ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গুপ্ত হামলার ছক: ড্রোন-অস্ত্রসহ নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ‘আকসা’র চার সদস্য গ্রেপ্তার
জ্বালানী নিরাপত্তাঃ শেখ হাসিনার এনার্জি ডিপ্লোম্যাসি বনাম ইউনুস-তারেকের উচ্চমূল্যের বিদেশী স্বার্থরক্ষা চুক্তি
রূপপুর পাওয়ার প্ল্যান্ট নিয়ে সংসদের বিরোধীদল এনসিপির অপতথ্য ও মিথ্যার ফ্লাডিং: জুলাই এর মতো গুজব ছড়িয়ে জনমানুষকে ধোঁকা দেয়ার চেষ্টা
এবার ঢাকায় ভারতীয় কাশ্মীরি নাগরিকের অস্বাভাবিক মৃত্যু: সন্দেহজনক ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে সর্বহারাদের পুনরুত্থান: আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দুর্বলতার সুযোগ নিচ্ছে চরমপন্থীরা
রুপপুরে নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্রে ফুয়েল লোড: ইউরেনিয়াম দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে খরচ কেমন হতে পারে?
পশ্চিম পাকিস্তানের বৈষম্যে বাতিল হয়েছিল রূপপুর: বিরোধীদের সকল বাধা উপেক্ষা করে বঞ্চিত বাংলাদেশের ৬৫ বছরের স্বপ্ন পূরণের দ্বারপ্রান্তে
সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাঁধাতে এনসিপি নেতার পরামর্শে নাটক সাজান মুফতি মহিব্বুল্লাহ
সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা উসকে দিতে ও রাজনৈতিকভাবে ফায়দা নিতে মুফতি মহিব্বুল্লাহর “অপহরণের নাটক” সাজানোর পিছনে রয়েছে এনসিপি নেতা আতাউর রহমান বিক্রমপুরী । সাম্প্রতিক সময়ে মুফতি মহিব্বুল্লাহর রহস্যজনক নিখোঁজ ও পুনরাবির্ভাবের ঘটনার পিছনে রয়েছে ইসকন ও হিন্দুদের বিরুদ্ধে প্লট সাজিয়ে দেশে সাম্প্রদায়িকতার বিস্তার।
কিন্তু ফোন রেকর্ড, সিসিটিভি ফুটেজ এবং সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনায় দেখা যায়, তিনি নিজে নিজেই গাজীপুর থেকে পঞ্চগড় যান এবং নিজেই নিজের অপহরণ নাটক সাজান। তদন্ত কর্মকর্তারা বলছেন, মহিব্বুল্লাহর লক্ষ্য ছিল একটি মিথ্যা অপহরণের ঘটনা সাজিয়ে জনগণের সহানুভূতি পাওয়া এবং একই সঙ্গে দেশের ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে বিভাজন তৈরি করা।
এর আগে পুলিশের এন্টি টেররিজম ইউনিটের (এটিইউ) তদন্তে উঠে এসেছে, মুফতি মহিব্বুল্লাহর ঘনিষ্ঠজন আতাউর
রহমান বিক্রমপুরী নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। তিনি ঝিকরগাছার হাজিরবাগ ইন্তা মারকাজুল হুনাফা আল মুসলিমিন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এবং মূলত মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ির আমতলী গ্রামের বাসিন্দা। ২০২০ সালের ২৩ মার্চ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ হাজিরবাগ মাদ্রাসায় অভিযান চালায়। সেখানে আতাউর রহমান বিক্রমপুরী ও গোপালগঞ্জের মোজাহিদুল ইসলাম ওরফে সাইফুদ্দিনকে আটক করা হয়। অভিযানে বিভিন্ন জিহাদি বই, উগ্রপন্থী লিফলেট ও অনলাইন প্রচারণার উপকরণ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ঝিকরগাছা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়, যার তদন্তভার পরে নেয় এটিইউ। অপহরণের নাটক ও সাম্প্রদায়িক পরিকল্পনা অনুসন্ধানে জানা যায়, গত মাসে মুফতি মহিব্বুল্লাহর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাটি ছিল একটি পরিকল্পিত নাটক। তিনি নিজের সহযোগীদের সহায়তায় আত্মগোপনে
