায়’ আতিফ আসলামকেও ছাড়িয়ে যাওয়া কে এই তালহা আনজুম রাশেদ প্রধান লিমিট ক্রস করে বক্তব্য দিচ্ছে: রাশেদ খাঁন ‘শেখ হাসিনাকে ফেরতের বিষয়টি বিবেচনা করছে ভারত’ পঁচিশে সমুদ্রপথে ৯০০ রোহিঙ্গার প্রাণহানি প্রবাসীদের মাতাতে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রীতম-জেফার-পূজা-তমা 17 April: Mujibnagar Day — A Defining Moment in Bangladesh’s Liberation Struggle ১৭ই এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। বাঙালি জাতির স্বাধীনতা অর্জনের এক স্মৃতি বিজড়িত দিন জাতীয় দলের অধিনায়কদের জন্য বিসিবির প্রিভিলেজ কার্ড আওয়ামী লীগ নেতাদের মুক্তিতে প্রথম আলোর জোরালো অবস্থান দিনে ৭-১০ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং, শহরের চেয়ে গ্রামে সংকট তীব্রতর ১৭ এপ্রিল-বাংলাদেশের নূতন সূর্যোদয় বরিশাল নগরের প্রাণকেন্দ্রে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তাকে জুলাই-আগস্টে ঢাকায় হত্যাকাণ্ড বাড়ানোর নির্দেশ দেয় কে? জামায়াত জোট জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধানের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ; পিএস জনি আটক সশস্ত্র হামলায় ইউপিডিএফ নেতা ধর্মসিং চাকমা নিহত, ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ ২ বোন