ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যেসব কারণে খালাস পেলেন ক্রিকেটার নাসির ও তার স্ত্রী তামিমা
বিশ্বকাপে প্রথম মুখোমুখি হতে পারেন মেসি-রোনালদো
বয়স, লিগ ও তারকার হিসাব-নিকাশে বিশ্বকাপের চিত্র যেমন
২১ বছর পর ওয়ানডে-তে অস্ট্রেলিয়া বধ
১৯৭০ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতিচারণ করলেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনো
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার সামনে টাইগাররা
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়
‘আবার বিশ্বকাপ জিতলে ইতিহাস হয়ে থাকবে’
কাতারে ছিল আর্জেন্টিনার দীর্ঘ ৩৬ বছরের বিশ্বকাপ খরা ঘোচানোর মিশন। এবার আলবিসেলেস্তেরা নামছে শিরোপা ধরে রাখার মিশনে। সেই লক্ষ্য পূরণ করে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ট্রফি উঁচিয়ে ইতিহাসের পাতায় নাম লেখাতে চান দলটির ফরোয়ার্ড হুলিয়ান আলভারেজ।
প্রায় সব দেশই ইতিমধ্যে নিজেদের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করে দিয়েছে। আর্জেন্টিনা অবশ্য এখনো সেই পথে হাঁটেনি। সব ঠিক থাকলে আগামী রোববার জানা যেতে পারে কোচ লিওনেল স্কালোনির চূড়ান্ত বিশ্বকাপ স্কোয়াড।
সেখানে আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগের অন্যতম প্রধান অস্ত্র হিসেবে আলভারেজের থাকাটা একপ্রকার নিশ্চিত। স্কোয়াড ঘোষণার আগে ফিফাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ লক্ষ্য, মানসিকতা ও প্রত্যাশা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন ২৬ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।
কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার
শিরোপা জয়ের অন্যতম কারিগর ছিলেন আলভারেজ। বিশেষ করে সেমিফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোলসহ পুরো টুর্নামেন্টে ৪ বার জালের ঠিকানা খুঁজে নিয়েছিলেন তিনি। এবারও দলগতভাবে সেই সাফল্যে পেতে মরিয়া এই তারকা। বিশ্বকাপের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে আলভারেজ বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার অনুভূতিটা সত্যিই অসাধারণ। এটা আমাকে ও আমাদের পুরো দলকে ভীষণ গর্বিত করে। অবশ্যই আমরা এবারও শিরোপা ধরে রাখতে চাই এবং আবারও আমাদের দেশের মানুষকে বাধভাঙা আনন্দে ভাসাতে চাই।’ আন্তর্জাতিক ফুটবলে আর্জেন্টিনার সাফল্যময় পথচলা শুরু হয়েছিল ২০২১ সাল থেকে। সে বছর মারাকানায় কোপা আমেরিকা জিতে আর্জেন্টিনা। এরপর ২০২২ সালে কাতারের ফিফা বিশ্বকাপ এবং ২০২৪ সালে আবারও কোপা আমেরিকার ট্রফি ঘরে
তোলে লিওনেল মেসির দল। এবার ২০২৬ সালেও বিশ্বজয়ের হ্যাটট্রিক মিশন সফল করে ইতিহাসের অংশ হতে চান আলভারেজ। তিনি বলেন, ‘যদি আমরা এবারও বিশ্বকাপ জিততে পারি, তাহলে সেটা বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এক অনন্য নজির হয়ে থাকবে। কারণ টানা দুইবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পাশাপাশি আমাদের নামের পাশে টানা দু’বার কোপা আমেরিকা জয়ের রেকর্ডও থাকবে।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘গত কয়েক বছর আমাদের দেশের ফুটবলের জন্য এক সোনালি সময় গেছে। আমরা চাই, বিশ্বের বুকে এমন আরও স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দিতে। যা পুরো আর্জেন্টাইন জাতিকে আনন্দে ভরিয়ে দেবে।’ আলভারেজ স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ফেবারিট বা ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নয়, আর্জেন্টিনা মাঠে নামবে কেবলই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ক্ষুধা নিয়ে। তিনি বলেন,
