ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জুলাই চেতনা আজ কোথায়! আবু সাঈদের ক্যাম্পাসেও শিক্ষার্থী ভর্তি হচ্ছে বিভিন্ন কোটায়
আবু সাঈদের স্মরণসভা ফাঁকা দেখে হতাশ মন্ত্রী: ‘বেরোবি চত্বর পরিপূর্ণ থাকলে আবু সাঈদ কবরে শান্তি পেত’
পরীক্ষা কেন্দ্রে জুলাই তামাশা? ১৮ তারিখের প্রশ্নপত্র ২ দিন আগে হাতে, সংশোধনের পর এলো ২০২৫ সালের প্রশ্ন
দ্বিতীয় দিনের মতো রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে শিক্ষার্থীরা
শিক্ষার্থীদের ঘোষিত লংমার্চ ঘিরে সায়েন্সল্যাব এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার
সংসদে শিক্ষামন্ত্রীর জবাবদিহি: এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞানে প্রশ্নপত্রের ভুলের দায় স্বীকার, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে পূর্ণমান দেয়ার প্রতিশ্রুতি
এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের আন্দোলনে অনড় শিক্ষামন্ত্রীঃ ‘কোন পদত্যাগ হবে না’, চট্টগ্রাম বাদে সব বোর্ডের পরীক্ষা অব্যাহত থাকবে
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরকারি নির্দেশনায় রাজনীতির চর্চা: বাধ্যতামূলক হচ্ছে জিয়া পরিবারের ৩ বই
দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের লাইব্রেরির জন্য একটি বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। খুদে শিক্ষার্থীদের পড়ার জন্য এখন থেকে প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে তিনটি নির্দিষ্ট বইয়ের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ সেট সংরক্ষণ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ের এই সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, তালিকায় থাকা বই তিনটি হলো: ১. ‘প্রেসিডেন্ট জিয়া: রাজনৈতিক জীবনী’, ২. ‘বেগম খালেদা জিয়া: জীবন ও সংগ্রাম’, ৩. ‘সবার আগে বাংলাদেশ’
অফিস আদেশের নেপথ্যে
গত ১৮ই মে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব রওশন আরা পলি স্বাক্ষরিত একটি অফিস আদেশে এই নির্দেশনা জারি করা
হয়। আদেশে দেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই তিনটি বইয়ের সমন্বয়ে এক সেট বই সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের এই আদেশ পাওয়ার পর মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় ও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে (ডিজি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অফিস আদেশটি সম্প্রতি ইন্টারনেটে ও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই এটি নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ করে প্রাথমিক স্তরের শিশুদের জন্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের জীবনীর অন্তর্ভুক্তি নিয়ে নেটিজেন এবং শিক্ষা অনুরাগী মহলে তৈরি হয়েছে নানামুখী গুঞ্জন। কোমলমতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের লাইব্রেরিতে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের জীবনী ও রাজনৈতিক দর্শনের বই রাখার এই সরকারি সিদ্ধান্তকে সহজভাবে নিতে পারছেন না দেশের শিক্ষাবিদ ও
সচেতন সমাজ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করছেন। উদ্বেগ প্রকাশ করে সচেতন মহলের প্রতিনিধিরা বলছেন, প্রাথমিক শিক্ষার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত শিশুদের সৃজনশীলতা, বিজ্ঞানমনস্কতা এবং অরাজনৈতিক নৈতিক শিক্ষার বিকাশ ঘটানো। এত ছোট বয়সেই শিশুদের বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে রাজনৈতিক ঘরানার বইয়ের মুখোমুখি করা হলে তা তাদের মনস্তাত্ত্বিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। শিক্ষাঙ্গনে এমন রাজনৈতিক চর্চা বা দিকনির্দেশনা ভবিষ্যতে শিক্ষার পরিবেশকে আরও বেশি মেরুকরণের দিকে ঠেলে দিতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন তারা। লাইব্রেরির জন্য বই নির্বাচনের ক্ষেত্রে আরও বেশি সতর্কতা এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখা উচিত ছিল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে এই সমালোচনা ও উদ্বেগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বা অধিদপ্তরের
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
হয়। আদেশে দেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই তিনটি বইয়ের সমন্বয়ে এক সেট বই সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের এই আদেশ পাওয়ার পর মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় ও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে (ডিজি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অফিস আদেশটি সম্প্রতি ইন্টারনেটে ও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই এটি নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ করে প্রাথমিক স্তরের শিশুদের জন্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের জীবনীর অন্তর্ভুক্তি নিয়ে নেটিজেন এবং শিক্ষা অনুরাগী মহলে তৈরি হয়েছে নানামুখী গুঞ্জন। কোমলমতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের লাইব্রেরিতে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের জীবনী ও রাজনৈতিক দর্শনের বই রাখার এই সরকারি সিদ্ধান্তকে সহজভাবে নিতে পারছেন না দেশের শিক্ষাবিদ ও
সচেতন সমাজ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করছেন। উদ্বেগ প্রকাশ করে সচেতন মহলের প্রতিনিধিরা বলছেন, প্রাথমিক শিক্ষার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত শিশুদের সৃজনশীলতা, বিজ্ঞানমনস্কতা এবং অরাজনৈতিক নৈতিক শিক্ষার বিকাশ ঘটানো। এত ছোট বয়সেই শিশুদের বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে রাজনৈতিক ঘরানার বইয়ের মুখোমুখি করা হলে তা তাদের মনস্তাত্ত্বিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। শিক্ষাঙ্গনে এমন রাজনৈতিক চর্চা বা দিকনির্দেশনা ভবিষ্যতে শিক্ষার পরিবেশকে আরও বেশি মেরুকরণের দিকে ঠেলে দিতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন তারা। লাইব্রেরির জন্য বই নির্বাচনের ক্ষেত্রে আরও বেশি সতর্কতা এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখা উচিত ছিল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে এই সমালোচনা ও উদ্বেগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বা অধিদপ্তরের
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।



