ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ক্যান্টনমেন্ট থানার সেই ওসি রিমান্ডে
জাতিসংঘে খলিলের কার্যালয়ের আইন কর্মকর্তা হলেন জাইমা রহমান
চাকরি হারালেন আরও ৬ পুলিশ কর্মকর্তা
ক্যান্টনমেন্ট থানার সেই ওসির রিমান্ড আবেদনে যা বলল পুলিশ
সুনামগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতা রঞ্জন দাশের গ্যাস পাম্প দখলে নিতে প্রভাবশালীদের তালা
যুবদল নেতার লুট করা ৪ ট্রাকের ৬৭ হাজার কেজি মুরগির বিষ্ঠা উদ্ধার
বিএনপি সরকারের উন্নয়ন: নোয়াখালীতে সাড়ে ৫ কোটি টাকার সেতু নির্মাণে রডের বদলে চিকন তার
বাংলাদেশে স্ত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যু: তদন্ত প্রভাবিত করতে বাংলাদেশ পুলিশকে ৯০ হাজার ডলার ঘুষ অস্ট্রেলিয়ান স্বামীর
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এক অস্ট্রেলীয় নারীর রহস্যজনক মৃত্যুর তদন্তে প্রভাব বিস্তার এবং বাংলাদেশ পুলিশের নথি থেকে নিজের নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
এ উদ্দেশ্যে বাংলাদেশি সরকারি কর্মকর্তাদের প্রায় ৯০ হাজার অস্ট্রেলীয় ডলার ঘুষ দেওয়ার অভিযোগে ৫১ বছর বয়সী ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশ (এএফপি)।
সেভেন নিউজ অস্ট্রেলিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তি কুইন্সল্যান্ডের রেডব্যাংক প্লেইনসের বাসিন্দা। নিহত নারী রাহিনার সঙ্গে তার সাবেক বৈবাহিক সম্পর্ক ছিল।
২২শে সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার তাকে ব্রিসবেন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়।
বিদেশি সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার ষড়যন্ত্র এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে বাংলাদেশে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাঠানোর প্রমাণ পাওয়ার দাবি করেছে এএফপি।
এএফপির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত
এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ব্যক্তিগত সুবিধা অর্জন এবং একটি ফৌজদারি তদন্তের গতিপথ পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে বিদেশি সরকারি কর্মকর্তাকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগে অস্ট্রেলিয়ার আদালতে মামলা করার ঘটনা এএফপির জন্য এটাই প্রথম। ঘটনার সূত্রপাত ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে। ওই সময় কুইন্সল্যান্ড পুলিশ সার্ভিস (কিউপিএস) এএফপিকে জানায়, অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের দ্বৈত নাগরিকত্বধারী এক নারী বাংলাদেশে যাওয়ার পর নিখোঁজ হয়েছেন। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ পুলিশ অস্ট্রেলীয় কর্তৃপক্ষকে জানায়, বাংলাদেশে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে বাংলাদেশ পুলিশের ফরেনসিক পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া যায়, ওই নারীর মৃত্যু স্বাভাবিকভাবে হয়নি। ফলে ঘটনাটিকে সন্দেহজনক মৃত্যু হিসেবে বিবেচনা করে তদন্ত শুরু করা হয়। অস্ট্রেলিয়ার ক্রিমিনাল কোডের ১১৫ ধারার আওতায় বিদেশে অস্ট্রেলীয় নাগরিকদের হত্যা, অপমৃত্যু বা গুরুতর
ক্ষতির ঘটনায় আন্তর্জাতিক এখতিয়ার রয়েছে এএফপির। সেই এখতিয়ারের ভিত্তিতেই বাংলাদেশ পুলিশের তদন্তের পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশও আলাদাভাবে তদন্ত শুরু করে। এএফপির তদন্তে অভিযোগ করা হয়েছে, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওই ব্যক্তি বাংলাদেশে প্রায় ৯০ হাজার অস্ট্রেলীয় ডলার পাঠিয়েছেন। বাংলাদেশি সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার মাধ্যমে ওই নারীর মৃত্যুর তদন্ত নিজের পক্ষে প্রভাবিত করা এবং বাংলাদেশ পুলিশের তদন্ত-সংক্রান্ত নথি ও রেকর্ড থেকে নিজের নাম বাদ দেওয়াই অর্থ পাঠানোর উদ্দেশ্য ছিল বলে তদন্তকারীদের অভিযোগ। তদন্তের ধারাবাহিকতায় সিডনি ও ব্রিসবেনের একাধিক আর্থিক ও ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালায় এএফপি। অভিযানের সময় আন্তর্জাতিক অর্থ স্থানান্তরের বিভিন্ন রেকর্ড, ডিজিটাল লেনদেনের তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব জব্দ
করা হয়। দুই বছর ধরে চলা তদন্তের পর ২১শে সেপ্টেম্বর, সোমবার কুইন্সল্যান্ডের গুডনা ও রেডব্যাংক প্লেইনস এলাকার দুটি আবাসিক ভবনে অভিযান চালায় এএফপি। ওই অভিযানে ৫১ বছর বয়সী ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই সময় তার কাছ থেকে একাধিক ইলেকট্রনিক ডিভাইস জব্দ করে সেগুলো ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়ার ফৌজদারি আইনের ৭০.২ (১) ধারায় বিদেশি সরকারি কর্মকর্তাকে ঘুষ দেওয়ার একটি গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগটি প্রমাণিত হলে তার সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। এএফপি জানিয়েছে, বিদেশি কর্মকর্তাকে ঘুষ দেওয়ার মাধ্যমে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের অভিযোগে এটি সংস্থাটির ইতিহাসে প্রথম মামলা। এএফপির কমান্ডার স্টিফেন জয় বলেছেন, অস্ট্রেলিয়ায় বা অস্ট্রেলিয়ার বাইরে—যেকোনো স্থানে বিচারিক কিংবা
