ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আ.লীগের লিফলেট তৈরি, সাবেক মহিলা ইউপি সদস্যসহ গ্রেফতার ২
ছাত্রদলের দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে নিহত সনি: ২৪ বছরেও বিচার না হওয়ায় ক্ষোভ ছাত্রলীগের
গ্রামে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না: রুমিন ফারহানা
টঙ্গীতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
কুমিল্লায় ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, আটক ৪০
ধর্মীয় লেবাসে মহাপ্রতারণা: ৩ হাজার গ্রাহকের কোটি কোটি টাকা নিয়ে উধাও জামায়াত নেতা
আগ্রাবাদ শেখ মুজিব সড়কজুড়ে কাফনের কাপড় মাথায় বেঁধে যুবলীগের বিশাল মিছিল
আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী: দেশে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে, জনগণ জেগে উঠতে শুরু করেছে
আওয়ামী লীগ নেতা ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেছেন, দেশে বর্তমানে এক গভীর রাজনৈতিক, সামাজিক ও মানবিক সংকট বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা বৃদ্ধি এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আনোয়ারুজ্জামান বলেন, হামে আক্রান্ত হয়ে শিশুমৃত্যুর ঘটনা ঘটলেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। নারী ও কন্যাশিশুরা ধর্ষণ ও সহিংসতার শিকার হচ্ছে, অথচ বিচার ও নিরাপত্তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ।
একইসঙ্গে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে জনগণের মধ্যে চরম হতাশা ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে
বলেও তিনি উল্লেখ করেন। শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে প্রচারিত এক বক্তব্যে তিনি বলেন, বর্তমান বিএনপি সরকারের মাত্র ১০০ দিনের শাসনেই জনগণের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মানুষের অসন্তোষ প্রকাশ পাচ্ছে এবং সরকারবিরোধী জনমত ক্রমেই শক্তিশালী হচ্ছে। বক্তব্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের একটি মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সরকারবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিলে তাদের বাড়িঘরকে ‘টয়লেটে পরিণত করা হবে’—এ ধরনের বক্তব্য রাজনৈতিক শিষ্টাচার, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সভ্যতার পরিপন্থী। তার ভাষায়, এমন বক্তব্য কোনো দায়িত্বশীল রাজনৈতিক নেতার কাছ থেকে প্রত্যাশিত নয়। তিনি জানান, মনোনয়ন না পাওয়া এবং দলীয় নেতৃত্বের দৃষ্টি আকর্ষণের প্রয়াস থেকেই এ ধরনের বক্তব্য
আসতে পারে। একইসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ক্ষমতার পালাবদল একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এবং সাময়িক রাজনৈতিক সুবিধাকে স্থায়ী বাস্তবতা মনে করার সুযোগ নেই। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ঐতিহ্যের কথা উল্লেখ করে আনোয়ারুজ্জামান বলেন, এই দেশের জন্মের ইতিহাসের সঙ্গে আওয়ামী লীগের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত। অতীতে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী, সামরিক শাসক কিংবা বিভিন্ন দমনমূলক শক্তি আওয়ামী লীগকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। বর্তমান সময়েও ভয়ভীতি বা হুমকি প্রদর্শনের মাধ্যমে দলটিকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়া সম্ভব হবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি আরও অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের লাখো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং অসংখ্য নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী ও পেশাজীবীদেরও হয়রানির
শিকার হতে হচ্ছে। পুলিশ বাহিনীকে দুর্বল করে দেওয়া হয়েছে এবং পুলিশ হত্যার ঘটনাগুলোর বিচার হয়নি বলেও অভিযোগ তোলেন সাবেক এই মেয়র। সিলেটের রাজনৈতিক পরিবেশ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ৩৬০ আউলিয়ার পুণ্যভূমি সিলেট দীর্ঘদিন রাজনৈতিক সহাবস্থান ও সৌহার্দ্যের জন্য পরিচিত ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সেই পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বাড়িঘরে হামলা, অগ্নিসংযোগ, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান দখল এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এসব ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তার অভিযোগ, চাঁদাবাজি ও দখলবাণিজ্যের কারণে সিলেটবাসীর জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। তবে জনগণ এসব ঘটনা ভুলে যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। জনগণের শক্তিই শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় শক্তি
