ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যশোরে ৫ আগস্টের পর এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েমকারী যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
৬ দিন পর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক
অতি নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী: ২ কোটি টাকার প্রকল্পে হরিলুট
নরসিংদীর রায়পুরায় ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী ভেঙ্গে দিলো শিশু ধর্ষনের আখড়া মহিলা মাদ্রাসা
টানা বৃষ্টি ও বন্যার মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা: শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি, স্থগিতের দাবি
মসজিদ ভাড়া নিয়ে জামায়াতের নারী কর্মীদের গুপ্ত কর্মশালা, ধাওয়া দিয়ে তাড়ালেন স্থানীয়রা
প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে মাকে দিয়ে ভুয়া গুম-খুনের মামলা, আত্মগোপনে ২ বছরে বিয়ে-সংসার!
ইউনুসের অংশগ্রহনমূলক নির্বাচনের নমুনা দেখুন ফরিদপুরে হাসপাতালে বিএনপি’র সন্ত্রাসীদের হামলা
একটি হাসপাতাল, যেখানে মানুষ আসে চোখের আলো ফিরে পেতে, জীবন বাঁচাতে—সেখানেও আজ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বিষবাষ্প! ফরিদপুর-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মুজাহিদ বেগের ভাই, স্বনামধন্য চিকিৎসক ডা. মহসিন বেগের 'আনোয়ারা হামিদা চক্ষু হাসপাতালে' যেভাবে বিএনপি'র ৩০-৩৫ জন সন্ত্রাসী অতর্কিত হানা দিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দিল, তা কেবল কাপুরুষতা নয়, বরং পুরো সভ্য সমাজের গালে একটি চপেটাঘাত।
দীর্ঘ দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে ডা. মহসিন বেগ সারা দেশে মানুষের চোখের চিকিৎসা দিয়ে আসছেন। অথচ আজ তার অপরাধ—তার ভাই নির্বাচনে দাঁড়িয়েছেন? একজন মানুষকে নির্বাচন থেকে দূরে সরাতে কি এখন হাসপাতাল আর রোগীদের জিম্মি করতে হবে? ৩০-৩৫ জন সরকারি মদদপুষ্ট সন্ত্রাসী মিলে এসে হাসপাতালের সাধারণ কর্মচারীদের ভয়
দেখানো, প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া—এ যেন জুলাই হামলা পরবর্তী নতুন বাংলাদেশের পরিচয়। রাজনীতিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে, কিন্তু সেবামূলক প্রতিষ্ঠানকে তার লক্ষ্যবস্তু বানানো কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। যখন একটি হাসপাতালের ভেতরে বিএনপি'র সন্ত্রাসীরা এভাবে দাপিয়ে বেড়ায়, তখন সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার মাধ্যমে কেবল একজন প্রার্থীর পরিবারকে নয়, বরং পুরো ফরিদপুরের শান্তিপ্রিয় মানুষকে হুমকি দিচ্ছে জুলাইয়ের সন্ত্রাসীরা। ক্ষমতার দাপটে অন্ধ হয়ে যাওয়া এই হায়েনাদের চিনে রাখুন। বানোয়াট নির্বাচনের নামে হাসপাতালের করিডোরে যারা সন্ত্রাস করছে তাদেরকে একবিন্দু ছাড় দেওয়া হবেনা!
দেখানো, প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া—এ যেন জুলাই হামলা পরবর্তী নতুন বাংলাদেশের পরিচয়। রাজনীতিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে, কিন্তু সেবামূলক প্রতিষ্ঠানকে তার লক্ষ্যবস্তু বানানো কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। যখন একটি হাসপাতালের ভেতরে বিএনপি'র সন্ত্রাসীরা এভাবে দাপিয়ে বেড়ায়, তখন সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার মাধ্যমে কেবল একজন প্রার্থীর পরিবারকে নয়, বরং পুরো ফরিদপুরের শান্তিপ্রিয় মানুষকে হুমকি দিচ্ছে জুলাইয়ের সন্ত্রাসীরা। ক্ষমতার দাপটে অন্ধ হয়ে যাওয়া এই হায়েনাদের চিনে রাখুন। বানোয়াট নির্বাচনের নামে হাসপাতালের করিডোরে যারা সন্ত্রাস করছে তাদেরকে একবিন্দু ছাড় দেওয়া হবেনা!