তদন্তপ্রক্রিয়াকে দুর্নীতিগ্রস্ত করার চেষ্টা গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ। ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগকে এএফপি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো গুরুতর অপরাধের তদন্তের ফলাফল পরিবর্তনের চেষ্টা হলে সংস্থাটি বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নেয়। অর্থের মাধ্যমে বিচারব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ বা প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আইনি জবাবদিহির মুখোমুখি হতে হবে বলেও জানান তিনি। স্টিফেন জয় আরও বলেন, আন্তর্জাতিক অংশীদারদের পাশাপাশি বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গেও সমন্বয় করে কাজ করছে এএফপি। তবে অস্ট্রেলীয় পুলিশ জানিয়েছে, ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হলেও বাংলাদেশি নারীর রহস্যজনক মৃত্যুর মূল তদন্ত এখনও শেষ হয়নি।
এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ব্যক্তিগত সুবিধা অর্জন এবং একটি ফৌজদারি তদন্তের গতিপথ পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে বিদেশি সরকারি কর্মকর্তাকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগে অস্ট্রেলিয়ার আদালতে মামলা করার ঘটনা এএফপির জন্য এটাই প্রথম। ঘটনার সূত্রপাত ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে। ওই সময় কুইন্সল্যান্ড পুলিশ সার্ভিস (কিউপিএস) এএফপিকে জানায়, অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের দ্বৈত নাগরিকত্বধারী এক নারী বাংলাদেশে যাওয়ার পর নিখোঁজ হয়েছেন। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ পুলিশ অস্ট্রেলীয় কর্তৃপক্ষকে জানায়, বাংলাদেশে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে বাংলাদেশ পুলিশের ফরেনসিক পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া যায়, ওই নারীর মৃত্যু স্বাভাবিকভাবে হয়নি। ফলে ঘটনাটিকে সন্দেহজনক মৃত্যু হিসেবে বিবেচনা করে তদন্ত শুরু করা হয়। অস্ট্রেলিয়ার ক্রিমিনাল কোডের ১১৫ ধারার আওতায় বিদেশে অস্ট্রেলীয় নাগরিকদের হত্যা, অপমৃত্যু বা গুরুতর
ক্ষতির ঘটনায় আন্তর্জাতিক এখতিয়ার রয়েছে এএফপির। সেই এখতিয়ারের ভিত্তিতেই বাংলাদেশ পুলিশের তদন্তের পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশও আলাদাভাবে তদন্ত শুরু করে। এএফপির তদন্তে অভিযোগ করা হয়েছে, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওই ব্যক্তি বাংলাদেশে প্রায় ৯০ হাজার অস্ট্রেলীয় ডলার পাঠিয়েছেন। বাংলাদেশি সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার মাধ্যমে ওই নারীর মৃত্যুর তদন্ত নিজের পক্ষে প্রভাবিত করা এবং বাংলাদেশ পুলিশের তদন্ত-সংক্রান্ত নথি ও রেকর্ড থেকে নিজের নাম বাদ দেওয়াই অর্থ পাঠানোর উদ্দেশ্য ছিল বলে তদন্তকারীদের অভিযোগ। তদন্তের ধারাবাহিকতায় সিডনি ও ব্রিসবেনের একাধিক আর্থিক ও ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালায় এএফপি। অভিযানের সময় আন্তর্জাতিক অর্থ স্থানান্তরের বিভিন্ন রেকর্ড, ডিজিটাল লেনদেনের তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব জব্দ
করা হয়। দুই বছর ধরে চলা তদন্তের পর ২১শে সেপ্টেম্বর, সোমবার কুইন্সল্যান্ডের গুডনা ও রেডব্যাংক প্লেইনস এলাকার দুটি আবাসিক ভবনে অভিযান চালায় এএফপি। ওই অভিযানে ৫১ বছর বয়সী ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই সময় তার কাছ থেকে একাধিক ইলেকট্রনিক ডিভাইস জব্দ করে সেগুলো ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়ার ফৌজদারি আইনের ৭০.২ (১) ধারায় বিদেশি সরকারি কর্মকর্তাকে ঘুষ দেওয়ার একটি গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগটি প্রমাণিত হলে তার সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। এএফপি জানিয়েছে, বিদেশি কর্মকর্তাকে ঘুষ দেওয়ার মাধ্যমে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের অভিযোগে এটি সংস্থাটির ইতিহাসে প্রথম মামলা। এএফপির কমান্ডার স্টিফেন জয় বলেছেন, অস্ট্রেলিয়ায় বা অস্ট্রেলিয়ার বাইরে—যেকোনো স্থানে বিচারিক কিংবা
তদন্তপ্রক্রিয়াকে দুর্নীতিগ্রস্ত করার চেষ্টা গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ। ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগকে এএফপি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো গুরুতর অপরাধের তদন্তের ফলাফল পরিবর্তনের চেষ্টা হলে সংস্থাটি বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নেয়। অর্থের মাধ্যমে বিচারব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ বা প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আইনি জবাবদিহির মুখোমুখি হতে হবে বলেও জানান তিনি। স্টিফেন জয় আরও বলেন, আন্তর্জাতিক অংশীদারদের পাশাপাশি বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গেও সমন্বয় করে কাজ করছে এএফপি। তবে অস্ট্রেলীয় পুলিশ জানিয়েছে, ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হলেও বাংলাদেশি নারীর রহস্যজনক মৃত্যুর মূল তদন্ত এখনও শেষ হয়নি।