উল্লেখ করে আনোয়ারুজ্জামান বলেন, দেশের মানুষ জেগে উঠতে শুরু করেছে এবং গণমানুষকে সঙ্গে নিয়ে সকল দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করা হবে। বিএনপির নেতাদের উদ্দেশে তিনি সংযত ভাষা ব্যবহারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিদ্বেষ, হুমকি ও উসকানির রাজনীতি পরিহার করে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া প্রয়োজন। অন্যথায় জনগণই সময়মতো এর জবাব দেবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বলেও তিনি উল্লেখ করেন। শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে প্রচারিত এক বক্তব্যে তিনি বলেন, বর্তমান বিএনপি সরকারের মাত্র ১০০ দিনের শাসনেই জনগণের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মানুষের অসন্তোষ প্রকাশ পাচ্ছে এবং সরকারবিরোধী জনমত ক্রমেই শক্তিশালী হচ্ছে। বক্তব্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের একটি মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সরকারবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিলে তাদের বাড়িঘরকে ‘টয়লেটে পরিণত করা হবে’—এ ধরনের বক্তব্য রাজনৈতিক শিষ্টাচার, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সভ্যতার পরিপন্থী। তার ভাষায়, এমন বক্তব্য কোনো দায়িত্বশীল রাজনৈতিক নেতার কাছ থেকে প্রত্যাশিত নয়। তিনি জানান, মনোনয়ন না পাওয়া এবং দলীয় নেতৃত্বের দৃষ্টি আকর্ষণের প্রয়াস থেকেই এ ধরনের বক্তব্য
আসতে পারে। একইসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ক্ষমতার পালাবদল একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এবং সাময়িক রাজনৈতিক সুবিধাকে স্থায়ী বাস্তবতা মনে করার সুযোগ নেই। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ঐতিহ্যের কথা উল্লেখ করে আনোয়ারুজ্জামান বলেন, এই দেশের জন্মের ইতিহাসের সঙ্গে আওয়ামী লীগের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত। অতীতে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী, সামরিক শাসক কিংবা বিভিন্ন দমনমূলক শক্তি আওয়ামী লীগকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। বর্তমান সময়েও ভয়ভীতি বা হুমকি প্রদর্শনের মাধ্যমে দলটিকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়া সম্ভব হবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি আরও অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের লাখো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং অসংখ্য নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী ও পেশাজীবীদেরও হয়রানির
শিকার হতে হচ্ছে। পুলিশ বাহিনীকে দুর্বল করে দেওয়া হয়েছে এবং পুলিশ হত্যার ঘটনাগুলোর বিচার হয়নি বলেও অভিযোগ তোলেন সাবেক এই মেয়র। সিলেটের রাজনৈতিক পরিবেশ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ৩৬০ আউলিয়ার পুণ্যভূমি সিলেট দীর্ঘদিন রাজনৈতিক সহাবস্থান ও সৌহার্দ্যের জন্য পরিচিত ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সেই পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বাড়িঘরে হামলা, অগ্নিসংযোগ, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান দখল এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এসব ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তার অভিযোগ, চাঁদাবাজি ও দখলবাণিজ্যের কারণে সিলেটবাসীর জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। তবে জনগণ এসব ঘটনা ভুলে যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। জনগণের শক্তিই শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় শক্তি
উল্লেখ করে আনোয়ারুজ্জামান বলেন, দেশের মানুষ জেগে উঠতে শুরু করেছে এবং গণমানুষকে সঙ্গে নিয়ে সকল দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করা হবে। বিএনপির নেতাদের উদ্দেশে তিনি সংযত ভাষা ব্যবহারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিদ্বেষ, হুমকি ও উসকানির রাজনীতি পরিহার করে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া প্রয়োজন। অন্যথায় জনগণই সময়মতো এর জবাব দেবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।