‘আর্জেন্টাইন হিসেবে বিশ্বকাপকে ঘিরে আমাদের আবেগ ও উত্তেজনাটা সবসময়ই আকাশচুম্বী থাকে। আমরা টুর্নামেন্টে নামিই চ্যাম্পিয়ন হতে, এবারও তার ব্যতিক্রম হওয়ার কোনো কারণ নেই।’ তবে বিশ্বজয়ের এই পথটা যে মসৃণ হবে না, তা ভালো করেই জানেন এই ফরোয়ার্ড। আলভারেজের ভাষ্য, ‘আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য ফাইনালে পৌঁছানো। তবে আমরা জানি, কাজটা মোটেও সহজ হবে না। প্রতিটি ম্যাচেই আমাদের সর্বোচ্চটা উজাড় করে দিতে হবে। বিশ্বমঞ্চে অনেক কিছুই হয়তো খুব সূক্ষ্ম ব্যবধানে নির্ধারিত হয়ে যায়। তবে আমরা নিজেদের সেরা উপায়ে প্রস্তুত করব এবং ধাপে ধাপে সামনের দিকে এগোতে চাই।’
শিরোপা জয়ের অন্যতম কারিগর ছিলেন আলভারেজ। বিশেষ করে সেমিফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোলসহ পুরো টুর্নামেন্টে ৪ বার জালের ঠিকানা খুঁজে নিয়েছিলেন তিনি। এবারও দলগতভাবে সেই সাফল্যে পেতে মরিয়া এই তারকা। বিশ্বকাপের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে আলভারেজ বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার অনুভূতিটা সত্যিই অসাধারণ। এটা আমাকে ও আমাদের পুরো দলকে ভীষণ গর্বিত করে। অবশ্যই আমরা এবারও শিরোপা ধরে রাখতে চাই এবং আবারও আমাদের দেশের মানুষকে বাধভাঙা আনন্দে ভাসাতে চাই।’ আন্তর্জাতিক ফুটবলে আর্জেন্টিনার সাফল্যময় পথচলা শুরু হয়েছিল ২০২১ সাল থেকে। সে বছর মারাকানায় কোপা আমেরিকা জিতে আর্জেন্টিনা। এরপর ২০২২ সালে কাতারের ফিফা বিশ্বকাপ এবং ২০২৪ সালে আবারও কোপা আমেরিকার ট্রফি ঘরে
তোলে লিওনেল মেসির দল। এবার ২০২৬ সালেও বিশ্বজয়ের হ্যাটট্রিক মিশন সফল করে ইতিহাসের অংশ হতে চান আলভারেজ। তিনি বলেন, ‘যদি আমরা এবারও বিশ্বকাপ জিততে পারি, তাহলে সেটা বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এক অনন্য নজির হয়ে থাকবে। কারণ টানা দুইবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পাশাপাশি আমাদের নামের পাশে টানা দু’বার কোপা আমেরিকা জয়ের রেকর্ডও থাকবে।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘গত কয়েক বছর আমাদের দেশের ফুটবলের জন্য এক সোনালি সময় গেছে। আমরা চাই, বিশ্বের বুকে এমন আরও স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দিতে। যা পুরো আর্জেন্টাইন জাতিকে আনন্দে ভরিয়ে দেবে।’ আলভারেজ স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ফেবারিট বা ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নয়, আর্জেন্টিনা মাঠে নামবে কেবলই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ক্ষুধা নিয়ে। তিনি বলেন,
‘আর্জেন্টাইন হিসেবে বিশ্বকাপকে ঘিরে আমাদের আবেগ ও উত্তেজনাটা সবসময়ই আকাশচুম্বী থাকে। আমরা টুর্নামেন্টে নামিই চ্যাম্পিয়ন হতে, এবারও তার ব্যতিক্রম হওয়ার কোনো কারণ নেই।’ তবে বিশ্বজয়ের এই পথটা যে মসৃণ হবে না, তা ভালো করেই জানেন এই ফরোয়ার্ড। আলভারেজের ভাষ্য, ‘আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য ফাইনালে পৌঁছানো। তবে আমরা জানি, কাজটা মোটেও সহজ হবে না। প্রতিটি ম্যাচেই আমাদের সর্বোচ্চটা উজাড় করে দিতে হবে। বিশ্বমঞ্চে অনেক কিছুই হয়তো খুব সূক্ষ্ম ব্যবধানে নির্ধারিত হয়ে যায়। তবে আমরা নিজেদের সেরা উপায়ে প্রস্তুত করব এবং ধাপে ধাপে সামনের দিকে এগোতে চাই।’



