ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বনমোরগ উদ্ধারের পর বনে ‘দেশি মোরগ’ অবমুক্ত করলেন বন কর্মকর্তা, খেয়ে ফেলার অভিযোগ
স্ত্রীকে দামি জুতা কিনে দিতে না পারা যুবকের আত্মহননের চেষ্টার ভুয়া গল্প অন্তর্জালে, প্রকৃত ঘটনা যা জানা গেল
সমন্বয়ক জিনিয়ার ‘অন্ধকার জগৎ’: তরুণীদের নেশা করিয়ে পাঠানো হতো পুলিশ কর্মকর্তার কাছে!
পঞ্চগড়ে কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: স্বজনদের হত্যার অভিযোগ
ঘুষের টাকা ফেরত চাইতে গিয়ে থানায় মারধরের শিকার মা–মেয়ে, পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড
ছেলেকে ধরতে না পেরে ক্ষুব্ধ পুলিশের লাথিতে বৃদ্ধ পিতার মৃত্যু, পুলিশের দাবি হৃদরোগ
বাংলাদেশে মশা এখনও আছে আগের মতোই, শুধু মাঝখান থেকে এদেশের শাসক বদলেছে
শাহ আমানতে ২ কোটি ৪৪ লাখ টাকার বিদেশি মুদ্রাসহ যাত্রী আটক
চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বৈদেশিক মুদ্রাসহ দুবাইগামী এক যাত্রীকে আটক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন শেখ আবদুল্লাহ আলমগীর এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর (এনএসআই) এবং শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সদস্যরা যৌথ অভিযান চালিয়ে জাকির হোসেন নামে ওই ব্যক্তিকে আটক করেন। তিনি শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে দুবাইগামী ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিএস-৩৪৩ ফ্লাইটে উঠেছিলেন।
জাকিরের কাছে দুই কোটি ৪৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা মূল্যের বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া গেছে। প্রায় ২ কোটি ৩১ লাখ টাকা মূল্যের ৭ লাখ ৭০ হাজার সৌদি রিয়াল এবং প্রায় ১৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা মূল্যের ৪৬ হাজার সংযুক্ত আরব
আমিরাত দিরহাম উদ্ধার করা হয়। গ্রুপ ক্যাপ্টেন শেখ আবদুল্লাহ আলমগীর জানান, জাকির ঢাকায় বসবাস করেন। তার পাসপোর্ট নম্বর- A ০৩৩৩১৭২৫। এনএসআইয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, তিনি টাকা নিয়ে ঢাকা থেকে উড়োজাহাজে উঠেছিলেন। তথ্যের ভিত্তিতে ফ্লাইটটি চট্টগ্রামে নামার পরে আমরা তাকে খুঁজে বের করি। পরে তার ব্যাগে নগদ অর্থ পাওয়া যায়। 'তার পাসপোর্ট যাচাই করে আমরা জানতে পেরেছি, তিনি হুন্ডি লেনদেনের জন্য প্রায়ই মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে যাতায়াত করতেন,' যোগ করেন তিনি।
আমিরাত দিরহাম উদ্ধার করা হয়। গ্রুপ ক্যাপ্টেন শেখ আবদুল্লাহ আলমগীর জানান, জাকির ঢাকায় বসবাস করেন। তার পাসপোর্ট নম্বর- A ০৩৩৩১৭২৫। এনএসআইয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, তিনি টাকা নিয়ে ঢাকা থেকে উড়োজাহাজে উঠেছিলেন। তথ্যের ভিত্তিতে ফ্লাইটটি চট্টগ্রামে নামার পরে আমরা তাকে খুঁজে বের করি। পরে তার ব্যাগে নগদ অর্থ পাওয়া যায়। 'তার পাসপোর্ট যাচাই করে আমরা জানতে পেরেছি, তিনি হুন্ডি লেনদেনের জন্য প্রায়ই মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে যাতায়াত করতেন,' যোগ করেন তিনি।



