ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এখন আমাদের গ্যাস নাই, না খাইয়া কি মানুষ বাঁচে?” – জনতার দুর্ভোগ
চট্টগ্রামে ২৬ দিনে ১২ খুন : ইউনূসের ‘সংস্কার সরকার’ কি দেশকে জঙ্গলরাজে পরিণত করছে?
জামিন পাওয়ার পরও যদি জেলগেট থেকেই আবার ভুয়া মামলা দিয়ে গ্রেফতার করা হয়
এক সপ্তাহে ৮ বার অগ্নিসংযোগ: মিরসরাইয়ে ‘টার্গেট’ হিন্দু পরিবার, আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে জাফরাবাদের
রাজধানীতে ভুয়া ডিবি পরিচয়ে যুবলীগ নেতাকে তুলে নিয়ে রাতভর পৈশাচিক নির্যাতন: ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণের অভিযোগ
বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতা, ২০২৫ সালে উর্ধ্বমুখী সংকট,
চট্টগ্রাম বন্দর কার জন্য? এনসিটি ইস্যুতে জনগণের স্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্ত ও রাষ্ট্রীয় দায়
শাহ আমানতে ২ কোটি ৪৪ লাখ টাকার বিদেশি মুদ্রাসহ যাত্রী আটক
চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বৈদেশিক মুদ্রাসহ দুবাইগামী এক যাত্রীকে আটক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন শেখ আবদুল্লাহ আলমগীর এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর (এনএসআই) এবং শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সদস্যরা যৌথ অভিযান চালিয়ে জাকির হোসেন নামে ওই ব্যক্তিকে আটক করেন। তিনি শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে দুবাইগামী ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিএস-৩৪৩ ফ্লাইটে উঠেছিলেন।
জাকিরের কাছে দুই কোটি ৪৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা মূল্যের বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া গেছে। প্রায় ২ কোটি ৩১ লাখ টাকা মূল্যের ৭ লাখ ৭০ হাজার সৌদি রিয়াল এবং প্রায় ১৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা মূল্যের ৪৬ হাজার সংযুক্ত আরব
আমিরাত দিরহাম উদ্ধার করা হয়। গ্রুপ ক্যাপ্টেন শেখ আবদুল্লাহ আলমগীর জানান, জাকির ঢাকায় বসবাস করেন। তার পাসপোর্ট নম্বর- A ০৩৩৩১৭২৫। এনএসআইয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, তিনি টাকা নিয়ে ঢাকা থেকে উড়োজাহাজে উঠেছিলেন। তথ্যের ভিত্তিতে ফ্লাইটটি চট্টগ্রামে নামার পরে আমরা তাকে খুঁজে বের করি। পরে তার ব্যাগে নগদ অর্থ পাওয়া যায়। 'তার পাসপোর্ট যাচাই করে আমরা জানতে পেরেছি, তিনি হুন্ডি লেনদেনের জন্য প্রায়ই মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে যাতায়াত করতেন,' যোগ করেন তিনি।
আমিরাত দিরহাম উদ্ধার করা হয়। গ্রুপ ক্যাপ্টেন শেখ আবদুল্লাহ আলমগীর জানান, জাকির ঢাকায় বসবাস করেন। তার পাসপোর্ট নম্বর- A ০৩৩৩১৭২৫। এনএসআইয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, তিনি টাকা নিয়ে ঢাকা থেকে উড়োজাহাজে উঠেছিলেন। তথ্যের ভিত্তিতে ফ্লাইটটি চট্টগ্রামে নামার পরে আমরা তাকে খুঁজে বের করি। পরে তার ব্যাগে নগদ অর্থ পাওয়া যায়। 'তার পাসপোর্ট যাচাই করে আমরা জানতে পেরেছি, তিনি হুন্ডি লেনদেনের জন্য প্রায়ই মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে যাতায়াত করতেন,' যোগ করেন তিনি।



