ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কারখানা বন্ধের মিছিল বাড়ছেঃ ক্রুড ওয়েল সংকটে এবার বন্ধ হলো দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি
ধানমন্ডিতে আদি-চিরায়ত রূপে ফিরল ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’- হাজারো বাঙালির অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ উদযাপন
সাগরে ইলিশের প্রাচুর্য হলেও সাধারণের নাগালের বাইরে: গত বছরের চেয়ে দাম বেড়েছে ১৫%
১৫ মিনিট বন্ধ থাকার পর ফের চালু মেট্রো রেল
পাঁচ ঘণ্টা লাইন, চার লিটার তেল, আর একটি তথাকথিত “নির্বাচিত” সরকার!
অপশাসন, ভয় আর মামলার বোঝা—এভাবেই কি ঝরে যাবে একের পর এক প্রাণ? ইউনুস–তারেকের রাজনীতিতে কি মানুষের জীবন এতটাই তুচ্ছ হয়ে গেছে?
একটি স্বেচ্ছাচারী একপাক্ষিক সংসদ কর্তৃক গণবিরোধী আইন পাশ ও দেশের নৈরাজ্যময় পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বানঃ
শেখ হাসিনা গরীবের বন্ধু ও এদেশের প্রেমিক’: সাধারণ মানুষের কণ্ঠে উন্নয়নের জয়গান
“শেখ হাসিনা গরীবের বন্ধু, এ দেশের প্রেমিক। এ দেশকে ভালোবাসে সে, কাজ কইরা দেখাইছে সে।”—একজন সাধারণ মানুষের এই সহজ-সরল অথচ শক্তিশালী অভিব্যক্তিটিই আজ দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মনের কথা। তৃণমূল পর্যায়ে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং জনবান্ধব নীতির কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে গভীর আস্থা ও ভালোবাসার সৃষ্টি হয়েছে, এই বক্তব্য তারই এক উজ্জ্বল প্রতিফলন।
কাজের মাধ্যমেই আস্থার প্রতিফলন
বক্তব্যটিতে উঠে এসেছে এক ধ্রুব সত্য—উন্নয়ন কেবল প্রতিশ্রুতিতে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং তা বাস্তবে রূপ নিয়েছে। বক্তার মতে, অতীতে অনেকেই উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বা টেন্ডার নিয়েছেন, কিন্তু শেখ হাসিনার মতো সাহসিকতার সাথে কাজ সম্পন্ন করে দেখাতে পারেননি। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল থেকে শুরু করে গ্রাম পর্যায়ের রাস্তাঘাট—সবখানেই
এই ‘দৃশ্যমান কাজের’ ছাপ স্পষ্ট। গরীবের অকৃত্রিম বন্ধু বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গত এক দশকে যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে, তার সবচেয়ে বড় সুফলভোগী সাধারণ ও নিম্নবিত্ত মানুষ। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে ভূমিহীনদের ঘর দেওয়া এবং প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার কারণে শেখ হাসিনা আজ ‘গরীবের বন্ধু’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। সাধারণ মানুষ মনে করে, দেশের প্রতি গভীর মমত্ববোধ ও ভালোবাসা না থাকলে এমন জনকল্যাণমূলক কাজ সম্ভব নয়। শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রতীক বক্তব্যটির শেষ অংশে উঠে এসেছে জননিরাপত্তার কথা। “কোনো ছিনতাই ছিল না, কোনো আকাল ছিল না”—এই কথাটি প্রমাণ করে যে, সাধারণ মানুষ একটি স্থিতিশীল এবং শঙ্কামুক্ত পরিবেশে বসবাসের গুরুত্ব কতটুকু অনুভব করে। খাদ্য নিরাপত্তা
নিশ্চিত করা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনাকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বের অন্যতম বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের এই অকপট স্বীকারোক্তি বলে দিচ্ছে, উন্নয়নের মহাসড়কে বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রা সাধারণ জনগণের মনে আশার প্রদীপ জ্বালিয়েছে। ক্ষমতার রাজনীতি ছাড়িয়ে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে ‘দেশপ্রেমিক’ এবং ‘আপনজন’ হিসেবে স্থান করে নেওয়াটাই একজন জননেত্রীর সবচেয়ে বড় সার্থকতা।
এই ‘দৃশ্যমান কাজের’ ছাপ স্পষ্ট। গরীবের অকৃত্রিম বন্ধু বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গত এক দশকে যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে, তার সবচেয়ে বড় সুফলভোগী সাধারণ ও নিম্নবিত্ত মানুষ। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে ভূমিহীনদের ঘর দেওয়া এবং প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার কারণে শেখ হাসিনা আজ ‘গরীবের বন্ধু’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। সাধারণ মানুষ মনে করে, দেশের প্রতি গভীর মমত্ববোধ ও ভালোবাসা না থাকলে এমন জনকল্যাণমূলক কাজ সম্ভব নয়। শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রতীক বক্তব্যটির শেষ অংশে উঠে এসেছে জননিরাপত্তার কথা। “কোনো ছিনতাই ছিল না, কোনো আকাল ছিল না”—এই কথাটি প্রমাণ করে যে, সাধারণ মানুষ একটি স্থিতিশীল এবং শঙ্কামুক্ত পরিবেশে বসবাসের গুরুত্ব কতটুকু অনুভব করে। খাদ্য নিরাপত্তা
নিশ্চিত করা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনাকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বের অন্যতম বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের এই অকপট স্বীকারোক্তি বলে দিচ্ছে, উন্নয়নের মহাসড়কে বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রা সাধারণ জনগণের মনে আশার প্রদীপ জ্বালিয়েছে। ক্ষমতার রাজনীতি ছাড়িয়ে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে ‘দেশপ্রেমিক’ এবং ‘আপনজন’ হিসেবে স্থান করে নেওয়াটাই একজন জননেত্রীর সবচেয়ে বড় সার্থকতা।



