ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কারখানা বন্ধের মিছিল বাড়ছেঃ ক্রুড ওয়েল সংকটে এবার বন্ধ হলো দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি
ধানমন্ডিতে আদি-চিরায়ত রূপে ফিরল ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’- হাজারো বাঙালির অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ উদযাপন
সাগরে ইলিশের প্রাচুর্য হলেও সাধারণের নাগালের বাইরে: গত বছরের চেয়ে দাম বেড়েছে ১৫%
১৫ মিনিট বন্ধ থাকার পর ফের চালু মেট্রো রেল
পাঁচ ঘণ্টা লাইন, চার লিটার তেল, আর একটি তথাকথিত “নির্বাচিত” সরকার!
অপশাসন, ভয় আর মামলার বোঝা—এভাবেই কি ঝরে যাবে একের পর এক প্রাণ? ইউনুস–তারেকের রাজনীতিতে কি মানুষের জীবন এতটাই তুচ্ছ হয়ে গেছে?
একটি স্বেচ্ছাচারী একপাক্ষিক সংসদ কর্তৃক গণবিরোধী আইন পাশ ও দেশের নৈরাজ্যময় পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বানঃ
প্রতি মিনিটে ১২ ভোটারের উপস্থিতি দেখাল ইসি
ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন নেই, মাঠ প্রায় ফাঁকা। অথচ নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেওয়া পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে ভোটের অবিশ্বাস্য জোয়ার। কমিশনের দেওয়া তথ্য ও মাঠ পর্যায়ের বাস্তব চিত্রের এই অসামঞ্জস্যতা বিশ্লেষণ করে বেরিয়ে এসেছে এক বিস্ময়কর তথ্য—কাগজে-কলমে প্রতি মিনিটে ১২ জনেরও বেশি মানুষ ভোট দিয়েছেন, যা বাস্তবে অসম্ভব।
একনজরে ‘মিনিট’ ও ভোটের হাইলাইটস:
১ ঘণ্টার ভেল্কি: সকাল ১১টায় ভোট ছিল ১৪%, দুপুর ১২টায় তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩২%-এ।
অতিরিক্ত ভোট: মাত্র ১ ঘণ্টায় ভোট বেড়েছে ১৮% (প্রায় ২ কোটি ১৬ লাখ)।
মিনিটের হিসাব: এই ১ ঘণ্টায় প্রতিটি কেন্দ্রে গড়ে ৬৭৫টি ভোট পড়েছে।
অবিশ্বাস্য গতি: গাণিতিক হিসাবে, প্রতিটি কেন্দ্রে প্রতি মিনিটে ১১.২৫ জন ভোটার ভোট দিয়েছেন।
বাস্তবতা: প্রতি ৫
সেকেন্ডে ১টি ভোট কাস্ট হওয়া অসম্ভব, বিশেষ করে যখন কেন্দ্রগুলো ফাঁকা। পরিসংখ্যানের আড়ালে ‘গায়েবি’ ভোট? নির্বাচন কমিশনের ব্রিফিং অনুযায়ী, সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোটার উপস্থিতি ছিল ১৪%। কিন্তু পরবর্তী এক ঘণ্টায় (দুপুর ১২টা পর্যন্ত) হঠাৎ করেই ১৮% ভোট বেড়ে মোট উপস্থিতি দাঁড়ায় ৩২%-এ। দেশের মোট ভোটার প্রায় ১২ কোটি এবং সচল ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা প্রায় ৩২,০০০ ধরে হিসাব করলে দেখা যায়, ওই এক ঘণ্টায় সারা দেশে অতিরিক্ত ২ কোটি ১৬ লাখ ভোট পড়েছে। এই বিশাল সংখ্যক ভোটকে কেন্দ্র ও সময় দিয়ে ভাগ করলে দেখা যায়, প্রতিটি কেন্দ্রে এক ঘণ্টায় ৬৭৫ জন মানুষ ভোট দিয়েছেন। অর্থাৎ, প্রতি মিনিটে ১১ জনের বেশি ভোটার ব্যালট বক্সে ভোট ফেলেছেন। বাস্তবতা
