ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পাকিস্তানের ভুলে ফের শুরু হতে পারে হামলা
চীনকে রুখতে একজোট হচ্ছে জি৭ ও মিত্ররা
ইরানে সরকার টিকবে কি
মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের জীবনে নরক সৃষ্টি করেছে: গাম্বিয়া
বিক্ষোভ ‘নিয়ন্ত্রণের’ দাবি ইরানের, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংলাপেও রাজি
জাতিসংঘের আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার শুনানি শুরু
ইরানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার দাবি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে পুতিনের মন্তব্য
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নতুন করে আলোচনায়। এরই মধ্যে ইউরোপের তিন দেশ ফ্রান্স, জার্মানি ও ব্রিটেনের সঙ্গে পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে। দেশ তিনটি সেই প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘকে জানিয়ে দিয়েছে, যেন ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করা হয়। এ নিয়ে রাশিয়া দেশটির প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। তবে চীনের তিয়ানজিনে ইরানি প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে কাছে পেয়ে মন্তব্য করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। খবর আনাদোলু এজেন্সি।
বহুজাতিক এই সম্মেলনে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন দেশের নেতারা উপস্থিত হয়েছেন। বিশেষ করে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চলমান বাণিজ্যিক যুদ্ধের মধ্যে এই সম্মেলন খুব তাৎপর্যপূর্ণ। এই সম্মেলনে জোটবদ্ধ হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে চীন, রাশিয়া ও ভারত। সাংহাই কোঅপারেশন অরগানাইজেশনের এই সম্মেলনে হাজির হয়েছেন
ইরানি প্রেসিডেন্টও। সেখানেই পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠক করেন পুতিন। বৈঠকে তিনি ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করেন। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) ক্রেমলিন এমন তথ্য জানিয়েছে। পুতিন জানান, ইরানকে মোটেও একা ছেড়ে দেননি তিনি। বরং তেহরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে নিয়মিতই উভয় দেশের নেতাদের মধ্যে আলোচনা হয় বলে জানান পুতিন। রুশ প্রেসিডেন্টের এমন মন্তব্য পশ্চিমাদের জন্য বার্তা হিসেবেই দেখা হচ্ছে। কেননা, যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা যখন ইরানকে চাপে রেখেছে, তখন রাশিয়ার এই পাশে দাঁড়ানো, তেহরানের শক্তি বহু গুণে বাড়িয়ে দেবে।
ইরানি প্রেসিডেন্টও। সেখানেই পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠক করেন পুতিন। বৈঠকে তিনি ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করেন। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) ক্রেমলিন এমন তথ্য জানিয়েছে। পুতিন জানান, ইরানকে মোটেও একা ছেড়ে দেননি তিনি। বরং তেহরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে নিয়মিতই উভয় দেশের নেতাদের মধ্যে আলোচনা হয় বলে জানান পুতিন। রুশ প্রেসিডেন্টের এমন মন্তব্য পশ্চিমাদের জন্য বার্তা হিসেবেই দেখা হচ্ছে। কেননা, যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা যখন ইরানকে চাপে রেখেছে, তখন রাশিয়ার এই পাশে দাঁড়ানো, তেহরানের শক্তি বহু গুণে বাড়িয়ে দেবে।



