ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
আসামিকে হাজতে মোবাইল সুবিধা দেয়ায় পাঁচ পুলিশ সদস্য ক্লোজড
মিয়ানমার-নাইক্যংছড়ি সীমান্তে রামু অংশে সিসিটিভি লাগিয়ে চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ করা শাহীনুর রহমান শাহীন ডাকাতকে কক্সবাজার আদালতের হাজতখানায় মুঠোফোন সুবিধা দেয়ার ঘটনায় দুই টিএসআইসহ পুলিশের ৫ সদস্যকে দায়িত্ব অবহেলার দায়ে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।
শনিবার (১২ জুলাই) রাতে জেলা পুলিশের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ক্লোজড হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন টিএসআই সুরেন দত্ত, আবদুল ওয়াহেদ, কনস্টেবল নাজম হায়দার, গোলাম মোস্তফা ও ইয়াছিন নূর। এসময় কোর্ট হাজতে আসামিদের সাথে সাক্ষাতের বিষয়ে আরও সর্তক হওয়ার কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে সংশ্লিষ্টদের।
এর আগে এই ঘটনা নিয়ে শুক্রবার কক্সবাজার জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জসীম উদ্দিন চৌধুরীকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত
কমিটি গঠন করা হয়। গত বুধবার (৯ জুন) আদালতে হাজিরা দিতে কোর্ট পুলিশের হেফাজতে হাজতখানা থেকে বের করে আনা হয় শাহীনকে। ঠিক তখনই তার পকেটে মোবাইল ফোনের অস্তিত্ব নজরে আসে কক্সবাজারের সংবাদকর্মীদের। এনিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে গঠিত হয় তদন্ত কমিটি। কক্সবাজার আদালতের কোর্ট পরিদর্শক মো. গোলাম জিলানী তথ্যের সত্যতা স্বীকার করেছেন। উল্লেখ্য, গেলো ৫ জুন সকালে কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য শাকের আহমদের বাড়ি থেকে সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয় শাহীন ডাকাতকে। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, অস্ত্র, মাদকসহ অন্তত ২০টি মামলা রয়েছে। এরপর তার সহযোগী হিসেবে একাধিকজনকে গ্রেপ্তার করেছে শৃঙ্খলা বাহিনী।
কমিটি গঠন করা হয়। গত বুধবার (৯ জুন) আদালতে হাজিরা দিতে কোর্ট পুলিশের হেফাজতে হাজতখানা থেকে বের করে আনা হয় শাহীনকে। ঠিক তখনই তার পকেটে মোবাইল ফোনের অস্তিত্ব নজরে আসে কক্সবাজারের সংবাদকর্মীদের। এনিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে গঠিত হয় তদন্ত কমিটি। কক্সবাজার আদালতের কোর্ট পরিদর্শক মো. গোলাম জিলানী তথ্যের সত্যতা স্বীকার করেছেন। উল্লেখ্য, গেলো ৫ জুন সকালে কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য শাকের আহমদের বাড়ি থেকে সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয় শাহীন ডাকাতকে। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, অস্ত্র, মাদকসহ অন্তত ২০টি মামলা রয়েছে। এরপর তার সহযোগী হিসেবে একাধিকজনকে গ্রেপ্তার করেছে শৃঙ্খলা বাহিনী।



