ইইউর ‘নিরাপদ’ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ, কঠিন হবে আশ্রয় পাওয়া – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২১ এপ্রিল, ২০২৫

ইইউর ‘নিরাপদ’ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ, কঠিন হবে আশ্রয় পাওয়া

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২১ এপ্রিল, ২০২৫ |
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বুধবার (১৬ এপ্রিল) সাতটি দেশের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে, যেগুলোকে তারা দ্রুত অভিবাসী প্রত্যাবাসনে ‘নিরাপদ দেশ’ হিসেবে মনে করছে। নতুন আশ্রয়নীতির মাধ্যমে এসব দেশের নাগরিকদের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশে আশ্রয় প্রার্থনা (অ্যাসাইলাম) কঠিন করে তোলা হচ্ছে। ইউরোপীয় কমিশন জানিয়েছে, তারা কসোভো, বাংলাদেশ, কলম্বিয়া, মিসর, ভারত, মরক্কো ও তিউনিসিয়াকে ‘নিরাপদ দেশ’ হিসেবে মনোনীত করার প্রস্তাব করছে। ব্রাসেলস থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়। মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো এই পদক্ষেপের কঠোর সমালোচনা করেছে। এর মাধ্যমে তালিকাভুক্ত দেশের নাগরিকদের আশ্রয় প্রার্থনার আবেদন অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা হতে পারে। মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো বলছে, এই পদক্ষেপ ইইউভুক্ত দেশের সরকারকে এই তালিকাভুক্ত দেশের নাগরিকদের কাছ থেকে আশ্রয় প্রার্থনার

আবেদনগুলো আরও দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ হবে এমন ধারণা পোষণ করা হচ্ছে। তবে এই ধরনের দাবির কোনো ভিত্তি নেই। ইইউর অভিবাসন কমিশনার ম্যাগনাস ব্রুনার বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের অনেক সদস্য রাষ্ট্রে আশ্রয় প্রার্থীদের আবেদনের অনেক জট লেগে আছে। তাই দ্রুত আশ্রয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য আমরা এখন যেকোনো কিছু করতে পারি। গতকাল বুধবার কমিশন জানিয়েছে, ইইউর দেশগুলো নিরাপদ দেশ মনোনয়নে নীতিগতভাবে মানদণ্ড নির্ধারণ করবে। তবে এতে ব্যতিক্রমও থাকতে পারে। যদি এসব দেশ (তালিকাভুক্ত দেশ) কোনো সংঘাতের শিকার হয়, তা হলে ভিন্ন দৃষ্টান্ত হবে। তবে তা ইউক্রেনের মতো নয়। এর আগে ২০১৫ সালেও ইইউ একই ধরনের তালিকা উপস্থাপন করেছিল। তবে তুরস্ককে এতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে কি না, তা নিয়ে উত্তপ্ত

বিতর্কের কারণে পরিকল্পনাটি বাতিল করা হয়। কমিশন জানিয়েছে, বুধবার প্রকাশিত তালিকাটি সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সম্প্রসারিত বা পর্যালোচনা করা যেতে পারে। যেসব দেশ থেকে বর্তমানে বেশি সংখ্যক আশ্রয় প্রার্থনার আবেদন এসেছে, তা দেখে তালিকাটি তৈরি করা হয়েছে। ইইউর বেশ কয়েকটি সদস্য রাষ্ট্র ইতোমধ্যেই আশ্রয়ের বিষয়ে ‘নিরাপদ’ বলে মনে করা দেশগুলোকে মনোনীত করেছে। উদাহরণস্বরূপ ফ্রান্সের তালিকায় মঙ্গোলিয়া, সার্বিয়া ও কেপ ভার্দে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ইইউ প্রচেষ্টার লক্ষ্য হচ্ছে, নীতিগুলোকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা এবং সব সদস্য রাষ্ট্রের যে একই ভিত্তিরেখা রয়েছে, তা নিশ্চিত করা। ইইউর দেশগুলো নিজেদের মতো করে ‘নিরাপদ দেশ’ হিসেবে তালিকায় নতুন রাষ্ট্র যোগ করতে পারে, কিন্তু তা থেকে বাদ দিতে পারে না।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
না খেলেই কীভাবে এশিয়ান গেমসে পদক নিশ্চিত বাংলাদেশের জিন্নাতের ট্রাম্পের সাথে সাক্ষাতে ব্যর্থ হলেও হাইতির প্রধানমন্ত্রীর দেখা পেলেন তারেক রহমান ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে খলিলুরের ‘সৌজন্য সাক্ষাৎ’ আওয়ামী লীগ নেতাকে না পেয়ে কিশোর সন্তানকে টেনেহিঁচড়ে ধরে নিয়ে গেল ডিবি পুলিশ বিশ্ববাজারে আরও কমলো জ্বালানি তেলের দাম, দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন আজ সিঙ্গেল ডে, নিজের সাথে ভালোবাসাবাসির দিন হামে একদিনে ঝরল আরও ১১ শিশুর প্রাণ: টিকাদানের ৩ সপ্তাহে অ্যান্টিবডি তৈরির কথা, ৬ মাসেও কমেনি সংক্রমণ, মান প্রশ্নবিদ্ধ বাংলাদেশে স্ত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যু: তদন্ত প্রভাবিত করতে বাংলাদেশ পুলিশকে ৯০ হাজার ডলার ঘুষ অস্ট্রেলিয়ান স্বামীর অভিনেত্রীর সঙ্গে গোপন সম্পর্ক আত্মজীবনীতে লিখে বিপাকে নওয়াজ ট্রাম্পের সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কুশল বিনিময় একদিনে ১১ শিশুর প্রাণ গেল, হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যু ১০৭৬ ডেঙ্গুতে চলতি বছর মৃত্যু ২০০ ছাড়াল পুতিনের বিশ্বস্ত মিত্র কে এই রমজান কাদিরভ? ছয় অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ ৭ কর্মকর্তাকে বদলি যুদ্ধের ধাক্কার পরও বিশ্ব অর্থনীতিতে আশার খবর আজ দিন ও রাত সমান সাকিবসহ ১৫ জনের তদন্ত প্রতিবেদন ১৭ নভেম্বর টি-টোয়েন্টির ‘ডাকে’র বিশ্বরেকর্ডের শীর্ষ পাঁচে আছেন যারা সৌদি আরবে ঘুমের মধ্যে প্রবাসীর মৃত্যু পথে পথে ভাড়া নৈরাজ্য