ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গৃহকর্মী থেকে প্রতিমন্ত্রী হয়ে কলিতা মাঝি পেলেন গৃহায়ণ মন্ত্রণালয়
মমতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাওয়া সায়নী ঘোষ এবার বিদ্রোহী শিবিরে
ট্রাম্পের মুখে ইরানের সঙ্গে চুক্তির আভাস, কমল তেলের দাম
ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির আভাস মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের
ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করতে সহায়তা করে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বদলে গেল মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সমীকরণ, কীভাবে?
বিশ্লেষণ।। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র ট্রেড ডিল: কার স্বার্থে, কার বিনিময়ে?
হরমুজ প্রণালিতে ইরানকে টোল দিতে চায় না মধ্যপ্রাচ্যের ৬ দেশ
আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি ব্যবহারের জন্য ইরানের আরোপিত টোল বা ফি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের ছয়টি উপসাগরীয় দেশ। দেশগুলো হলো সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন এবং ওমান।
এই দেশগুলো আঞ্চলিক জোট গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিল (জিসিসি)-এর সদস্য। মঙ্গলবার সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত জিসিসির বৈঠক শেষে এক বিবৃতিতে সংস্থাটির মহাসচিব জাসেম মোহামেদ আলবুদাইউই এ অবস্থান তুলে ধরেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী জাহাজের ওপর ইরানের টোল আরোপ ‘অবৈধ’। জিসিসি স্পষ্টভাবে জানায়, সদস্য রাষ্ট্রগুলো এ ধরনের পদক্ষেপ সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করছে এবং আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের স্বাধীনতা বজায় রাখার আহ্বান জানায়।
আরব সাগর ও পারস্য উপসাগরকে সংযুক্তকারী প্রায় ১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ হরমুজ প্রণালি
বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট। বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে হয়ে থাকে, ফলে এর নিরাপত্তা আন্তর্জাতিক অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা শুরু হওয়ার পর এক পর্যায়ে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করে তেহরান। পরে ইরান জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট জাহাজ দেখলেই হামলা চালানো হবে। পরবর্তীতে নতুন শর্ত আরোপ করে ইরান জানায়, বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল করতে পারবে, তবে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের অনুমতি নিতে হবে এবং প্রতি ব্যারেল তেলের জন্য ১ ডলার হারে টোল দিতে হবে। সূত্র: দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল
বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট। বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে হয়ে থাকে, ফলে এর নিরাপত্তা আন্তর্জাতিক অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা শুরু হওয়ার পর এক পর্যায়ে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করে তেহরান। পরে ইরান জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট জাহাজ দেখলেই হামলা চালানো হবে। পরবর্তীতে নতুন শর্ত আরোপ করে ইরান জানায়, বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল করতে পারবে, তবে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের অনুমতি নিতে হবে এবং প্রতি ব্যারেল তেলের জন্য ১ ডলার হারে টোল দিতে হবে। সূত্র: দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল



