ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক মারা গেছেন
নতুন জটিলতায় পে স্কেল, গেজেট কবে?
ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের ভাঙচুর ও নাশকতার দায় স্বীকার ছাত্রদলের
সারাদেশে আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস গুঁড়িয়ে দিয়েছিলাম, ছাত্রদল সভাপতি রাকিবের স্বীকারোক্তি
জুলাই সিডিআই বলায় শাওনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ, নাম আছে মাহিরও
তারেক রহমান: বিচারের নামে কারো প্রতি যেন ‘অবিচার’ করা না হয়
জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা, যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
একটি স্বেচ্ছাচারী একপাক্ষিক সংসদ কর্তৃক গণবিরোধী আইন পাশ ও দেশের নৈরাজ্যময় পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বানঃ
০১. রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারঃ
যে দল একটি জাতিরাষ্ট্রের জন্ম দিয়েছে সে দলের কার্যক্রম নিষদ্ধ করলে সে রাষ্ট্রের জন্মই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যায়। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হলে নিষিদ্ধ হয়ে যায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, সংবিধান, জাতীয় সংগীত, জাতীয় পতাকা।
অবিলম্বে একপাক্ষিক সংসদ কর্তৃক সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধনী) আইন রহিত করে সকল রাজনৈতিক দল ও মত কে রাজনীতি করার সমান সুযোগ দিতে হবে। সেই সাথে জাতীয় স্বার্থে 'জাতির পিতার পরিবারের নিরাপত্তা আইন' পুনর্বহাল করতে হবে।
০২. সকল রাজবন্দিদের মুক্তিঃ
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে অন্যতম মেধাবী, প্রাজ্ঞ, সৎ ও দক্ষ, প্রথম নারী স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে জোরপূর্বক পদত্যাগ, ২০ মাস ৩ দিন গুম রেখে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো চরম
প্রতিহিংসার বেদনাদায়ক উদাহরণ। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাসহ সকল জাতীয় নেতৃবৃন্দের নামে আইসিটি মামলা প্রত্যাহার ও মিথ্যা মামলায় বন্দি সকল রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী, পেশাজীবী, বিশিষ্টজনকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। ০৩. সকল হত্যাকান্ডের বিচারঃ তথাকথিত জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি অধ্যাদেশ বাতিল করে ২৪ এর জুলাই আগস্ট থেকে অদ্যোবধি আওয়ামী লীগের সহস্রাধিক নেতা-কর্মী, পুলিশ হত্যাসহ যত বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড হয়েছে সকল হত্যাকান্ডের বিচার করতে হবে। ০৪. স্বজনপ্রীতি ও দলীয়করণ বন্ধঃ জাতীয় ক্রিকেটবোর্ড, সিটি কর্পোরেশন, জেলাপরিষদসহ প্রশাসন ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে স্বজনপ্রীতি ও দলীয়করণ বন্ধ করতে হবে। ০৫. শিশু স্বাস্থ্য ও শিশু খাদ্যে অনিয়মের তদন্তঃ হামের মত নিরাময়যোগ্য রোগ স্বাস্থ্য অব্যবস্থাপনার কারণে মহামারিতে রূপ নিয়েছে। দেশ জুড়ে
প্রতিদিন অসংখ্য শিশু মারা যাচ্ছে । সেই সাথে মিড ডে মিলের নামে পঁচা বাসি টিফিন খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছে স্কুল শিশুরা। শিশু স্বাস্থ্য নিয়ে এমনতর অবহেলার সুষ্ঠ তদন্তপূর্বক বিচার চাই। ০৬. জ্বালানি তেলের সঙ্কট ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণঃ দেশ জুড়ে জ্বালানি তেলের তীব্র সঙ্কট শুধু পরিবহন ও কৃষি ক্ষেত্রেই নয় বহুমুখী অর্থনৈতিক সঙ্কট তৈরি করেছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় যে অকটেন, পেট্রোলে বাংলাদেশ স্বয়ং সম্পূর্ণ ছিল সেই তেলই আজ অব্যবস্থাপনা, সিন্ডিকেট ও অবৈধ মজুতদারীর কারণে দুর্লভ হয়ে উঠেছে। এর পাশাপাশি নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে নাভিশ্বাস উঠেছে জনগণের। অবিলম্বে সকল পণ্যের স্বাভাবিক সরবরাহ ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে হবে। ০৭. মব সন্ত্রাস বন্ধঃ দখলদার
