‘উদ্দীপনের’ নুরুলকে অপসারণ ও মিহির-নজরুলের বিচার দাবি – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৪ এপ্রিল, ২০২৫

‘উদ্দীপনের’ নুরুলকে অপসারণ ও মিহির-নজরুলের বিচার দাবি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৪ এপ্রিল, ২০২৫ |
বেসরকারি আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা ‘উদ্দীপন’-এর প্রশাসক এএইচএম নুরুল ইসলামের অপসারণ এবং কুখ্যাত দুর্নীতিবাজ মিহির কান্তি মজুমদার ও নজরুল ইসলাম খানের বিচারের দাবি জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী কর্মচারী ঐক্য ফোরাম। বুধবার এক বিবৃতিতে এ দাবি জানায় সংগঠনটি। বিবৃতিতে বলা হয়, “ঢাকা মহানগর এলাকার আদাবর থানাধীন বেসরকারী সংস্থা ‘উদ্দীপন’ বাংলাদেশের একটি বিশাল আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা। সংস্থাটির আর্থিক লেনদেন কয়েক হাজার কোটি টাকা। কিন্তু সংস্থার সাবেক কর্নধার ফ্যাসিস্ট হাসিনার সাবেক একান্ত সচিব নজরুল ইসলাম খান এবং মিহির কান্তি মজুমদার দুর্নীতিবাজ-দলবাজ-অর্থপাচারকারী ব্যক্তিরা নানা কায়দায় দেশের সাধারণ লোকদের উন্নয়ন না করে ব্যক্তিস্বার্থে দুর্নীতির মাধ্যমে সংস্থার কয়েক হাজার কোটি টাকা লুটপাট ও পাচার করেছেন। ‘উদ্দীপনের’ বিভিন্ন সম্পদ আত্মসাৎ করেছেন।” বিবৃতিতে

বলা হয়, “গত বছরের ৫ আগস্ট রাষ্ট্র ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকার বিভিন্ন বিতর্কিত কার্মকাণ্ড ও অপকর্মের জন্য চাকরিচ্যুত এএইচএম নুরুল ইসলামকে (সাবেক অতিরিক্ত সচিব) ‘উদ্দীপনের’ প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। তার নিয়োগের অন্যতম শর্ত ছিল সাবেক চেয়ারম্যান মিহির কান্তি মজুমদার, নজরুল ইসলাম খানদের দুর্নীতি-আত্মসাৎ-লুটপাট ইত্যাদির উদঘাটন পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা। কিন্তু দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও নুরুল ইসলামের দৃশ্যমান কোনো কার্যক্রম পরিলক্ষিত হয়নি, বরং জনমনে প্রশ্ন জন্মেছে নুরুল ইসলাম, মিহির কান্তি মজুমদার ও বনজ কান্তিদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সব অপকর্ম ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২১ এপ্রিল দুপুর ১২টার দিকে বৈষম্যবিরোধী কর্মচারী ঐক্য ফোরামের নেতারা (কয়েকজন সাবেক

সচিব) অন্যান্য কয়েকজন সদস্য ‘উদ্দীপন’ কার্যালয়ে যান ও প্রশাসক এএইচএম নুরুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেখানে ‘উদ্দীপনের’ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মুস্তাফিজুর রহমানও উপস্থিত ছিলেন।নুরুল ইসলাম ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মুস্তাফিজুর রহমান নিজেরাই ‘উদ্দীপনের’ পূর্ববর্তী চেয়ারম্যান মিহির কান্তি মজুমদার ও বোর্ডের অন্যান্যদের বিভিন্ন অপরাধের বর্ণনা উপস্থাপন করেন। মিহির কান্তি মজুমদার, বনজ মজুমদার ও নজরুল ইসলাম খানসহ অন্যান্য দুর্নীতিবাজ টাকা পাচারকারীদের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিতে পারেননি বলে স্বীকার করেন। কয়েক হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ-পাচার হয়েছে কিন্তু দীর্ঘদিনেও ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হওয়ায় এএইচএম নুরুল ইসলাম নিজ থেকে পদত্যাগ করবেন বলে জানান। কিন্তু ২৩ এপ্রিল সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি পদত্যাগ করেননি। স্বাভাবিক কারণেই

বিশ্বাস করা যায় তিনি নিজেও মজুমদার গংদের সঙ্গে অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছেন।” বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আমরা এএইচএম নুরুল ইসলামকে অবিলম্বে ‘উদ্দীপনের’ প্রশাসক পদ থেকে অপসারণের দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় জনগণের সম্পদ ‘উদ্দীপন’ রক্ষার স্বার্থে তার বিরুদ্ধে সর্বস্তরের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
‘কুমির কীভাবে বাংলাদেশি, ভারতীয়কে আলাদা করবে?’ ধানপচা গন্ধে ভারী হাওরের বাতাস অস্থিরতার শঙ্কার মধ্যে বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো কী করছে হজ করতে সৌদি পৌঁছেছেন ৪০ হাজার ৫৯০ বাংলাদেশি লভ্যাংশ দিতে পারেনি অর্ধেকের বেশি ব্যাংক নতুন জোটে যোগ দিতে বিদেশি সরকারদের চাপ দেবে মার্কিন দূতাবাস ইরানে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয়, আইনি জটিলতার মুখে ট্রাম্প ‘৫০০ টাকা আয় করে ১২০০ টাকা খরচে বিচার চাইতে হয়’ ইরানে ফের সামরিক হামলার সম্ভাবনা প্রবল: মার্কিন সিনেটর পুরোনো ভোজ্যতেল নতুন দামে বিক্রি অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবার বাড়াতে পারে ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি উদ্ধার হওয়া সেই লাশ বৃষ্টির, লিমনের লাশ দেশে আসবে ৪ মে এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন নিজামীপুত্র হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু প্রথম বিমানবাহী রণতরি বানাচ্ছে তুরস্ক, কী থাকছে এতে? ছিনতাইয়ের তদন্তে গিয়ে পুলিশের শর্টগান ছিনতাই ‎ যে কারণে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয় ফেসবুক থেকে কমে যাবে মোহাম্মদপুর থানার ৩ পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, যে কারণ দেখানো হলো আমরা আতঙ্কিত নই: ফক্সক্রফট বিশ্বকাপে না খেলতে পারাটা ‘দুর্ভাগ্য’: শামীম