ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গুপ্ত হামলার ছক: ড্রোন-অস্ত্রসহ নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ‘আকসা’র চার সদস্য গ্রেপ্তার
জ্বালানী নিরাপত্তাঃ শেখ হাসিনার এনার্জি ডিপ্লোম্যাসি বনাম ইউনুস-তারেকের উচ্চমূল্যের বিদেশী স্বার্থরক্ষা চুক্তি
রূপপুর পাওয়ার প্ল্যান্ট নিয়ে সংসদের বিরোধীদল এনসিপির অপতথ্য ও মিথ্যার ফ্লাডিং: জুলাই এর মতো গুজব ছড়িয়ে জনমানুষকে ধোঁকা দেয়ার চেষ্টা
এবার ঢাকায় ভারতীয় কাশ্মীরি নাগরিকের অস্বাভাবিক মৃত্যু: সন্দেহজনক ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে সর্বহারাদের পুনরুত্থান: আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দুর্বলতার সুযোগ নিচ্ছে চরমপন্থীরা
রুপপুরে নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্রে ফুয়েল লোড: ইউরেনিয়াম দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে খরচ কেমন হতে পারে?
পশ্চিম পাকিস্তানের বৈষম্যে বাতিল হয়েছিল রূপপুর: বিরোধীদের সকল বাধা উপেক্ষা করে বঞ্চিত বাংলাদেশের ৬৫ বছরের স্বপ্ন পূরণের দ্বারপ্রান্তে
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের আসিফ মাহতাব পর্ব ‘সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রের অংশ’: মানবাধিকার কর্মীর অভিযোগ
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আসিফ মাহতাবকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া বহুল আলোচিত ঘটনাগুলো একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ ছিল বলে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন মানবাধিকার কর্মী ও ‘ইনক্লুসিভ বাংলাদেশ’ এর পরিচালক সঞ্জীবনী সুধা। সম্প্রতি তার এক ফেসবুক পোস্টে তিনি দাবি করেন, এই ঘটনার মূল উদ্দেশ্য ছিল তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারকে অস্থিতিশীল করা এবং এর পেছনে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন শক্তির হাত ছিল।
সঞ্জীবনী সুধার অভিযোগ অনুযায়ী, সপ্তম শ্রেণির পাঠ্যবই বিতর্ককে কেন্দ্র করে শিক্ষক আসিফ মাহতাবকে বহিষ্কারের ঘটনাটি ছিল একটি ‘সাজানো নাটক’। তিনি তার পোস্টে লেখেন, “এই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ইন্টেরিম ডিন আসিফ মাহতাবকে বহিষ্কার করে। এরপর আসিফ মাহতাব এ প্রকল্প আরও এগিয়ে নিয়ে যান।”
তার
দাবি, এই পরিকল্পিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে জনমনে ক্ষোভ তৈরি করা হয়, যা পরবর্তীতে সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। সুধা উল্লেখ করেন, “এরপর কি ঘটেছে তা আপনারা জানেন—কোটা আন্দোলনে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় নজিরবিহীনভাবে সবার আগে রাস্তায় নামে। বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়কে এমন রাজনৈতিক আন্দোলনে দেখা যায়নি।” এই মানবাধিকার কর্মী আরও গুরুতর অভিযোগ তুলে বলেন, এই কর্মকাণ্ডের পেছনে আর্থিক লেনদেনের বিষয় জড়িত ছিল। তার পোস্টে তিনি সরাসরি অভিযোগ করেন, “বিনিময়ে ব্র্যাক ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় যুক্তরাষ্ট্রের মোটা অঙ্কের আর্থিক সহায়তা পায়।” সুধার মতে, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনারেল এডুকেশন স্কুলের তৎকালীন কিছু কর্মকর্তা এবং শিক্ষার্থী এই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত ছিলেন, যারা একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতাদর্শ ধারণ করতেন এবং
সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন।
দাবি, এই পরিকল্পিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে জনমনে ক্ষোভ তৈরি করা হয়, যা পরবর্তীতে সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। সুধা উল্লেখ করেন, “এরপর কি ঘটেছে তা আপনারা জানেন—কোটা আন্দোলনে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় নজিরবিহীনভাবে সবার আগে রাস্তায় নামে। বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়কে এমন রাজনৈতিক আন্দোলনে দেখা যায়নি।” এই মানবাধিকার কর্মী আরও গুরুতর অভিযোগ তুলে বলেন, এই কর্মকাণ্ডের পেছনে আর্থিক লেনদেনের বিষয় জড়িত ছিল। তার পোস্টে তিনি সরাসরি অভিযোগ করেন, “বিনিময়ে ব্র্যাক ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় যুক্তরাষ্ট্রের মোটা অঙ্কের আর্থিক সহায়তা পায়।” সুধার মতে, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনারেল এডুকেশন স্কুলের তৎকালীন কিছু কর্মকর্তা এবং শিক্ষার্থী এই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত ছিলেন, যারা একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতাদর্শ ধারণ করতেন এবং
সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন।



