ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জ্বালানী নিরাপত্তাঃ শেখ হাসিনার এনার্জি ডিপ্লোম্যাসি বনাম ইউনুস-তারেকের উচ্চমূল্যের বিদেশী স্বার্থরক্ষা চুক্তি
রূপপুর পাওয়ার প্ল্যান্ট নিয়ে সংসদের বিরোধীদল এনসিপির অপতথ্য ও মিথ্যার ফ্লাডিং: জুলাই এর মতো গুজব ছড়িয়ে জনমানুষকে ধোঁকা দেয়ার চেষ্টা
এবার ঢাকায় ভারতীয় কাশ্মীরি নাগরিকের অস্বাভাবিক মৃত্যু: সন্দেহজনক ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে সর্বহারাদের পুনরুত্থান: আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দুর্বলতার সুযোগ নিচ্ছে চরমপন্থীরা
রুপপুরে নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্রে ফুয়েল লোড: ইউরেনিয়াম দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে খরচ কেমন হতে পারে?
পশ্চিম পাকিস্তানের বৈষম্যে বাতিল হয়েছিল রূপপুর: বিরোধীদের সকল বাধা উপেক্ষা করে বঞ্চিত বাংলাদেশের ৬৫ বছরের স্বপ্ন পূরণের দ্বারপ্রান্তে
আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার চেয়ে জাতিসংঘে ১৭৩ আইনজীবীর আর্জি
নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করতেই ‘ক্যাঙ্গারু কোর্টে’ তড়িঘড়ি করে রায় দেওয়া হয়েছে: সজীব ওয়াজেদ জয়
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে এবং তার সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় অভিযোগ করেছেন, আগামী নির্বাচনে তাকে ও তার পরিবারকে অযোগ্য ঘোষণা করার উদ্দেশ্যেই তড়িঘড়ি করে একটি রায় দেওয়া হয়েছে। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ‘অবৈধ ইউনুস সরকার’ আখ্যায়িত করে তিনি দাবি করেন, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই এই রায় দেওয়া হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সজীব ওয়াজেদ জয় জানান, তিনি এবং তার পরিবারের সদস্যরা ঢাকার উপকন্ঠের একটি অনুন্নত এলাকায় প্রত্যেকে ৩০ লাখ টাকা দিয়ে ১/৬ একর করে জমি কিনেছিলেন। বাংলাদেশে এটিই ছিল তাদের নিজস্ব টাকায় কেনা প্রথম কোনো সম্পত্তি। এর বাইরে তাদের যা কিছু আছে, তা
পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত। জয় অভিযোগ করেন, "অবৈধ ইউনুস শাসনামলে বাংলাদেশের ‘ক্যাঙ্গারু কোর্ট’ আরেকটি দ্রুত বিচার ও রায় প্রদান করেছে। আমরা কোনো নোটিশ পাইনি, আমাদের আইনজীবী নিয়োগ করতে দেওয়া হয়নি এবং কোনো আইনি প্রক্রিয়া বা 'ডিউ প্রসেস' মানা হয়নি।" তিনি আরও বলেন, এই রায়ের মূল লক্ষ্য হলো তাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখা। বর্তমান সরকার বঙ্গবন্ধুর পরিবারকে ভয় পায় বলেই এমনটা করছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত। জয় অভিযোগ করেন, "অবৈধ ইউনুস শাসনামলে বাংলাদেশের ‘ক্যাঙ্গারু কোর্ট’ আরেকটি দ্রুত বিচার ও রায় প্রদান করেছে। আমরা কোনো নোটিশ পাইনি, আমাদের আইনজীবী নিয়োগ করতে দেওয়া হয়নি এবং কোনো আইনি প্রক্রিয়া বা 'ডিউ প্রসেস' মানা হয়নি।" তিনি আরও বলেন, এই রায়ের মূল লক্ষ্য হলো তাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখা। বর্তমান সরকার বঙ্গবন্ধুর পরিবারকে ভয় পায় বলেই এমনটা করছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।