কী বলছে? নির্বাচন পর্যবেক্ষক ও পোলিং এজেন্টদের মতে, প্রচলিত ব্যালট পেপার পদ্ধতিতে একটি ভোট সম্পন্ন করতে (শনাক্তকরণ, কালি দেওয়া, ব্যালট ইস্যু ও সিল মারা) গড়ে ৩ থেকে ৪ মিনিট সময় লাগে। সেখানে প্রতি মিনিটে ১১টি ভোট গ্রহণ করা মানে প্রতিটি ভোটের জন্য সময় পাওয়া গেছে মাত্র ৫ সেকেন্ড, যা মানুষের পক্ষে শারীরিকভাবে অসম্ভব। তাছাড়া, বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত লাইভ ফুটেজে দেখা গেছে, দুপুরের ওই সময়ে অধিকাংশ কেন্দ্রের মাঠ ছিল ফাঁকা। ভোটারদের উপস্থিতি ছিল নগণ্য। ফাঁকা মাঠে কীভাবে প্রতি মিনিটে ১১ জন করে ভোটার ভোট দিলেন, সেই প্রশ্নই এখন জনমনে ঘুরপাক খাচ্ছে। বিশ্লেষকরা একে ‘গাণিতিক অসঙ্গতি’ বা সাজানো ফলাফল বলে অভিহিত করছেন।
সেকেন্ডে ১টি ভোট কাস্ট হওয়া অসম্ভব, বিশেষ করে যখন কেন্দ্রগুলো ফাঁকা। পরিসংখ্যানের আড়ালে ‘গায়েবি’ ভোট? নির্বাচন কমিশনের ব্রিফিং অনুযায়ী, সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোটার উপস্থিতি ছিল ১৪%। কিন্তু পরবর্তী এক ঘণ্টায় (দুপুর ১২টা পর্যন্ত) হঠাৎ করেই ১৮% ভোট বেড়ে মোট উপস্থিতি দাঁড়ায় ৩২%-এ। দেশের মোট ভোটার প্রায় ১২ কোটি এবং সচল ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা প্রায় ৩২,০০০ ধরে হিসাব করলে দেখা যায়, ওই এক ঘণ্টায় সারা দেশে অতিরিক্ত ২ কোটি ১৬ লাখ ভোট পড়েছে। এই বিশাল সংখ্যক ভোটকে কেন্দ্র ও সময় দিয়ে ভাগ করলে দেখা যায়, প্রতিটি কেন্দ্রে এক ঘণ্টায় ৬৭৫ জন মানুষ ভোট দিয়েছেন। অর্থাৎ, প্রতি মিনিটে ১১ জনের বেশি ভোটার ব্যালট বক্সে ভোট ফেলেছেন। বাস্তবতা
কী বলছে? নির্বাচন পর্যবেক্ষক ও পোলিং এজেন্টদের মতে, প্রচলিত ব্যালট পেপার পদ্ধতিতে একটি ভোট সম্পন্ন করতে (শনাক্তকরণ, কালি দেওয়া, ব্যালট ইস্যু ও সিল মারা) গড়ে ৩ থেকে ৪ মিনিট সময় লাগে। সেখানে প্রতি মিনিটে ১১টি ভোট গ্রহণ করা মানে প্রতিটি ভোটের জন্য সময় পাওয়া গেছে মাত্র ৫ সেকেন্ড, যা মানুষের পক্ষে শারীরিকভাবে অসম্ভব। তাছাড়া, বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত লাইভ ফুটেজে দেখা গেছে, দুপুরের ওই সময়ে অধিকাংশ কেন্দ্রের মাঠ ছিল ফাঁকা। ভোটারদের উপস্থিতি ছিল নগণ্য। ফাঁকা মাঠে কীভাবে প্রতি মিনিটে ১১ জন করে ভোটার ভোট দিলেন, সেই প্রশ্নই এখন জনমনে ঘুরপাক খাচ্ছে। বিশ্লেষকরা একে ‘গাণিতিক অসঙ্গতি’ বা সাজানো ফলাফল বলে অভিহিত করছেন।



