ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কুরবানি ঈদ ঘিরে চাঙ্গা রেমিট্যান্স, বিশ দিনে এলো ২.৬২ বিলিয়ন ডলার
ঈদে এটিএম বুথে টাকা তোলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা
ক্রেতার অপেক্ষায় তেজগাঁওয়ের পশুর হাট, প্রস্তুতি সম্পন্ন
নতুন অর্থনৈতিক রূপকল্পে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের স্বপ্ন দেখছে সরকার
বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরি কত?
বেসরকারি খাতে ব্যাংক ঋণের প্রবৃদ্ধি ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গেছে
কুরবানির জন্য প্রস্তুত ‘নেইমার’, দাম ১২ লাখ
আসন্ন বাজেটে চাল-ডালসহ নিত্যপণ্যে বাড়তি করের প্রস্তাব
আসন্ন জাতীয় বাজেটকে সামনে রেখে বিভিন্ন নিত্যপণ্য ও দৈনন্দিন ব্যবহারের খাতে বাড়তি কর আরোপের প্রস্তাব প্রস্তুত করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
প্রস্তাবিত এই কর কাঠামোর আওতায় ধান, চাল, গম, ডাল, আলু, পেঁয়াজসহ বেশ কিছু খাদ্যপণ্য ছাড়াও ব্যাটারিচালিত রিকশা, মোটরসাইকেল ব্যবহার, মোবাইল ফোনসংশ্লিষ্ট খাত এবং আরও কয়েকটি সেবাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এটা হলে ভোক্তাদের উপর চাপ বাড়বে এবং নিম্ন আয়ের মানুষেরা বিপাকে পড়বে বলে মনে করছেন সুধীজন।
জানা যায়, আগামী বাজেটে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করা হলেও একই সঙ্গে রাজস্ব আহরণ বাড়াতে বিভিন্ন খাতে কর বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি
ও ক্রয়ের ক্ষেত্রে স্থানীয় ঋণপত্র (এলসি) কমিশনের ওপর উৎস কর বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমানে ধান, ধানের কুড়া, চাল, গম, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, মটরশুঁটি, ছোলা, মসুর ডাল, আদা, হলুদ, শুকনা মরিচ, ভুট্টা, আটা, মোটা আটা, লবণ, চিনি, ভোজ্যতেল, কালো গোলমরিচ, দারুচিনি, বাদাম, লবঙ্গ, খেজুর ও ক্যাসিয়া পাতাসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে স্থানীয় ঋণপত্রের কমিশনের ওপর ০.৫০ শতাংশ হারে উৎস কর কার্যকর রয়েছে। নতুন প্রস্তাবে এই হার বাড়িয়ে ১ শতাংশ করার সুপারিশ করা হয়েছে। শুধু খাদ্যপণ্য নয়, কম্পিউটার ও কম্পিউটারের যন্ত্রাংশ এবং সব ধরনের ফল ক্রয়ের ক্ষেত্রেও একই হারে উৎস কর বৃদ্ধির প্রস্তাব রয়েছে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, এসব খাতে কর বাড়ানো হলে
বাজারে পণ্যমূল্যের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হতে পারে এবং এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত ভোক্তা পর্যায়ে গিয়ে পড়তে পারে। অন্যদিকে সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত করের চাপ না বাড়ানোর বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বাজেট সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে দিনব্যাপী বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠক সূত্র জানিয়েছে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, ব্যবসা-বাণিজ্যবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাজেট প্রণয়নের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ও ক্রয়ের ক্ষেত্রে স্থানীয় ঋণপত্র (এলসি) কমিশনের ওপর উৎস কর বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমানে ধান, ধানের কুড়া, চাল, গম, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, মটরশুঁটি, ছোলা, মসুর ডাল, আদা, হলুদ, শুকনা মরিচ, ভুট্টা, আটা, মোটা আটা, লবণ, চিনি, ভোজ্যতেল, কালো গোলমরিচ, দারুচিনি, বাদাম, লবঙ্গ, খেজুর ও ক্যাসিয়া পাতাসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে স্থানীয় ঋণপত্রের কমিশনের ওপর ০.৫০ শতাংশ হারে উৎস কর কার্যকর রয়েছে। নতুন প্রস্তাবে এই হার বাড়িয়ে ১ শতাংশ করার সুপারিশ করা হয়েছে। শুধু খাদ্যপণ্য নয়, কম্পিউটার ও কম্পিউটারের যন্ত্রাংশ এবং সব ধরনের ফল ক্রয়ের ক্ষেত্রেও একই হারে উৎস কর বৃদ্ধির প্রস্তাব রয়েছে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, এসব খাতে কর বাড়ানো হলে
বাজারে পণ্যমূল্যের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হতে পারে এবং এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত ভোক্তা পর্যায়ে গিয়ে পড়তে পারে। অন্যদিকে সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত করের চাপ না বাড়ানোর বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বাজেট সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে দিনব্যাপী বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠক সূত্র জানিয়েছে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, ব্যবসা-বাণিজ্যবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাজেট প্রণয়নের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।



