ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইতিহাস গড়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের সিরিজ জয়
কিউইদের বিপক্ষে হৃদয়-শামীমের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের জয়
পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪৪, ফিরলেন সাইফ
বিশ্বকাপ মিসের পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নতুন শুরুর লক্ষ্য লিটনের
বিশ্বকাপে না খেলা নিয়ে মুখ খুললেন লিটন
অসামান্য প্রতিভা দিয়ে বিশ্বকাপ মাতাতে পারেন ফ্রান্সের অলিসে
নাহিদ ও মোস্তাফিজকে এবার আর পিএসএলে যেতে দেবে না বিসিবি
কত ছিল ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর জীবনের প্রথম ইনকাম, কীভাবে?
কত ছিল জীবনের প্রথম আয়? গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন প্রশ্নের জবাবে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘প্রথম ইনকাম ছিল, ক্ষ্যাপ (ফুটবলারদের ভাষায়) থেকে। বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে আমরা খেলি। আমার বয়স যখন ১২ বছর, এটা সেই ১৯৯২ সালের কথা বলছি। তখন আমার এলাকার গ্রামে একটি টুর্নামেন্ট হয়েছিল। সেখানে গিয়ে পাঁচটি ম্যাচ খেলেছিলাম। শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলাম। ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর আমার হাতে দেড়’শ টাকা দিয়েছিল। সেই টাকা এনে আমি আমার আম্মুর হাতে দিয়েছিলাম। আম্মু অনেক বেশি খুশি হয়েছিলেন।’
নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি আমিনুলের ফুটবলার হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু। এরপর ধীরে ধীরে তিনি হয়ে উঠেন দেশের ইতিহাসের সর্বকালের সেরা গোলকিপার। বাংলাদেশ জাতীয় দলের জার্সি
গায়ে ১৯৯৮ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত ৪৭টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন আমিনুল হক। ছিলেন ২০০৩ সালে বাংলাদেশের প্রথম সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের নায়ক। এছাড়াও, ২০১০ সালের সাউথ এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-২৩ দলের হয়ে স্বর্ণপদক জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। ক্লাব ক্যারিয়ারেও ছিলেন বেশ উজ্জ্বল। ফরাশগঞ্জ, আবাহনী, মোহামেডান, শেখ জামাল, মুক্তিযোদ্ধাসহ দেশের সকল শীর্ষ ক্লাবে দীর্ঘদিন সুনামে সাথে খেলেছেন। ছিলেন ঘরোয়া ফুটবলের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত ফুটবলার। ফুটবল ক্যারিয়ার শেষে ২০১৩ সালে রাজনীতিতে সক্রিয় হন আমিনুল। মাঠে যেমন নেতৃত্ব দিয়েছেন, রাজনীতিতেও হয়ে উঠেন সংগ্রামী সংগঠক। জেল-জুলুমকে উপেক্ষা করে চলতে থাকে তার রাজনীতি। এবার ঢাকা-১৬ আসন থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা
করেছিলেন আমিনুল। কিন্তু তিনি জয়ী হতে পারেননি। তবে টেকনোক্রেট কোটায় ঠিকই মন্ত্রীত্ব পেয়ে গেছেন আমিনুল। স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে সাবেক তারকা ফুটবলারদের মধ্যে মেজর হাফিজ প্রথম মন্ত্রীত্ব পেয়েছিলেন। এরপর সাবেক জাতীয় ফুটবলার আরিফ খান জয় ক্রীড়া উপমন্ত্রী হয়েছিলেন। এবার হলেন আমিনুল।
গায়ে ১৯৯৮ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত ৪৭টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন আমিনুল হক। ছিলেন ২০০৩ সালে বাংলাদেশের প্রথম সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের নায়ক। এছাড়াও, ২০১০ সালের সাউথ এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-২৩ দলের হয়ে স্বর্ণপদক জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। ক্লাব ক্যারিয়ারেও ছিলেন বেশ উজ্জ্বল। ফরাশগঞ্জ, আবাহনী, মোহামেডান, শেখ জামাল, মুক্তিযোদ্ধাসহ দেশের সকল শীর্ষ ক্লাবে দীর্ঘদিন সুনামে সাথে খেলেছেন। ছিলেন ঘরোয়া ফুটবলের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত ফুটবলার। ফুটবল ক্যারিয়ার শেষে ২০১৩ সালে রাজনীতিতে সক্রিয় হন আমিনুল। মাঠে যেমন নেতৃত্ব দিয়েছেন, রাজনীতিতেও হয়ে উঠেন সংগ্রামী সংগঠক। জেল-জুলুমকে উপেক্ষা করে চলতে থাকে তার রাজনীতি। এবার ঢাকা-১৬ আসন থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা
করেছিলেন আমিনুল। কিন্তু তিনি জয়ী হতে পারেননি। তবে টেকনোক্রেট কোটায় ঠিকই মন্ত্রীত্ব পেয়ে গেছেন আমিনুল। স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে সাবেক তারকা ফুটবলারদের মধ্যে মেজর হাফিজ প্রথম মন্ত্রীত্ব পেয়েছিলেন। এরপর সাবেক জাতীয় ফুটবলার আরিফ খান জয় ক্রীড়া উপমন্ত্রী হয়েছিলেন। এবার হলেন আমিনুল।



