ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্রে ৬৪ মিলিয়ন মশা ছাড়ার পরিকল্পনা করছে গুগল
দ্বন্দ্ব নয়, মানবতাই হোক লক্ষ্য
হোয়াটসঅ্যাপে এলো মেটার এআই বিজনেস এজেন্ট: ব্যবহারে লাগবে ফি
যে কারণে খাঁটি স্বর্ণে মরিচা ধরে না
চালু হলো হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের পেইড ভার্সন, খরচ কত?
এনটিএমসি’র নতুন প্রযুক্তি: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকারবিরোধী পোস্টদাতা শনাক্ত সহজ করবে
স্মার্টফোন দীর্ঘদিন ব্যবহার করতে চান? এই পরামর্শগুলো মানুন
অ্যাপের মাধ্যমে পর্নো-জুয়ার আড়ালে বিপুল অর্থ পাচার
দেশে অ্যাপের মাধ্যমে চলছে পর্নোগ্রাফি আর জুয়া। তার আড়ালে দেশ থেকে পাচার হচ্ছে বিপুল পরিমাণ অর্থ। তবে কিভাবে-কোন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অর্থের লেনদেন ও পাচার হয় তা জানে না- দুই নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি ও বাংলাদেশ ব্যাংক। যেন সব দেখেও, দেখার কেউই নেই।
হাতে থাকা মোবাইল দিয়ে অ্যাপের মাধ্যমে পর্নোগ্রাফি আর জুয়া চলছে হরদম, এমনটা নতুন কিছু নয়। তবে সস্তায় রগরগে বিনোদন আর টাকার নেশার গল্পের পাশাপাশি এমন অ্যাপের মাধ্যমে বিদেশে টাকা পাচারের হচ্ছে, যা একুশের অনুসন্ধানে স্পষ্ট হয়েছে।
লেনদেন হচ্ছে সরাসরি মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল অ্যাপ দিয়ে। ডেটিং অ্যাপগুলোর টাকা যাচ্ছে দেশ-বিদেশ সবখানেই।
তবে কোন অ্যাপের মাধ্যমে, কোন দেশ হয়ে, কার পকেটে পাচার
হচ্ছে গ্রাহকের টাকা তা জানতে চাইলে প্রাথমিকভাবে বিটিআরসি আর আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক বাংলাদেশ ব্যাংক কোন উত্তর দেয়নি। তাই মোবাইল অ্যাপে পর্নোগ্রাফি ও জুয়া অনুসন্ধান করতে গিয়ে ২০ নভেম্বর তথ্য অধিকার আইনের মাধ্যমে, এ ধরণের একটি অ্যাপের ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিটিআরসির কাছে জানতে চায় একুশের টেলিভিশন। জবাব এসেছে প্রায় দেড় মাস পর। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে: যেহেতু অ্যাপটি তাদের থেকে কোন অনুমোদন নেয়নি। তাই এ সংক্রান্ত কোন তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে নেই। এদিকে, বিটিআরসি চিঠির উত্তর দেয় দ্রুতই। তবে তাতে নেই কোন তথ্য। বরং প্রতিষ্ঠাটি জানিয়েছে, এমন কোন অ্যাপের অনুমোদন তারা দেন না, তাই তথ্য সরবরাহ সম্ভব না। বিটিআরসির ঊর্ধ্বতন কোন কর্মকর্তার
সাক্ষাৎকার পাওয়া যায়নি। গণসংযোগ কর্মকর্তা বিটিআরসির বদলে আইসিটি বিভাগে যোগাযোগের পরামর্শ দেন। এদিকে, সাইবার দুনিয়ায় বাংলাদেশের অপরাধের বিষয়টি দেখভাল করছে সিআইডি। তারা বলছে, সব সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এ চক্রকের মূল উদপাটন সম্ভব নয়। সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বিটিআরসির পক্ষে এসব আর্থিক লেনদেনের আদ্যপান্ত খুঁজে বের করা কোন বিষয়ই না। সবাই জানে অনলাইন জুয়া ও পর্নোগ্রাফির আড়ালে অর্থপাচারের ঘটনা। কিন্তু আদতে বছরে কি পরিমাণ অর্থ পাচার হচ্ছে সেই পরিসংখ্যান সরকার-বেসরকারি কোন পর্যায়েই পাওয়া যায় না।
হচ্ছে গ্রাহকের টাকা তা জানতে চাইলে প্রাথমিকভাবে বিটিআরসি আর আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক বাংলাদেশ ব্যাংক কোন উত্তর দেয়নি। তাই মোবাইল অ্যাপে পর্নোগ্রাফি ও জুয়া অনুসন্ধান করতে গিয়ে ২০ নভেম্বর তথ্য অধিকার আইনের মাধ্যমে, এ ধরণের একটি অ্যাপের ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিটিআরসির কাছে জানতে চায় একুশের টেলিভিশন। জবাব এসেছে প্রায় দেড় মাস পর। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে: যেহেতু অ্যাপটি তাদের থেকে কোন অনুমোদন নেয়নি। তাই এ সংক্রান্ত কোন তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে নেই। এদিকে, বিটিআরসি চিঠির উত্তর দেয় দ্রুতই। তবে তাতে নেই কোন তথ্য। বরং প্রতিষ্ঠাটি জানিয়েছে, এমন কোন অ্যাপের অনুমোদন তারা দেন না, তাই তথ্য সরবরাহ সম্ভব না। বিটিআরসির ঊর্ধ্বতন কোন কর্মকর্তার
সাক্ষাৎকার পাওয়া যায়নি। গণসংযোগ কর্মকর্তা বিটিআরসির বদলে আইসিটি বিভাগে যোগাযোগের পরামর্শ দেন। এদিকে, সাইবার দুনিয়ায় বাংলাদেশের অপরাধের বিষয়টি দেখভাল করছে সিআইডি। তারা বলছে, সব সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এ চক্রকের মূল উদপাটন সম্ভব নয়। সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বিটিআরসির পক্ষে এসব আর্থিক লেনদেনের আদ্যপান্ত খুঁজে বের করা কোন বিষয়ই না। সবাই জানে অনলাইন জুয়া ও পর্নোগ্রাফির আড়ালে অর্থপাচারের ঘটনা। কিন্তু আদতে বছরে কি পরিমাণ অর্থ পাচার হচ্ছে সেই পরিসংখ্যান সরকার-বেসরকারি কোন পর্যায়েই পাওয়া যায় না।



