ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাওরের বাঁধের অর্থে শিবির নেতার বাড়ির সড়ক সংস্কারে ২৩ লাখ টাকার প্রকল্প উপহার সুনামগঞ্জের ডিসির!
তোফাজ্জল হত্যা মামলা: প্রধান দুই অভিযুক্ত বাকের ও আব্দুল কাদেরকে বাদ দিয়েই মামলার চার্জশিট
শাহবাগে তোপের মুখে আসিফ মাহমুদ
৩৪টা সইয়ে বন্দী একটা গ্রাম : হালাল মাইক, হারাম সাউন্ডবক্স
চাঁদাবাজি-ছিনতাই, বিএনপি, আর একটি রাষ্ট্রের নৈতিক দেউলিয়াত্ব
বাংলাদেশে আবার ফিরে আসছে সাম্প্রদায়িক হামলার – টার্গেট আবার পুরোহিত ও হিন্দুদের পূজা আর্চনা
বনমোরগ উদ্ধারের পর বনে ‘দেশি মোরগ’ অবমুক্ত করলেন বন কর্মকর্তা, খেয়ে ফেলার অভিযোগ
ইজতেমা ময়দানে পাকিস্তানি দোকান ’আগে খান, পরে কিনুন’
টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বে লাখো মানুষের ভিড়ের মাঝে নজর কেড়েছে এক পাকিস্তানি দোকান। ‘পেলোয়ান মিষ্টি রাউলি’ নামে এই দোকানটির বিশেষত্ব শুধু তাদের সুস্বাদু খাবার নয়, বরং তাদের মানবিক উদ্যোগ।
দোকানটির স্লোগান— "আগে খান, পরে কিনুন", যা অনেকের মধ্যেই কৌতূহল জাগিয়েছে। উদ্যোক্তারা জানান, বাংলাদেশে তাদের আগমন কোনো বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে নয়, বরং মানুষের সেবা করাই তাদের লক্ষ্য। তাই তারা পথচারীদের বিনামূল্যে খাবার বিতরণ করছেন। পাকিস্তানের জনপ্রিয় মিষ্টি ও খাবার পরিবেশন করে তারা বাংলাদেশিদের আচরণে মুগ্ধ হয়েছেন।
তাদের ভাষ্যমতে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এর আগেও তারা এভাবেই মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করেছেন। তবে বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা ও আতিথেয়তা এতটাই হৃদয়গ্রাহী যে,
কৃতজ্ঞতা প্রকাশের অংশ হিসেবে তারা এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। স্থানীয়দের অনেকে এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। এক ব্যক্তি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, "তাদের তিলের খাজা খেয়ে মনে হলো অসাধারণ! খুব সুস্বাদু, অনেক মজা লাগছে।" পাকিস্তানি উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, এই প্রথমবার তারা বাংলাদেশ সফর করছেন এবং ভবিষ্যতে আবারও আসার আশা রাখছেন। তারা বলেন, "আমরা ব্যবসার জন্য আসিনি, মানুষকে জানাতে এসেছি আমাদের পণ্যের স্বাদ কেমন। ইনশাআল্লাহ, ভবিষ্যতে আমাদের আয়োজন আরও বিস্তৃত হবে।"
কৃতজ্ঞতা প্রকাশের অংশ হিসেবে তারা এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। স্থানীয়দের অনেকে এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। এক ব্যক্তি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, "তাদের তিলের খাজা খেয়ে মনে হলো অসাধারণ! খুব সুস্বাদু, অনেক মজা লাগছে।" পাকিস্তানি উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, এই প্রথমবার তারা বাংলাদেশ সফর করছেন এবং ভবিষ্যতে আবারও আসার আশা রাখছেন। তারা বলেন, "আমরা ব্যবসার জন্য আসিনি, মানুষকে জানাতে এসেছি আমাদের পণ্যের স্বাদ কেমন। ইনশাআল্লাহ, ভবিষ্যতে আমাদের আয়োজন আরও বিস্তৃত হবে।"