ইউনুস সরকারের সময় রাষ্ট্রীয় পৃষ্টপোষকতায় ধানমন্ডি ৩২, মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ধ্বংস, গণমাধ্যম, সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, আওয়ামী লীগের তৃণমূল থেকে কেন্দ্রীয় নেতা, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, ভিন্নমতালম্বীদের জীবন ও সম্পদের উপর যে মব সন্ত্রাস চলেছিল তারই ধারাবাহিকতায় গত ১১ এপ্রিল পুলিশের উপস্থিতিতেই কুষ্টিয়ায় এক সুফি সাধককে হত্যা করে তার আস্তানা জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগের সকল স্তরের নেতা-কর্মীসহ সকল দল মতের মানুষের সমান নিরাপত্তা নিশ্চিত, মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ ও আইনের শাসন পুণঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে।
প্রতিহিংসার বেদনাদায়ক উদাহরণ। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাসহ সকল জাতীয় নেতৃবৃন্দের নামে আইসিটি মামলা প্রত্যাহার ও মিথ্যা মামলায় বন্দি সকল রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী, পেশাজীবী, বিশিষ্টজনকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। ০৩. সকল হত্যাকান্ডের বিচারঃ তথাকথিত জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি অধ্যাদেশ বাতিল করে ২৪ এর জুলাই আগস্ট থেকে অদ্যোবধি আওয়ামী লীগের সহস্রাধিক নেতা-কর্মী, পুলিশ হত্যাসহ যত বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড হয়েছে সকল হত্যাকান্ডের বিচার করতে হবে। ০৪. স্বজনপ্রীতি ও দলীয়করণ বন্ধঃ জাতীয় ক্রিকেটবোর্ড, সিটি কর্পোরেশন, জেলাপরিষদসহ প্রশাসন ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে স্বজনপ্রীতি ও দলীয়করণ বন্ধ করতে হবে। ০৫. শিশু স্বাস্থ্য ও শিশু খাদ্যে অনিয়মের তদন্তঃ হামের মত নিরাময়যোগ্য রোগ স্বাস্থ্য অব্যবস্থাপনার কারণে মহামারিতে রূপ নিয়েছে। দেশ জুড়ে
প্রতিদিন অসংখ্য শিশু মারা যাচ্ছে । সেই সাথে মিড ডে মিলের নামে পঁচা বাসি টিফিন খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছে স্কুল শিশুরা। শিশু স্বাস্থ্য নিয়ে এমনতর অবহেলার সুষ্ঠ তদন্তপূর্বক বিচার চাই। ০৬. জ্বালানি তেলের সঙ্কট ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণঃ দেশ জুড়ে জ্বালানি তেলের তীব্র সঙ্কট শুধু পরিবহন ও কৃষি ক্ষেত্রেই নয় বহুমুখী অর্থনৈতিক সঙ্কট তৈরি করেছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় যে অকটেন, পেট্রোলে বাংলাদেশ স্বয়ং সম্পূর্ণ ছিল সেই তেলই আজ অব্যবস্থাপনা, সিন্ডিকেট ও অবৈধ মজুতদারীর কারণে দুর্লভ হয়ে উঠেছে। এর পাশাপাশি নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে নাভিশ্বাস উঠেছে জনগণের। অবিলম্বে সকল পণ্যের স্বাভাবিক সরবরাহ ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে হবে। ০৭. মব সন্ত্রাস বন্ধঃ দখলদার
ইউনুস সরকারের সময় রাষ্ট্রীয় পৃষ্টপোষকতায় ধানমন্ডি ৩২, মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ধ্বংস, গণমাধ্যম, সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, আওয়ামী লীগের তৃণমূল থেকে কেন্দ্রীয় নেতা, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, ভিন্নমতালম্বীদের জীবন ও সম্পদের উপর যে মব সন্ত্রাস চলেছিল তারই ধারাবাহিকতায় গত ১১ এপ্রিল পুলিশের উপস্থিতিতেই কুষ্টিয়ায় এক সুফি সাধককে হত্যা করে তার আস্তানা জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগের সকল স্তরের নেতা-কর্মীসহ সকল দল মতের মানুষের সমান নিরাপত্তা নিশ্চিত, মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ ও আইনের শাসন পুণঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে।



