ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ফটোসাংবাদিকের ওপর বিরক্ত তারা সুতারিয়া, যে পদক্ষেপ নিলেন অভিনেত্রী
বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় সব ধরনের সহায়তা দেবে মিলান কনস্যুলেট
শাড়িকাণ্ডে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পায়নি পিবিআই
আত্মপ্রকাশ করছে বাংলাদেশ ফিল্ম সোসাইটিজ ফেডারেশন
দ্বাদশ শ্রেণি পার না হওয়ার আক্ষেপ, ভবিষ্যৎ নিয়ে সতর্ক কারিনা
শুধু জনপ্রিয়তা তার পরিচয়ের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা নয়: জয়া
এক সিনেমাতে ভাগ্যের চাকা খুলেছে এই অভিনেত্রীর
অভিনেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ, বরখাস্ত হলেন পরিচালক অরিন্দম
আরজি করের ঘটনা নিয়ে ভারতের কলকাতায় আন্দোলন চলছেই। এর মাঝেই ফাঁস হলো নতুন খবর। এবার সামনে এলো টলিউডের জনপ্রিয় পরিচালক অরিন্দম শীলের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ। এবার ডিরেক্টর্স গিল্ড থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে তাকে। ইতোমধ্যেই তাকে নোটিস পাঠিয়েছে ডিরেক্টর্স গিল্ড।
পরিচালক সংগঠনের চিঠিতে বলা হয়েছে, আপনার বিরুদ্ধে করা কিছু অভিযোগের কারণে আমাদের কাছে প্রাথমিক প্রমাণ রয়েছে, যা গভীর উদ্বেগের বিষয় এবং সমগ্র সংস্থার জন্য ক্ষতিকর। তাই ডিরেক্টর্স গিল্ড আপনাকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সদস্যপদ থেকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একইসঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে যতদিন পর্যন্ত না এই অভিযোগগুলো প্রমাণ হবে, ততদিনের জন্য তার সদস্য পদ বাতিল থাকবে।
এই প্রসঙ্গে অরিন্দম শীল বলেন, আমাকে বলা
হয়েছে শট বোঝাতে গিয়ে আমি মিসহ্যান্ডেল করেছি। ফ্লোরে সকলে ছিল। সাহেব চট্টোপাধ্যায়ও ছিল। স্টিল ফটোগ্রাফার থেকে শুরু করে আরও অনেকে। মহিলা কমিশনের কাছে সবটা জানিয়েছি। গিল্ড আমার কাছে কিচ্ছু জানতে চায়নি। পরিচালক সুদেষ্ণা রায়ের কথায়, তিনি নিশ্চয়ই ক্ষমা চেয়েছেন। কিন্তু, যার সঙ্গে ঘটেছে সে কী ক্ষমা করেছেন? নো মিনস নো। সে যখন না বলেছে তখন তো সেটা শোনা উচিত ছিল। মহিলা কমিশন থেকে আমরা বেশকিছু তথ্যও পেয়েছি। মেয়েটি বিষয়টি দেখেছেন। মেয়েটি যদি ক্ষমা করে দেয়, তাহলে নিশ্চয়ই ভেবে দেখব। একটা মেয়ে যখন কোনো অভিযোগ আনে তখন তার ভিতরে কী চলতে থাকে ভাবতে হবে। মেয়েটির থেকে কী অনুমতি নিয়েছিলেন? পরিচালক বলে যা
ইচ্ছে সেটাই করতে পারি না। আমিও অনেক বছর পরিচালনা করছি। তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
হয়েছে শট বোঝাতে গিয়ে আমি মিসহ্যান্ডেল করেছি। ফ্লোরে সকলে ছিল। সাহেব চট্টোপাধ্যায়ও ছিল। স্টিল ফটোগ্রাফার থেকে শুরু করে আরও অনেকে। মহিলা কমিশনের কাছে সবটা জানিয়েছি। গিল্ড আমার কাছে কিচ্ছু জানতে চায়নি। পরিচালক সুদেষ্ণা রায়ের কথায়, তিনি নিশ্চয়ই ক্ষমা চেয়েছেন। কিন্তু, যার সঙ্গে ঘটেছে সে কী ক্ষমা করেছেন? নো মিনস নো। সে যখন না বলেছে তখন তো সেটা শোনা উচিত ছিল। মহিলা কমিশন থেকে আমরা বেশকিছু তথ্যও পেয়েছি। মেয়েটি বিষয়টি দেখেছেন। মেয়েটি যদি ক্ষমা করে দেয়, তাহলে নিশ্চয়ই ভেবে দেখব। একটা মেয়ে যখন কোনো অভিযোগ আনে তখন তার ভিতরে কী চলতে থাকে ভাবতে হবে। মেয়েটির থেকে কী অনুমতি নিয়েছিলেন? পরিচালক বলে যা
ইচ্ছে সেটাই করতে পারি না। আমিও অনেক বছর পরিচালনা করছি। তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস



