ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বৃহস্পতিবার টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
১১ হত্যা মামলার চার্জশিট হয়নি কোনোটিরই
ঝিনাইদহে চরম উত্তেজনা: পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে আওয়ামী লীগ নেতা বিজুকে ছিনিয়ে নিলো জনতা
রাঙামাটিতে আ.লীগের ১০ নেতাসহ আটক ১৬
ফটিকছড়িতে ক্লিনিকের অনিয়ম ফাঁস করায় সাংবাদিককে হত্যার হুমকি, যুবদল নেতার বিরুদ্ধে থানায় জিডি
‘মা বাঁচলে আমিও বাঁচবো!’: অর্থাভাবে কি আইসিইউতেই নিভে যাবে মমতাজের জীবনপ্রদীপ?
যশোরে সংখ্যালঘু পরিবারের জমি দখল ও হামলার অভিযোগ, নারীসহ আহত ৪
চাঁদপুরে অপহরণের পর কুমিল্লায় নিষ্ঠুর হত্যা: নিখোঁজের দুই দিন পর ধানখেতে মিলল হাত-পা বাঁধা ব্যবসায়ীর লাশ
পবিত্র ঈদের খুশির দিনেই নিভে গেল একটি প্রাণের প্রদীপ। চাঁদপুরের কচুয়া বাজারের সুপরিচিত সার ব্যবসায়ী নুরুল ইসলাম (৭০) নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর উদ্ধার হলো তার নিথর দেহ। আজ ৩১ মে, রোববার কুমিল্লার সদর দক্ষিণ থানার শ্রীনিবাস পূর্বপাড়া হাইওয়ের পাশের একটি ধানখেত থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিখোঁজের প্রেক্ষাপট
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ঈদের দিন সকালে নিজ গ্রাম তুলপাইয়ের কেন্দ্রীয় ঈদগাহে নামাজ পড়তে গিয়েছিলেন নুরুল ইসলাম। নামাজ শেষে সবাই বাড়ি ফিরলেও তিনি আর ফেরেননি। স্বজনরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ নিয়েও তার সন্ধান না পাওয়ায় কচুয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
ঘটনাস্থলের চিত্র
নিখোঁজের দুই দিন পর শনিবার
বিকেলে কুমিল্লায় ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়ের পাশের একটি নির্জন ধানখেতে স্থানীয়রা হাত-পা বাঁধা একটি মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরবর্তীতে পরিচয় শনাক্ত হলে জানা যায়, এটিই নিখোঁজ হওয়া ব্যবসায়ী নুরুল ইসলাম। মরদেহের অবস্থা দেখে প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে, তাকে অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে অপহরণের পর শ্বাসরোধ বা অন্য কোনো উপায়ে হত্যা করে সেখানে ফেলে রাখা হয়েছে। পুলিশ ও প্রশাসনের বক্তব্য কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল আজিজ জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এটি যে একটি হত্যাকাণ্ড, তা মরদেহের হাত-পা বাঁধা অবস্থা দেখেই স্পষ্ট। তবে এর পেছনে ব্যবসায়িক শত্রুতা, পারিবারিক বিরোধ নাকি কোনো পেশাদার ছিনতাইকারী
চক্র জড়িত—তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। স্বজনদের আহাজারি স্বজনদের দাবি, নুরুল ইসলাম একজন সাধারণ ব্যবসায়ী ছিলেন। ঈদের দিন এমন নিষ্ঠুরভাবে তাকে কেন প্রাণ দিতে হলো, তার কোনো কূলকিনারা পাচ্ছেন না তারা। পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়ে কচুয়া ও কুমিল্লায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। উৎসবের দিনগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নজরদারির মধ্যেও একজন প্রবীণ ব্যবসায়ীকে নিজ গ্রাম থেকে তুলে নিয়ে পার্শ্ববর্তী জেলায় হত্যা করে ফেলে রাখা বর্তমান আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতির ওপর একটি বড় প্রশ্নচিহ্ন এঁকে দিয়েছে।
বিকেলে কুমিল্লায় ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়ের পাশের একটি নির্জন ধানখেতে স্থানীয়রা হাত-পা বাঁধা একটি মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরবর্তীতে পরিচয় শনাক্ত হলে জানা যায়, এটিই নিখোঁজ হওয়া ব্যবসায়ী নুরুল ইসলাম। মরদেহের অবস্থা দেখে প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে, তাকে অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে অপহরণের পর শ্বাসরোধ বা অন্য কোনো উপায়ে হত্যা করে সেখানে ফেলে রাখা হয়েছে। পুলিশ ও প্রশাসনের বক্তব্য কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল আজিজ জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এটি যে একটি হত্যাকাণ্ড, তা মরদেহের হাত-পা বাঁধা অবস্থা দেখেই স্পষ্ট। তবে এর পেছনে ব্যবসায়িক শত্রুতা, পারিবারিক বিরোধ নাকি কোনো পেশাদার ছিনতাইকারী
চক্র জড়িত—তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। স্বজনদের আহাজারি স্বজনদের দাবি, নুরুল ইসলাম একজন সাধারণ ব্যবসায়ী ছিলেন। ঈদের দিন এমন নিষ্ঠুরভাবে তাকে কেন প্রাণ দিতে হলো, তার কোনো কূলকিনারা পাচ্ছেন না তারা। পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়ে কচুয়া ও কুমিল্লায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। উৎসবের দিনগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নজরদারির মধ্যেও একজন প্রবীণ ব্যবসায়ীকে নিজ গ্রাম থেকে তুলে নিয়ে পার্শ্ববর্তী জেলায় হত্যা করে ফেলে রাখা বর্তমান আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতির ওপর একটি বড় প্রশ্নচিহ্ন এঁকে দিয়েছে।



