সরকারের তড়িঘড়ি এলএনজি আমদানি: উচ্চমূল্যে ক্রয়ে সরকারি কোষাগারের বিপুল অর্থ অপচয় – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১২ মার্চ, ২০২৬

সরকারের তড়িঘড়ি এলএনজি আমদানি: উচ্চমূল্যে ক্রয়ে সরকারি কোষাগারের বিপুল অর্থ অপচয়

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১২ মার্চ, ২০২৬ |
বিশ্ববাজারে এলএনজির (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) মূল্য অস্থিরতার মধ্যে সরকার উচ্চমূল্যে তিনটি কার্গো এলএনজি আমদানির সিন্ধান্ত নিয়েছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘টোটাল ইঞ্জিনিয়ারিং গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড’ থেকে এক কার্গো এবং দক্ষিণ কোরিয়ার ‘পসকো ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশন’ থেকে দুটি কার্গো কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২৬৫৪ কোটি টাকারও বেশি। টোটাল ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে এক কার্গো এলএনজির জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৯০৭.৮৪ কোটি টাকা, যেখানে প্রতি এমএমবিটিইউ (মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট) এর মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২১.৫৮ মার্কিন ডলার। অন্যদিকে, পসকো থেকে প্রতিটি কার্গোর দাম পড়বে ৮৭৩.৩৫ কোটি টাকা করে, এবং প্রতি এমএমবিটিইউ এর মূল্য ২০.৭৬ মার্কিন ডলার। এই তিন কার্গো

এপ্রিলের প্রথমার্ধে (৫-৬, ৯-১০ ও ১২-১৩ তারিখ) সরবরাহ করা হবে বলে জানা গেছে। অথচ স্পট মার্কেটে (এশিয়ান বেঞ্চমার্ক জেএকেএম) এলএনজির বর্তমান মূল্য প্রায় ১৫-১৬ ডলার প্রতি এমএমবিটিইউ-এর আশেপাশে ঘুরপাক খাচ্ছে। মার্চের শুরুতে জেএকেএম প্রায় ১০-১১ ডলারের কাছাকাছি ছিল, কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত (ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ, কাতার সরবরাহ বন্ধ ইত্যাদি) কারণে দাম কিছুটা বেড়েছে। তবুও সরকারের এই কেনায় প্রতি ইউনিটে ৫-৬ ডলারেরও বেশি অতিরিক্ত মূল্য পরিশোধ করতে হচ্ছে। বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এই তড়িঘড়ি কেনাকাটা সরকারি কোষাগারের অর্থের অহেতুক অপচয়ের নজির। মার্চের প্রথম সপ্তাহে স্পট মার্কেটে দাম অনেক কম ছিল (কিছু ক্ষেত্রে ১০ ডলারের নিচে), কিন্তু সরকার অপেক্ষা না করে উচ্চমূল্যে

চুক্তি করে ফেলেছে। এতে করে জনগণের টাকা থেকে কয়েকশ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পেট্রোবাংলা ও জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশীয় গ্যাস উৎপাদন কমে যাওয়া এবং দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে স্পট মার্কেট থেকে কেনা ছাড়া উপায় ছিল না। তবে সমালোচকরা বলছেন, বাজারের প্রবণতা পর্যবেক্ষণ করে আরও কৌশলগতভাবে কেনাকাটা করা যেত। এই ঘটনা সরকারের জ্বালানি নীতি ও আমদানি কৌশল নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। জনগণের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে যে, বিশ্ববাজারের অস্থিরতার দোহাই দিয়ে কেন উচ্চমূল্যে কেনা হলো, যখন অপেক্ষা করলে দাম কমতে পারতো। সরকারের পক্ষ থেকে এখনও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের আমদানিতে আরও সতর্কতা ও বাজার বিশ্লেষণ জরুরি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
বিধানসভা নির্বাচনে তারকাদের হাল যেমন আমিরাতের পেট্রোলিয়াম স্থাপনায় ইরানের ড্রোন হামলা ১০০টিরও বেশি আসন লুট করে নিয়েছে বিজেপি: মমতা শুভেন্দুর কাছে হেরে গেলেন মমতা দেশের জন্য সতর্কবার্তা বাসের ধাক্কায় একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৬ কেরালায় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কাকে বেছে নেবে কংগ্রেস? পে স্কেল: শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধি নিয়ে যা বলছে মন্ত্রণালয় নিজ আসনে পিছিয়ে গেলেন মমতা চীনের শিল্পভূমিতে নীরব সংকটের বিস্তার সাগরে বিপদে পড়া ভারতীয় নাবিকদের উদ্ধার করল পাকিস্তান নৌবাহিনী মৌজা রেটে দিতে হবে সম্পদ কর ৪৯ বছরের রেকর্ড ভাঙতে চলেছেন বিজয়, সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে যা ৪ লাখ ৬৮ হাজার পদ শূন্য, নিয়োগ হচ্ছে না যেসব কারণে বাঘের বাচ্চার মতো লড়বেন মমতা, বিজেপিকে হুঙ্কার ধেয়ে আসছে বন্যা, বিপৎসীমার ওপরে ৭ নদীর পানি বিজেপির পরিকল্পনা ফাঁস করলেন মমতা, ফল মানবেন সূর্যাস্তের পর নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের পথে আরও এক ধাপ এগোল সরকার ময়মনসিংহে ট্রাক-সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে তিন নারীসহ নিহত ৪ টঙ্গীতে বস্তির বিলাসবহুল এসি রুমে মাদক সেবন করেন নামিদামিরা