ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
চাঁদা না পেয়ে সরকারি নিয়মের অজুহাতে চেয়ারম্যানের ওপর বিএনপি নেতাদের মব
ওসমান হাদি হত্যার প্রধান আসামি গ্রেপ্তারে এনসিপি-ইনকিলাব মঞ্চে আতঙ্ক
যে দেশে ফুল নিয়ে হাঁটা বিপজ্জনক : একটা ভাঙা বাড়ি, চারটা গ্রেপ্তার, একটা প্রশ্ন
অগ্নিঝরা ৮ মার্চ: বঙ্গবন্ধুর দর্শনে নারী-সমতা ও সোনার বাংলার প্রতিশ্রুতি
বিএনপির স্মৃতিশক্তি বড় অদ্ভুত, নিজের ঘোষিত সন্ত্রাসীকেই চিনতে পারে না!
মন্দিরে বোমা হামলা, পুরোহিত হাসপাতালে—সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা কোথায়?
৪ হাজার সদস্য নিয়ে সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর ঘিরে যৌথবাহিনীর অভিযান চলছে
‘রাজাকার, আলবদর, কিছুই রবে নারে’, স্লোগানে ঢাবি ক্যাম্পাসে ঘুরল পিকআপ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা ত্রায়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পিকআপে করে সাউন্ড বক্স বাজিয়ে ক্যাম্পাসে ঘুরে বেড়ালেন। তারা জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরকে লক্ষ্য করে বেশ কিছু গানও বাজিয়েছেন।
শুক্রবার বিকাল ৪টার দিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়ের পরের দিন ক্যাম্পাসে এ ধরনের আয়োজন দেখা গেল।
পিকআপটি বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকা থেকে যাত্রা শুরু করে জগন্নাথ হল, ফুলার রোড, ভিসি চত্বর ও হলপাড়াসহ পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে।
শিক্ষার্থীরা এসময় মূলত প্রিন্স মাহমুদের ‘রাজাকার আলবদর কিছুই রবে না রে, সব রাজাকার ভাইসা যাইব বঙ্গোপসাগরে’ গান বাজান।
তারা ডাকসু ভিপি আবু সাদিক কায়েমকে নিয়ে ব্যঙ্গ করে বানানো গানও বাজান। গানের কথা ছিল, ‘গুপ্ত পুরুষ সাদিক
মিয়া, মামলা করিয়া দিল মিম দেখিয়া’। বিশ্ববিদ্যালয় বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রী ও ছাত্র ইউনিয়নের একাংশের নেতাকর্মীদের এ মহড়ায় দেখা গেছে। এরমধ্যে ছাত্র ইউনিয়ন একাংশের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হাসান অনয় বলেন, “একদিকে এইটা আনন্দের ব্যাপার যে জামায়াতের যে উচ্চবাচ্য, তা আমরা দমিয়ে দিতে পেরেছি। কিন্তু পুরোপুরি দমাতে পারিনি। কারণ জামায়াত এখন কার্যত বিরোধী দল। “জামায়াতের আত্মবিশ্বাস আমরা ভাঙতে পেরেছি, কারণ বাংলাদেশের মানুষ জামায়াতকে হারাবেই, যেকোনো দিন, যেকোনোভাবে।” অনয় বলেন, “একাত্তরে গণহত্যায় কারা অংশীদার ছিল এবং একাত্তর পরবর্তী সময়ে ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে রগ-কাটা, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, জ্বালাও-পোড়াও, সংখ্যালঘু নিপীড়ন, মববাজি— এসব কারা করেছে, দেশের মানুষজন জানে।”
মিয়া, মামলা করিয়া দিল মিম দেখিয়া’। বিশ্ববিদ্যালয় বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রী ও ছাত্র ইউনিয়নের একাংশের নেতাকর্মীদের এ মহড়ায় দেখা গেছে। এরমধ্যে ছাত্র ইউনিয়ন একাংশের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হাসান অনয় বলেন, “একদিকে এইটা আনন্দের ব্যাপার যে জামায়াতের যে উচ্চবাচ্য, তা আমরা দমিয়ে দিতে পেরেছি। কিন্তু পুরোপুরি দমাতে পারিনি। কারণ জামায়াত এখন কার্যত বিরোধী দল। “জামায়াতের আত্মবিশ্বাস আমরা ভাঙতে পেরেছি, কারণ বাংলাদেশের মানুষ জামায়াতকে হারাবেই, যেকোনো দিন, যেকোনোভাবে।” অনয় বলেন, “একাত্তরে গণহত্যায় কারা অংশীদার ছিল এবং একাত্তর পরবর্তী সময়ে ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে রগ-কাটা, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, জ্বালাও-পোড়াও, সংখ্যালঘু নিপীড়ন, মববাজি— এসব কারা করেছে, দেশের মানুষজন জানে।”



