ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ফসলহানির শঙ্কা
শীর্ষ সন্ত্রাসীরা ফের তৎপর
বিমানবন্দরের রানওয়ে নিরাপত্তা ঝুঁকিতে
যুক্তরাজ্যের ‘ইয়াং লিডারস অ্যাওয়ার্ড’ পাচ্ছেন ৪ বাংলাদেশি
সংসদের কেনাকাটায় ‘হরিলুট’ তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন
চট্টগ্রামে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ লেখাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ
লক্ষ্য আন্দোলনে লাশ বৃদ্ধি স্নাইপারের গুলির জোগানদাতা বরখাস্ত কর্নেল হাসিনুর!
জাতিসংঘের নিয়ম লঙ্ঘন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড: গুতেরেসকে ড. মোমেনের জরুরি চিঠি
বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ কে আব্দুল মোমেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কাছে একটি জরুরি চিঠি পাঠিয়েছেন। চিঠিতে তিনি বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুদণ্ডাদেশ, বিচারিক প্রক্রিয়ায় জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের প্রতিবেদনের কথিত ‘অপব্যবহার’ এবং দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
চিঠিতে ড. মোমেন অভিযোগ করেন, জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্কের দেওয়া পর্যবেক্ষণকে ভিত্তি করে বাংলাদেশে একটি ‘বিতর্কিত’ রায় প্রদান করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এই রায়ের মাধ্যমে সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, যা ন্যায়বিচারের পরিবর্তে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’র বহিঃপ্রকাশ।
ড. মোমেন তার চিঠিতে উল্লেখ করেন, ভলকার তুর্ক যে প্রতিবেদন বা পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন, তা জাতিসংঘের মানবাধিকার
কাউন্সিল (UNHRC) কর্তৃক অনুমোদিত বা পর্যালোচিত ছিল না। তিনি দাবি করেন, জাতিসংঘের কার্যপ্রণালী বিধির (Rules of Procedure) বাইরে গিয়ে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে এবং বাংলাদেশের আদালতে তা এমনভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, যা জাতিসংঘের বিশ্বাসযোগ্যতাকে ক্ষুণ্ন করে। চিঠিতে বলা হয়, “কোনো অনুমোদন বা তদারকি ছাড়া এ ধরনের একপাক্ষিক পদক্ষেপ বহুপাক্ষিকতাকে দুর্বল করে। বিশেষ করে যখন জীবন-মৃত্যুর সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রতিবেদনের প্রভাব থাকে, তখন যথাযথ প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া জরুরি।” আগামী ২০ থেকে ২৪ নভেম্বর কমনওয়েলথ মহাসচিবের বাংলাদেশ সফরের কথা উল্লেখ করে ড. মোমেন এটিকে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার সুযোগ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। চিঠিতে তিনি কমনওয়েলথ মহাসচিবের সফরের প্রাক্কালে চারটি সুনির্দিষ্ট
দাবি তুলে ধরেন: ১. অবিলম্বে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু করা, যেখানে আওয়ামী লীগসহ সকল রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করতে পারে। ২. রাজনৈতিক দল ও সমাবেশের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেওয়া। ৩. জরুরি অবস্থা বা রাজনৈতিক কারণে আটক নেতাকর্মী ও সাংবাদিকদের মুক্তি। ৪. কমনওয়েলথ স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান অব অ্যাকশন বাস্তবায়ন। চিঠির শেষাংশে ড. মোমেন সতর্ক করে বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে এক গভীর সংকটের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে। এই সংকট নিরসনে এবং জীবন বাঁচাতে তিনি জাতিসংঘ মহাসচিবের দ্রুত ও ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপ কামনা করেন। চিঠিটির অনুলিপি লন্ডনে কমনওয়েলথ সচিবালয়েও পাঠানো হয়েছে।
কাউন্সিল (UNHRC) কর্তৃক অনুমোদিত বা পর্যালোচিত ছিল না। তিনি দাবি করেন, জাতিসংঘের কার্যপ্রণালী বিধির (Rules of Procedure) বাইরে গিয়ে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে এবং বাংলাদেশের আদালতে তা এমনভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, যা জাতিসংঘের বিশ্বাসযোগ্যতাকে ক্ষুণ্ন করে। চিঠিতে বলা হয়, “কোনো অনুমোদন বা তদারকি ছাড়া এ ধরনের একপাক্ষিক পদক্ষেপ বহুপাক্ষিকতাকে দুর্বল করে। বিশেষ করে যখন জীবন-মৃত্যুর সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রতিবেদনের প্রভাব থাকে, তখন যথাযথ প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া জরুরি।” আগামী ২০ থেকে ২৪ নভেম্বর কমনওয়েলথ মহাসচিবের বাংলাদেশ সফরের কথা উল্লেখ করে ড. মোমেন এটিকে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার সুযোগ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। চিঠিতে তিনি কমনওয়েলথ মহাসচিবের সফরের প্রাক্কালে চারটি সুনির্দিষ্ট
দাবি তুলে ধরেন: ১. অবিলম্বে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু করা, যেখানে আওয়ামী লীগসহ সকল রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করতে পারে। ২. রাজনৈতিক দল ও সমাবেশের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেওয়া। ৩. জরুরি অবস্থা বা রাজনৈতিক কারণে আটক নেতাকর্মী ও সাংবাদিকদের মুক্তি। ৪. কমনওয়েলথ স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান অব অ্যাকশন বাস্তবায়ন। চিঠির শেষাংশে ড. মোমেন সতর্ক করে বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে এক গভীর সংকটের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে। এই সংকট নিরসনে এবং জীবন বাঁচাতে তিনি জাতিসংঘ মহাসচিবের দ্রুত ও ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপ কামনা করেন। চিঠিটির অনুলিপি লন্ডনে কমনওয়েলথ সচিবালয়েও পাঠানো হয়েছে।



