ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সেবার মান, ইন্টারনেটের ধীরগতি ও ভ্যাস নিয়ে অভিযোগ বেশি
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য নতুন যে উদ্যোগ নিল ফেসবুক
১ বিলিয়ন ব্যবহারকারীর মাইলফলক স্পর্শ করলো জেমিনি অ্যাপ
শিক্ষার্থীর জন্য স্কিলস টু সাকসেস
অনুমতি ছাড়া কারও ছবি তোলা কি অপরাধ?
আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগেই গুগল পিক্সেল ১১ সিরিজের দামের তথ্য ফাঁস
৮৩% জেন-জি কনটেন্ট তৈরি করছে
১৬ বছরের আগে ফেসবুক-টিকটক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ
শিশু ও কিশোরদের ১৬ বছর বয়স পর্যন্ত ফেসবুক, টিকটকসহ যেকোনো ধরনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ এবং এসব প্ল্যাটফর্মের অপব্যবহার রোধে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) লিগ্যাল ভয়েস ফাউন্ডেশনের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সানাউল্লাহ নূরী এ নোটিশ পাঠান।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সচিব এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-কে নোটিশের অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়েছে, ১৫ দিনের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপর কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা ও অপব্যবহার রোধে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ না নিলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ, টিকটক, স্ন্যাপচ্যাট ও ইউটিউবসহ বিভিন্ন
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহার শিশু-কিশোরদের মধ্যে উদ্বেগজনকভাবে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এতে বলা হয়, এসব প্ল্যাটফর্মের অতিরিক্ত ব্যবহার ও অপব্যবহারের কারণে শিশু-কিশোরদের মধ্যে আসক্তি বাড়ছে, তারা খেলাধুলা ও পড়াশোনায় অমনোযোগী হয়ে পড়ছে এবং শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে। নোটিশে আরও বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ভুয়া তথ্য, প্রোপাগান্ডা এবং পর্নোগ্রাফির সহজলভ্যতা শিশু-কিশোরদের মানসিক বিকাশ ও মূল্যবোধের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এ ছাড়া ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের অপব্যবহারের কারণে শিশু-কিশোরদের মধ্যে অপরাধপ্রবণতা, অনলাইন গেমে আসক্তি এবং দলবদ্ধ অপরাধে জড়িয়ে পড়ার প্রবণতাও বাড়ছে বলে উল্লেখ করা হয়। নোটিশে দাবি করা হয়েছে, দেশের অধিকাংশ অভিভাবকের ডিজিটাল মাধ্যম সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা না থাকায় তারা সন্তানদের অনলাইন কার্যক্রম কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না।
ফলে শিশু-কিশোরদের নিরাপত্তা ও মানসিক বিকাশ রক্ষায় সরকারকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহার শিশু-কিশোরদের মধ্যে উদ্বেগজনকভাবে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এতে বলা হয়, এসব প্ল্যাটফর্মের অতিরিক্ত ব্যবহার ও অপব্যবহারের কারণে শিশু-কিশোরদের মধ্যে আসক্তি বাড়ছে, তারা খেলাধুলা ও পড়াশোনায় অমনোযোগী হয়ে পড়ছে এবং শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে। নোটিশে আরও বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ভুয়া তথ্য, প্রোপাগান্ডা এবং পর্নোগ্রাফির সহজলভ্যতা শিশু-কিশোরদের মানসিক বিকাশ ও মূল্যবোধের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এ ছাড়া ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের অপব্যবহারের কারণে শিশু-কিশোরদের মধ্যে অপরাধপ্রবণতা, অনলাইন গেমে আসক্তি এবং দলবদ্ধ অপরাধে জড়িয়ে পড়ার প্রবণতাও বাড়ছে বলে উল্লেখ করা হয়। নোটিশে দাবি করা হয়েছে, দেশের অধিকাংশ অভিভাবকের ডিজিটাল মাধ্যম সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা না থাকায় তারা সন্তানদের অনলাইন কার্যক্রম কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না।
ফলে শিশু-কিশোরদের নিরাপত্তা ও মানসিক বিকাশ রক্ষায় সরকারকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।



