ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিসিবি পরিচালকদের পদত্যাগের মিছিল, মধ্যরাতে সরে গেলেন আরও দুজন
ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টির অধিনায়ক ঘোষণা বাংলাদেশের, স্পিন বোলিং কোচ রফিক
জমকালো সংবর্ধনায় সাফজয়ী যুবাদের অর্থ পুরস্কারের ঘোষণা
যেভাবে বাংলাদেশ ফুটবলে সুলিভানদের আগমন
লড়াই করেও চীনের কাছে হারল বাংলাদেশ
বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে লাগবে ১৩ লাখ টাকা!
বিশ্বকাপ বিপর্যয়ের পর ইতালির কোচের পদ থেকে গাত্তুসোর পদত্যাগ
ইতিহাস গড়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারতের মেয়েরা
মুম্বাইর ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার এক অবিস্মরণীয় রাতে ভারতীয় নারী দল ইতিহাস গড়ল। জেমাইমা রদ্রিগেজের অপরাজিত ১২৭ রানের ইনিংস ও অধিনায়ক হারমানপ্রিত কাউরের ৮৯ রানের দারুণ অবদানে ভারত ৫০ ওভারে ৩৩৯ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করে অস্ট্রেলিয়াকে পাঁচ উইকেটে হারিয়ে দিল। নারী একদিনের ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান তাড়ার রেকর্ড গড়ে উঠে গেল বিশ্বকাপের ফাইনালে।
অস্ট্রেলিয়া আগে ব্যাট করে ৫০ ওভারে ৩৩৮ রান তোলে—যেখানে ফবি লিচফিল্ড ১১৯ ও এলিসা পেরি ৭৭ রানের ইনিংস দলকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যায়। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে দীপ্তি শর্মা নেন দুই উইকেট, তবে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিংয়ের ধার পুরো ম্যাচেই ছিল ভয়ঙ্কর।
৩৩৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারত শুরুতে কিছুটা
চাপে পড়ে যায়। দুই ওপেনার দ্রুত আউট হওয়ার পর ক্রিজে আসেন জেমাইমা ও হারমানপ্রিত। দু’জন মিলে গড়ে তোলেন ১৬৭ রানের অবিচ্ছেদ্য জুটি—যা ভারতীয় ইনিংসের প্রাণ হয়ে ওঠে। জেমাইমার ব্যাটিং ছিল একেবারে সুরেলা—কভার ড্রাইভ, স্কয়ার কাট, স্ট্রেইট ড্রাইভ—সব শটে মুগ্ধ করেন দর্শক ও ক্রিকেটপ্রেমীদের। হারমানপ্রিত আউট হওয়ার পর দায়িত্ব নেন জেমাইমা। তার সঙ্গে ছোট ছোট ইনিংস খেলেন রিচা ঘোষ (৩১) ও দীপ্তি শর্মা (২৫*), যারা শেষ পর্যন্ত সঙ্গ দেন এই ব্যাটিং সিম্ফনিকে। শেষ ওভারে যাওয়ার আগেই জয় নিশ্চিত করে ভারত, হাতে ছিল নয় বল। এই জয়ে ভারত নারী বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে গেছে, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা। অস্ট্রেলিয়ার মতো এক অজেয় শক্তিকে হারিয়ে
ফাইনালে ওঠা শুধু এক জয় নয়—এটি ভারতীয় নারী ক্রিকেটের জন্য এক নতুন মাইলফলক। ম্যাচ শেষে জেমাইমা বলেন, “এটা শুধু আমার ইনিংস নয়, পুরো দলের বিশ্বাসের জয়। আমরা জানতাম যদি নিজেদের মতো খেলি, কিছুই অসম্ভব নয়।”
চাপে পড়ে যায়। দুই ওপেনার দ্রুত আউট হওয়ার পর ক্রিজে আসেন জেমাইমা ও হারমানপ্রিত। দু’জন মিলে গড়ে তোলেন ১৬৭ রানের অবিচ্ছেদ্য জুটি—যা ভারতীয় ইনিংসের প্রাণ হয়ে ওঠে। জেমাইমার ব্যাটিং ছিল একেবারে সুরেলা—কভার ড্রাইভ, স্কয়ার কাট, স্ট্রেইট ড্রাইভ—সব শটে মুগ্ধ করেন দর্শক ও ক্রিকেটপ্রেমীদের। হারমানপ্রিত আউট হওয়ার পর দায়িত্ব নেন জেমাইমা। তার সঙ্গে ছোট ছোট ইনিংস খেলেন রিচা ঘোষ (৩১) ও দীপ্তি শর্মা (২৫*), যারা শেষ পর্যন্ত সঙ্গ দেন এই ব্যাটিং সিম্ফনিকে। শেষ ওভারে যাওয়ার আগেই জয় নিশ্চিত করে ভারত, হাতে ছিল নয় বল। এই জয়ে ভারত নারী বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে গেছে, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা। অস্ট্রেলিয়ার মতো এক অজেয় শক্তিকে হারিয়ে
ফাইনালে ওঠা শুধু এক জয় নয়—এটি ভারতীয় নারী ক্রিকেটের জন্য এক নতুন মাইলফলক। ম্যাচ শেষে জেমাইমা বলেন, “এটা শুধু আমার ইনিংস নয়, পুরো দলের বিশ্বাসের জয়। আমরা জানতাম যদি নিজেদের মতো খেলি, কিছুই অসম্ভব নয়।”



