ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কারখানা বন্ধের মিছিল বাড়ছেঃ ক্রুড ওয়েল সংকটে এবার বন্ধ হলো দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি
ধানমন্ডিতে আদি-চিরায়ত রূপে ফিরল ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’- হাজারো বাঙালির অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ উদযাপন
সাগরে ইলিশের প্রাচুর্য হলেও সাধারণের নাগালের বাইরে: গত বছরের চেয়ে দাম বেড়েছে ১৫%
১৫ মিনিট বন্ধ থাকার পর ফের চালু মেট্রো রেল
পাঁচ ঘণ্টা লাইন, চার লিটার তেল, আর একটি তথাকথিত “নির্বাচিত” সরকার!
অপশাসন, ভয় আর মামলার বোঝা—এভাবেই কি ঝরে যাবে একের পর এক প্রাণ? ইউনুস–তারেকের রাজনীতিতে কি মানুষের জীবন এতটাই তুচ্ছ হয়ে গেছে?
একটি স্বেচ্ছাচারী একপাক্ষিক সংসদ কর্তৃক গণবিরোধী আইন পাশ ও দেশের নৈরাজ্যময় পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বানঃ
‘যেই ব্যালটে নৌকা নেই, সেই ব্যালটে কিসের ভোট’
ভিডিওতে নারীর সোজাসাপ্টা উত্তর, দলের প্রতি ভালোবাসার অনন্য নজির
নির্বাচনের মাঠে নানা সমীকরণ থাকে। কিন্তু কিছু কিছু মুহূর্ত সেই সমীকরণ ছাপিয়ে সামনে আনে দলের প্রতি তৃণমূলের অকৃত্রিম ভালোবাসার চিত্র। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে এমনই এক দৃশ্য। সেখানে একজন নারী ভোটার গর্বের সঙ্গে নিজের রাজনৈতিক পরিচয় তো দিয়েছেনই, সেই সঙ্গে ব্যালটে দলীয় প্রতীক ‘নৌকা’ না থাকায় ভোট না দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন অকপটে।
ওই নারীর এমন দৃঢ় অবস্থান ও সোজাসাপ্টা উত্তর নেটিজেনদের নজর কেড়েছে। ভিডিওটিতে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ওই নারী কোনো রাখঢাক না রেখেই নিজের আদর্শিক অবস্থানের কথা জানান।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, রিপোর্টারের প্রশ্নের জবাবে ওই নারী বেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলছেন, ‘হ্যাঁ, আমি প্রাউডলি (গর্বের সঙ্গে)
বলতে পারি আমি আওয়ামী লীগ সাপোর্টার।’ সাংবাদিক তখন পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘আপনি এই কারণে কি ভোট দেন নাই?’ উত্তরে ওই নারী বলেন, ‘হ্যাঁ, এই জন্যই ভোট দেই নাই। যেই ব্যালটে নৌকা নাই সেই ব্যালটে কিসের ভোট? জয় বাংলা!’ সাধারণত রাজনৈতিক পরিস্থিতি বা পারিপার্শ্বিক চাপে অনেকে নিজের দলীয় পরিচয় প্রকাশে সংকোচ বোধ করেন। কিন্তু ওই নারী যেভাবে জনসমক্ষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন, তা দলের প্রতি তাঁর গভীর আবেগেরই বহিঃপ্রকাশ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, তৃণমূলের কর্মীরাই যেকোনো দলের প্রাণশক্তি। ভোটের মাঠে দলীয় প্রতীক না থাকলে একজন সমর্থকের মনে যে আক্ষেপ তৈরি হয়, ওই নারীর বক্তব্যে সেটিই ফুটে উঠেছে। তাঁর এই ‘ভোট না দেওয়া’
মূলত দলের প্রতীকের প্রতি তাঁর শর্তহীন আনুগত্য ও ভালোবাসারই প্রতিবাদী রূপ। আদর্শের প্রশ্নে তিনি যে আপসহীন, তাঁর প্রতিটি বাক্যে তা স্পষ্ট। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই ওই নারীর রাজনৈতিক সচেতনতা ও দলের প্রতি অবিচল আস্থার প্রশংসা করছেন।
বলতে পারি আমি আওয়ামী লীগ সাপোর্টার।’ সাংবাদিক তখন পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘আপনি এই কারণে কি ভোট দেন নাই?’ উত্তরে ওই নারী বলেন, ‘হ্যাঁ, এই জন্যই ভোট দেই নাই। যেই ব্যালটে নৌকা নাই সেই ব্যালটে কিসের ভোট? জয় বাংলা!’ সাধারণত রাজনৈতিক পরিস্থিতি বা পারিপার্শ্বিক চাপে অনেকে নিজের দলীয় পরিচয় প্রকাশে সংকোচ বোধ করেন। কিন্তু ওই নারী যেভাবে জনসমক্ষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন, তা দলের প্রতি তাঁর গভীর আবেগেরই বহিঃপ্রকাশ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, তৃণমূলের কর্মীরাই যেকোনো দলের প্রাণশক্তি। ভোটের মাঠে দলীয় প্রতীক না থাকলে একজন সমর্থকের মনে যে আক্ষেপ তৈরি হয়, ওই নারীর বক্তব্যে সেটিই ফুটে উঠেছে। তাঁর এই ‘ভোট না দেওয়া’
মূলত দলের প্রতীকের প্রতি তাঁর শর্তহীন আনুগত্য ও ভালোবাসারই প্রতিবাদী রূপ। আদর্শের প্রশ্নে তিনি যে আপসহীন, তাঁর প্রতিটি বাক্যে তা স্পষ্ট। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই ওই নারীর রাজনৈতিক সচেতনতা ও দলের প্রতি অবিচল আস্থার প্রশংসা করছেন।



