ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঠাকুরগাঁওয়ের পাম্পগুলোয় তেল নেই, বাজারে পেট্রোল ৩৫০ টাকা!
ঈদ শেষে রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
জনগণকে ভোগান্তিমুক্ত রাখতে কাজ করছে সরকার: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী
পশ্চিমবঙ্গের আদালতে ফয়সাল করিম, হাদি হত্যা অস্বীকার
চট্টগ্রাম বন্দরে জ্বালানি খালাস অব্যাহত, ২২ দিনে এলো ২৫ জাহাজ
পর্যটকদের পদচারণায় মুখর কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত
স্বগৌরবে অপতথ্য ও বিতর্কের জবাব দিচ্ছে পদ্মা সেতু: হয়ে উঠেছে স্থানীয় জিডিপি, উন্নয়ন ও ভরসার প্রতীক
ঈদে বাড়ে সড়ক দুর্ঘটনা: বেপরোয়া গতি ও ক্লান্ত চালক বড় কারণ
দেশে সড়ক দুর্ঘটনা এখনো একটি বড় উদ্বেগের বিষয়, যা ঈদের সময় আরও প্রকট আকার ধারণ করে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২৩ সালে দেশে মোট ২ হাজার ১২১ জন সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন, যেখানে দৈনিক গড় মৃত্যু প্রায় ৬ জন। তবে ঈদুল আজহা-র আগে-পরে ছয় দিনে এই সংখ্যা বেড়ে গড়ে ১১ জনে দাঁড়ায়, এবং ওই সময়েই নিহত হন ৭০ জন।
পুলিশ সদর দপ্তরের ‘রিচার্জ, প্ল্যানিং অ্যান্ড ইনোভেশন’ বিভাগের উদ্যোগে পরিচালিত এই গবেষণাটি বাস্তবায়ন করে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়-এর সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ। এতে বলা হয়েছে, উৎসবের সময় সড়কে অতিরিক্ত চাপ দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। ঈদুল ফিতর-এর তুলনায় ঈদুল আজহা-য় দুর্ঘটনার হার
বেশি দেখা যায়। গবেষণায় সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান পাঁচটি কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪২ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর কারণে। এছাড়া ২৯ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটে সড়কের নাজুক অবস্থার জন্য, ১৯ শতাংশ জেব্রা ক্রসিং না থাকায়, ৫ শতাংশ যান্ত্রিক ত্রুটিতে এবং ৩ শতাংশ চালকের নেশাগ্রস্ত অবস্থার কারণে। বাকি ২ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটে বিভ্রান্ত অবস্থায় গাড়ি চালানোর ফলে। দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি ২৮ শতাংশ ক্ষেত্রে পথচারীকে চাপা দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এছাড়া এক গাড়ির পেছনে আরেক গাড়ির ধাক্কা ২৪ শতাংশ, মুখোমুখি সংঘর্ষ ১৭ শতাংশ এবং নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণে ১২ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটে। গবেষণায় দুর্ঘটনায় আহতদের মানসিক অবস্থার দিকটিও
তুলে ধরা হয়েছে। এতে দেখা যায়, আহতদের মধ্যে ২১ শতাংশ আতঙ্কে, ১৯ শতাংশ ট্রমায় এবং ১৭ শতাংশ আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন। পাশাপাশি অনেকেই হতাশা ও অন্যান্য মানসিক সমস্যায় ভোগেন, যা তাদের স্বাভাবিক জীবনে বড় প্রভাব ফেলে। দুর্ঘটনার শিকারদের মধ্যে পুরুষের হার সবচেয়ে বেশি (৫৯ শতাংশ), পাশাপাশি নারী ও শিশুরাও উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। অধিকাংশ ক্ষেত্রে নিম্নআয়ের মানুষ এবং কম শিক্ষিত ব্যক্তিরাই বেশি দুর্ঘটনার শিকার হন। গবেষণায় সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে সচেতনতা বৃদ্ধি, কঠোর আইন প্রয়োগ এবং দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। বিশেষ করে ঈদের সময় সড়ক ব্যবস্থাপনায় বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
বেশি দেখা যায়। গবেষণায় সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান পাঁচটি কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪২ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর কারণে। এছাড়া ২৯ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটে সড়কের নাজুক অবস্থার জন্য, ১৯ শতাংশ জেব্রা ক্রসিং না থাকায়, ৫ শতাংশ যান্ত্রিক ত্রুটিতে এবং ৩ শতাংশ চালকের নেশাগ্রস্ত অবস্থার কারণে। বাকি ২ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটে বিভ্রান্ত অবস্থায় গাড়ি চালানোর ফলে। দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি ২৮ শতাংশ ক্ষেত্রে পথচারীকে চাপা দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এছাড়া এক গাড়ির পেছনে আরেক গাড়ির ধাক্কা ২৪ শতাংশ, মুখোমুখি সংঘর্ষ ১৭ শতাংশ এবং নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণে ১২ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটে। গবেষণায় দুর্ঘটনায় আহতদের মানসিক অবস্থার দিকটিও
তুলে ধরা হয়েছে। এতে দেখা যায়, আহতদের মধ্যে ২১ শতাংশ আতঙ্কে, ১৯ শতাংশ ট্রমায় এবং ১৭ শতাংশ আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন। পাশাপাশি অনেকেই হতাশা ও অন্যান্য মানসিক সমস্যায় ভোগেন, যা তাদের স্বাভাবিক জীবনে বড় প্রভাব ফেলে। দুর্ঘটনার শিকারদের মধ্যে পুরুষের হার সবচেয়ে বেশি (৫৯ শতাংশ), পাশাপাশি নারী ও শিশুরাও উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। অধিকাংশ ক্ষেত্রে নিম্নআয়ের মানুষ এবং কম শিক্ষিত ব্যক্তিরাই বেশি দুর্ঘটনার শিকার হন। গবেষণায় সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে সচেতনতা বৃদ্ধি, কঠোর আইন প্রয়োগ এবং দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। বিশেষ করে ঈদের সময় সড়ক ব্যবস্থাপনায় বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।



