ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নিউইয়র্কে ৪০তম ফোবানা কনভেনশন উপলক্ষে মিট দ্যা প্রেস অনুষ্ঠিত
বৈশ্বিক দাসত্ব ও শোষণ নির্মূলে জোরালো আহ্বান জানালো বাংলাদেশ
সন্দেহভাজন ২ তরুণের পরিকল্পনা নিয়ে আরও যা জানা গেল
নিউ জার্সিতে গ্যাস লাইনে বিস্ফোরণ, দুই কিশোরসহ আহত ৩
সাবওয়ে স্টেশন থেকে ১জনের মরদেহ উদ্ধার, হামলার শঙ্কা
উত্তাল মার্চের স্মৃতিতে শিব্বীর আহমেদের পাঁচটি দেশাত্মবোধক গান
জামায়াতের নির্বাচনী আইকন নিউইয়র্ক মেয়র মামদানির অফিসে এলজিবিটি দপ্তর: বিতর্ক চরমে
এপস্টিন তদন্ত: ক্লিনটন দম্পতির সাক্ষ্যের ভিডিও প্রকাশ
বিল ক্লিনটনের সাক্ষ্যের ভিডিওর দৈর্ঘ্য ৪ ঘণ্টা ৩৩ মিনিট এবং হিলারি ক্লিনটনের ভিডিও ৪ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট।
কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টিন তদন্ত সম্পর্কিত সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনের জবানবন্দির ভিডিও প্রকাশ করেছে হাউস ওভারসাইট কমিটি।
কমিটির তথ্য অনুযায়ী, হিলারি ক্লিনটন গত বৃহস্পতিবার সাক্ষ্য দেন ও বিল ক্লিনটন এক দিন পর উপস্থিত হন।
বিল ক্লিনটনের সাক্ষ্যের ভিডিওর দৈর্ঘ্য ৪ ঘণ্টা ৩৩ মিনিট এবং হিলারি ক্লিনটনের ভিডিও ৪ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট।
কেন্টাকির রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্য ও কমিটির চেয়ারম্যান জেমস কমার জানান, এপস্টিন ও তার সহযোগী ঘিসলেন ম্যাক্সওয়েল সম্পর্কে ক্লিনটন দম্পতির জ্ঞানের বিষয়ে সাক্ষ্য নিশ্চিত করতে এটি ছিল দীর্ঘ প্রচেষ্টার ফল। ম্যাক্সওয়েল
বর্তমানে যৌন পাচারের অভিযোগে কারাগারে রয়েছেন। ক্লিনটন দম্পতি বরাবরই বলে আসছেন যে তারা এপস্টেইন বা ম্যাক্সওয়েলের অপরাধ সম্পর্কে কিছু জানতেন না। সাক্ষ্য দেওয়ার আগে দুজনই তাদের লিখিত উদ্বোধনী বক্তব্য প্রকাশ করেন। হিলারি ক্লিনটন তার বক্তব্যে অভিযোগ করেন, কমিটি ভুক্তভোগীদের জন্য সত্য ও ন্যায়বিচার অনুসন্ধানের পরিবর্তে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই তাকে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করেছে। তিনি বলেন, তার কাছে এমন কোনো তথ্য নেই যা তদন্তে সহায়ক হতে পারে বরং এটি প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের কর্মকাণ্ড থেকে দৃষ্টি সরানোর প্রচেষ্টা। অন্যদিকে বিল ক্লিনটন বলেন, তিনি এপস্টেইনের অপরাধ সম্পর্কে কোনো ধারণাই রাখতেন না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘আমি জানি আমি কী দেখেছি এবং কী দেখিনি। আমি কিছুই দেখিনি এবং কোনো ভুল
করিনি।’ তবে এখন পর্যন্ত জবানবন্দির লিখিত প্রতিলিপি প্রকাশ করা হয়নি।
বর্তমানে যৌন পাচারের অভিযোগে কারাগারে রয়েছেন। ক্লিনটন দম্পতি বরাবরই বলে আসছেন যে তারা এপস্টেইন বা ম্যাক্সওয়েলের অপরাধ সম্পর্কে কিছু জানতেন না। সাক্ষ্য দেওয়ার আগে দুজনই তাদের লিখিত উদ্বোধনী বক্তব্য প্রকাশ করেন। হিলারি ক্লিনটন তার বক্তব্যে অভিযোগ করেন, কমিটি ভুক্তভোগীদের জন্য সত্য ও ন্যায়বিচার অনুসন্ধানের পরিবর্তে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই তাকে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করেছে। তিনি বলেন, তার কাছে এমন কোনো তথ্য নেই যা তদন্তে সহায়ক হতে পারে বরং এটি প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের কর্মকাণ্ড থেকে দৃষ্টি সরানোর প্রচেষ্টা। অন্যদিকে বিল ক্লিনটন বলেন, তিনি এপস্টেইনের অপরাধ সম্পর্কে কোনো ধারণাই রাখতেন না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘আমি জানি আমি কী দেখেছি এবং কী দেখিনি। আমি কিছুই দেখিনি এবং কোনো ভুল
করিনি।’ তবে এখন পর্যন্ত জবানবন্দির লিখিত প্রতিলিপি প্রকাশ করা হয়নি।



