ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিশ্বকাপে রেকর্ড ষষ্ঠবার রোনালদো, পর্তুগাল দলে আছেন যারা
পাকিস্তানের বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার পথে বাংলাদেশ
দুইবার চুরি হয়েছিল বিশ্বকাপ ট্রফি, কিন্তু কীভাবে?
মুশফিকের সেঞ্চুরি, পাকিস্তানকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিল বাংলাদেশ
মুমিনুলের রেকর্ড ভাঙলেন মুশফিক
আইপিএলে কোহলির নতুন রেকর্ড
ফাইনালে হেরে রুপার পদক নিতে গেলেন না রোনালদো
শেষ ৪৫ মিনিটের জন্য তোলা রইল সব রোমাঞ্চ
সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা ধরে রাখতে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ দল। ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ নেপাল। কাঠমান্ডুতে দুই দলের মধ্যকার ফাইনালের প্রথমার্ধে দুই দলের কেউই গোলের দেখা পায়নি।
কাঠমান্ডুর দশরথ স্টেডিয়ামে গ্যালারি ভর্তি দর্শকের সামনে প্রথমার্ধে বাংলাদেশ এবং নেপাল সমানতালে লড়াই করেছে। নেপাল আক্রমণের চেষ্টা বেশি করলেও বাংলাদেশের রক্ষণ তাদের আটকে দিয়েছে। অন্যদিকে আক্রমণে কিছুটা দুর্বলতা লক্ষ্য করা গেছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে বেশি লং বল খেলার প্রবণতা মোটেই কাজে দেয়নি।
ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই অবশ্য গোলের ভালো সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। নেপালের একজন খেলোয়াড় ঠিকঠাক গোলকিক নিতে পারেননি। বক্সের বাইরে থাকা তহুরা বল পেয়ে জোরালো শট নিলেও তা ক্রস বারে লেগে প্রতিহত হয়। ফিরতি বলে
তার হেড গোলকিপারের হাতে জমা হয়। দশম মিনিটে নেপালের প্রচেষ্টাও পোস্টে লেগে প্রতিহত হয়। সাবিত্রা ভান্ডারির পাসে আমিশা কার্কির নেওয়া ডি বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের বুলেট গতির শট পোস্টে লেগে প্রতিহত হয়। অর্ধের বাকি সময়ে দুই দল বেশ কয়েকবার গোলপোস্টের কাছাকাছি গেলেও পরম আরাধ্য গোল আর পাওয়া হয়নি। বাংলাদেশ একাদশ রুপনা চাকমা, আফিদা খন্দকার, মাসুরা পারভীন, শিউলী আজিম, সাবিনা খাতুন (অধিনায়ক), শামসুন্নাহার সিনিয়র, মারিয়া মান্দা, মনিকা চাকমা, ঋতুপর্ণা চাকমা, শামসুন্নাহার জুনিয়র ও তহুরা খাতুন।
তার হেড গোলকিপারের হাতে জমা হয়। দশম মিনিটে নেপালের প্রচেষ্টাও পোস্টে লেগে প্রতিহত হয়। সাবিত্রা ভান্ডারির পাসে আমিশা কার্কির নেওয়া ডি বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের বুলেট গতির শট পোস্টে লেগে প্রতিহত হয়। অর্ধের বাকি সময়ে দুই দল বেশ কয়েকবার গোলপোস্টের কাছাকাছি গেলেও পরম আরাধ্য গোল আর পাওয়া হয়নি। বাংলাদেশ একাদশ রুপনা চাকমা, আফিদা খন্দকার, মাসুরা পারভীন, শিউলী আজিম, সাবিনা খাতুন (অধিনায়ক), শামসুন্নাহার সিনিয়র, মারিয়া মান্দা, মনিকা চাকমা, ঋতুপর্ণা চাকমা, শামসুন্নাহার জুনিয়র ও তহুরা খাতুন।



