ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আওয়ামী লীগ সরকারের জনবান্ধব কমিউনিটি ক্লিনিক: ওষুধ সংকটে সেবা বঞ্চিত তৃণমূলের দরিদ্র মানুষ
ধর্মকার্ড খেলে মামলা খেলেন ইসলামী বক্তা থেকে সংসদ সদস্য বনে যাওয়া আমির হামজা
আমির হামজাকে ‘পাগলা গারদে’ ভর্তির দাবি
রুমিন ফারহানা: আমার এলাকায় ওয়াজ যেমন হবে, কীর্তন-বাউল গানও হবে
দল থেকে বহিষ্কার নিয়ে মুখ খুললেন রুমিন ফারহানা
১৭ বছর লড়াইয়ের পরও কেন বহিষ্কার, মুখ খুললেন রুমিন ফারহানা
আ.লীগ ছাড়া সংসদ, যা বললেন রুমিন ফারহানা
অর্থ জালিয়াতির মামলায় গ্রেপ্তার এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ
পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক সাংবাদিক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে অর্থ জালিয়াতি ও চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১টার দিকে পাবনার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রাম থেকে তাকে কামালপুর ফাঁড়ি পুলিশ গ্রেপ্তার করে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করে।
পরে থানা পুলিশ ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করে।
যদিও এনসিপি দাবি করেছে, তাকে ফাঁসাতে পুরানো মামলায় বিএনপি গ্রেপ্তার করিয়েছে।
এনসিপির যুব সংগঠন জাতীয় যুবশক্তির যুগ্ম আহ্বায়ক ও প্রেস উইংয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মিডিয়া বিষয়ক উপকমিটিরও দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। কর্মরত আছেন দৈনিক আমার দেশ
পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক হিসেবেও। পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালের জামালপুর জেলার এক ব্যক্তির চেক ডিজঅনারের মামলায় এক মাসের সাজাপ্রাপ্ত ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ড মামলার আসামি ছিলেন তিনি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণভোটের অ্যাম্বাসেডর হয়ে প্রচারণায় আসছিলেন নিজ এলাকায়। নির্বাচন শেষ হলেও তিনি বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন। শুক্রবার রাতে কামালপুর ফাঁড়ির পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় সোপর্দ করে। পরে থানা পুলিশ ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করে। তবে আসাদের পরিবার জানায়, নির্বাচনের পরদিন (শুক্রবার) রাতে স্থানীয় ছাত্রদল ও বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের বাসায় গিয়ে আসাদ ও তার বাবার গায়ে রং মাখিয়ে দেয়। এর প্রতিবাদ করলে ছাত্রদল এবং বিএনপির নেতাকর্মীরা আসাদের ওপর আক্রমণ করে। এরপর পুরোনো মামলায়
তাকে হেনস্তা করার উদ্দেশ্য পুলিশ ডেকে গ্রেপ্তার করায়। আসাদুল্লাহর স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, শুক্রবার গভীর রাতে তাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। পারিবারিক ষড়যন্ত্রমূলক ও হয়রানিমূলক একটি মামলা দেখিয়ে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এত রাতে বাড়ি থেকে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় আমরা বিস্মিত হয়েছি। দ্রুত মুক্তির দাবি জানাচ্ছি। সুজানগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মজিবর রহমান জানান, ২০২৪ সালের একটি অর্থঋণ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি ওই মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। গোপন সংবাদ পেয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক হিসেবেও। পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালের জামালপুর জেলার এক ব্যক্তির চেক ডিজঅনারের মামলায় এক মাসের সাজাপ্রাপ্ত ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ড মামলার আসামি ছিলেন তিনি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণভোটের অ্যাম্বাসেডর হয়ে প্রচারণায় আসছিলেন নিজ এলাকায়। নির্বাচন শেষ হলেও তিনি বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন। শুক্রবার রাতে কামালপুর ফাঁড়ির পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় সোপর্দ করে। পরে থানা পুলিশ ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করে। তবে আসাদের পরিবার জানায়, নির্বাচনের পরদিন (শুক্রবার) রাতে স্থানীয় ছাত্রদল ও বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের বাসায় গিয়ে আসাদ ও তার বাবার গায়ে রং মাখিয়ে দেয়। এর প্রতিবাদ করলে ছাত্রদল এবং বিএনপির নেতাকর্মীরা আসাদের ওপর আক্রমণ করে। এরপর পুরোনো মামলায়
তাকে হেনস্তা করার উদ্দেশ্য পুলিশ ডেকে গ্রেপ্তার করায়। আসাদুল্লাহর স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, শুক্রবার গভীর রাতে তাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। পারিবারিক ষড়যন্ত্রমূলক ও হয়রানিমূলক একটি মামলা দেখিয়ে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এত রাতে বাড়ি থেকে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় আমরা বিস্মিত হয়েছি। দ্রুত মুক্তির দাবি জানাচ্ছি। সুজানগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মজিবর রহমান জানান, ২০২৪ সালের একটি অর্থঋণ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি ওই মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। গোপন সংবাদ পেয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।