যান এবং কয়েক দিন পর নাটকীয়ভাবে ফিরে এসে দাবি করেন যে তাঁকে “সরকারি গোয়েন্দারা অপহরণ” করেছিল। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ও প্ররোচনার কৌশল তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, মহিব্বুল্লাহ ও তাঁর ঘনিষ্ঠরা সাম্প্রতিক সময় রাজনৈতিক মঞ্চে পুনঃপ্রবেশের চেষ্টা করছিলেন। এনসিপির কিছু স্থানীয় নেতা তাঁকে সাম্প্রদায়িক ইস্যু ব্যবহার করে ‘ধর্মীয় নেতার ভাবমূর্তি’ তৈরির পরামর্শ দেন। সেই পরামর্শ অনুযায়ী তিনি প্রথমে একটি গোষ্ঠীকে কেন্দ্র করে অভিযোগ তৈরি করেন, পরে নিজেকে সেই ষড়যন্ত্রের “ভিকটিম” হিসেবে উপস্থাপন করেন। গাজীপুরের একটি গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, মুফতি মহিব্বুল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন অন্তত তিনজন সাবেক আনসারুল্লাহ সদস্য। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “এটি একটি পরিকল্পিত প্রচেষ্টা। প্রথম ধাপে অপহরণের
নাটক, পরের ধাপে ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে বিভেদ। এই প্রবণতা বন্ধ না হলে ভবিষ্যতে তা ভয়াবহ আকার নিতে পারে।” এটিইউ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, “তদন্তে স্পষ্ট হয়েছে, মহিব্বুল্লাহর এই পদক্ষেপ শুধু রাজনৈতিক ছিল না; এতে উগ্রপন্থী উপাদান যুক্ত হয়েছিল, যারা ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে সংঘর্ষ সৃষ্টি করতে চেয়েছিল।”
রহমান বিক্রমপুরী নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। তিনি ঝিকরগাছার হাজিরবাগ ইন্তা মারকাজুল হুনাফা আল মুসলিমিন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এবং মূলত মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ির আমতলী গ্রামের বাসিন্দা। ২০২০ সালের ২৩ মার্চ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ হাজিরবাগ মাদ্রাসায় অভিযান চালায়। সেখানে আতাউর রহমান বিক্রমপুরী ও গোপালগঞ্জের মোজাহিদুল ইসলাম ওরফে সাইফুদ্দিনকে আটক করা হয়। অভিযানে বিভিন্ন জিহাদি বই, উগ্রপন্থী লিফলেট ও অনলাইন প্রচারণার উপকরণ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ঝিকরগাছা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়, যার তদন্তভার পরে নেয় এটিইউ। অপহরণের নাটক ও সাম্প্রদায়িক পরিকল্পনা অনুসন্ধানে জানা যায়, গত মাসে মুফতি মহিব্বুল্লাহর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাটি ছিল একটি পরিকল্পিত নাটক। তিনি নিজের সহযোগীদের সহায়তায় আত্মগোপনে
যান এবং কয়েক দিন পর নাটকীয়ভাবে ফিরে এসে দাবি করেন যে তাঁকে “সরকারি গোয়েন্দারা অপহরণ” করেছিল। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ও প্ররোচনার কৌশল তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, মহিব্বুল্লাহ ও তাঁর ঘনিষ্ঠরা সাম্প্রতিক সময় রাজনৈতিক মঞ্চে পুনঃপ্রবেশের চেষ্টা করছিলেন। এনসিপির কিছু স্থানীয় নেতা তাঁকে সাম্প্রদায়িক ইস্যু ব্যবহার করে ‘ধর্মীয় নেতার ভাবমূর্তি’ তৈরির পরামর্শ দেন। সেই পরামর্শ অনুযায়ী তিনি প্রথমে একটি গোষ্ঠীকে কেন্দ্র করে অভিযোগ তৈরি করেন, পরে নিজেকে সেই ষড়যন্ত্রের “ভিকটিম” হিসেবে উপস্থাপন করেন। গাজীপুরের একটি গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, মুফতি মহিব্বুল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন অন্তত তিনজন সাবেক আনসারুল্লাহ সদস্য। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “এটি একটি পরিকল্পিত প্রচেষ্টা। প্রথম ধাপে অপহরণের
নাটক, পরের ধাপে ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে বিভেদ। এই প্রবণতা বন্ধ না হলে ভবিষ্যতে তা ভয়াবহ আকার নিতে পারে।” এটিইউ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, “তদন্তে স্পষ্ট হয়েছে, মহিব্বুল্লাহর এই পদক্ষেপ শুধু রাজনৈতিক ছিল না; এতে উগ্রপন্থী উপাদান যুক্ত হয়েছিল, যারা ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে সংঘর্ষ সৃষ্টি করতে চেয়েছিল।”



