ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বেতন ৪৯ হাজার টাকা, নিজের ও স্ত্রীর নামে গড়েছেন অর্ধশত কোটি টাকার সম্পদের পাহাড়
রাষ্ট্রপতি: হাজারো প্রাণের বিনিময়ে আবার গণতন্ত্রের ধারায় ফিরে এসেছে বাংলাদেশ
বাধা ও শর্ত উপেক্ষা করেই জোয়াহেরুল ইসলামের জানাজায় মানুষের ঢল
আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা
নেতাকর্মীদের মুক্তি না দিলে প্রত্যক্ষ আন্দোলনের হুঁশিয়ারি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের
‘২৩ লক্ষ কোটি টাকার ঋণের বোঝা, ৫০ লাখ মানুষকে আড়াই হাজার টাকা দেবেন কোথা থেকে?’— সরকারকে রনির প্রশ্ন
কারাবন্দি সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন আবেদন শুনানির জন্য হাইকোর্টের কার্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত
সেন্টমার্টিন থেকে ৪০ জেলেকে ধরে নিয়ে গেল আরাকান আর্মি
কক্সবাজারের টেকনাফ মিয়ানমার সীমান্তে সেন্ট মার্টিনের কাছে সাগর থেকে পাঁচটি মাছ ধরার ট্রলারসহ আরও অন্তত ৪০ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি।
বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে দ্বীপের নিকটবর্তী দক্ষিণ-পূর্ব সাগর থেকে তাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানিয়েছেন টেকনাফ পৌর বোট মালিক সমিতির সভাপতি সাজেদ আহমেদ।
এদিকে মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির ওয়েবসাইটে সাগর থেকে ধরে নিয়ে যাওয়া বাংলাদেশি জেলেদের একটি ছবি প্রকাশ করা হয়েছে।
সাজেদ আহমেদ বলেন, ট্রলারগুলোর মধ্যে তিনটির মালিক টেকনাফ পৌর এলাকার বাসিন্দা এবং দুটির মালিক শাহপরীরদ্বীপের বাসিন্দা। তবে ধরে নিয়ে যাওয়া জেলেদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।
ঘটনাস্থলের আশপাশে থাকা ট্রলারের জেলেদের বরাতে সাজেদ বলেন, বিকালে দক্ষিণ-পূর্ব সাগরে ২০
থেকে ৩০টি ট্রলারে করে জেলেরা মাছ ধরছিলেন। এ সময় আরাকান আর্মির সদস্যরা দুটি স্পিডবোট এসে অস্ত্রের মুখে পাঁচটি ট্রলারসহ অন্তত ৪০ জেলেকে ধরে নিয়ে যান। বোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম বলেন, ‘ঘটনাটি শোনার পর বিজিবি, কোস্ট গার্ড ও প্রশাসনের সংশ্লিষ্টদের জানানো হয়েছে। তবে ধরে নিয়ে যাওয়া জেলেদের সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত নই।’ স্থানীয়দের মাধ্যমে জেলেদের ধরে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়ার কথা জানিয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দিন বলেন, ঘটনাটির বিষয়ে বিস্তারিত জানতে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এর আগে ৫ অগাস্ট থেকে ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত ১৩টি ট্রলারসহ ৮১ জনকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি। যাদের খবর এখনও জানেন না স্বজনরা। এ
নিয়ে গত বছরের ডিসেম্বর থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে আরাকান আর্মি ৩২৫ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে। এর মধ্যে বিজিবির চেষ্টায় কয়েক দফায় ১৮৯ জেলে এবং ২৭টি নৌযান ফেরত আনা হয়েছে।
থেকে ৩০টি ট্রলারে করে জেলেরা মাছ ধরছিলেন। এ সময় আরাকান আর্মির সদস্যরা দুটি স্পিডবোট এসে অস্ত্রের মুখে পাঁচটি ট্রলারসহ অন্তত ৪০ জেলেকে ধরে নিয়ে যান। বোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম বলেন, ‘ঘটনাটি শোনার পর বিজিবি, কোস্ট গার্ড ও প্রশাসনের সংশ্লিষ্টদের জানানো হয়েছে। তবে ধরে নিয়ে যাওয়া জেলেদের সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত নই।’ স্থানীয়দের মাধ্যমে জেলেদের ধরে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়ার কথা জানিয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দিন বলেন, ঘটনাটির বিষয়ে বিস্তারিত জানতে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এর আগে ৫ অগাস্ট থেকে ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত ১৩টি ট্রলারসহ ৮১ জনকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি। যাদের খবর এখনও জানেন না স্বজনরা। এ
নিয়ে গত বছরের ডিসেম্বর থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে আরাকান আর্মি ৩২৫ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে। এর মধ্যে বিজিবির চেষ্টায় কয়েক দফায় ১৮৯ জেলে এবং ২৭টি নৌযান ফেরত আনা হয়েছে।



